মারা যাওয়ার ২৫ দিন পর দেশে আসলো ইরাক প্রবাসী রেজাউল ইসলামের মরদেহ

0
ছবি: সংগৃহীত।

মো. নুর আলম,জীবননগর ॥ বিয়ের প্রস্তুতি চলছিলো। খুব শিগগিরই দেশে ফেরার কথাও ছিল। কিন্তু মারা যাওয়ার ২৫ দিন আগে ইরাকের হোটেলে কর্মরত থাকার সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তার মৃত্যু হয়। আর মারা যাওয়ার ২৫ দিন পর নিজগ্রামে আসলো তার মরদেহ।

ইরাক প্রবাসী রেজাউল ইসলামের(৩০) মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌঁছেছে। নিহত রেজাউল ইসলাম চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মৃগমারী গ্রামের রহিম হুজুরের ছেলে। গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩ টার দিকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ শহরের আল মনসুর নামক এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে দায়িত্ব পালন করার সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে তার মৃত্যু হয়। পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘ অপেক্ষা আর কষ্টের প্রতীক্ষার পর বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টার সময় তার মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌঁছায়।

এর আগে ইরাক থেকে একটি ফ্লাইটে বুধবার দিবাগত রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহটি আসে। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টায় মরদেহটি পরিবারের লোকজনের কাছে হস্তান্তর করেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

মরদেহটি নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। শেষ বারের মত এক নজর দেখার জন্য প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনেরা ভিড় জমায়।

রেজাউল ইসলামের পিতা রহিম হুজুর জানান, পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে ৮ বছর আগে দেশ ছাড়ে সে। কষ্টের অর্জিত টাকা দিয়ে তৈরি করেছিলেন বিলাসবহুল বাড়ি। বাড়িতে চলছিলো তার বিয়ের প্রস্তুতি। শিগগিরই বাড়িতে ফিরে এসে বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিলো। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিলো। কিন্তু একটি দুর্ঘটনা সবকিছু এলোমেলো করে দিয়ে গেলো।