বাঘারপাড়ায় হট্টগোল হাতাহাতির মধ্যেই গঠিত হলো আ.লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি

0

বাঘারপাড়া (যশোর) সংবাদদাতা॥ বাঘারপাড়ায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলা, হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও সদরের বসুন্দিয়া ইউনিয়নের (যশোর-৪) সংসদীয় আসনে নৌকা প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে সভা শুরু হয়। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন। সভা চলার এক পর্যায়ে বাঘারপাড়া পৌরসভার মেয়র কামরুজ্জামান বাচ্চু তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। কমিটির নাম ঘোষণা করার এক পর্যায়ে পৌর মেয়র কামরুজ্জামান বাচ্চু ও যুবলীগ নেতা আফজাল হোসেন সঞ্জীবের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হলে হট্টগোল শুরু হয়। এক পর্যায়ে পৌর মেয়র উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসান আলীকে অপমান করেছেন উল্লেখ করে সুলতান মাহমুদ নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মী চড়া গলায় প্রতিবাদ জানাতে থাকে। এ সময় আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে অবস্থানরত পৌর মেয়র ও তার কর্মী সমর্থকরা সুলতান মাহমুদকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে সভা শেষ করে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন বের হয়ে আসলে তার সাথে থাকা সুলতানের ওপর চড়াও হয় মেয়রের লোকজন। এ সময় হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে।
এ ব্যাপারে পৌর মেয়র কামরুজ্জামান বাচ্চু বলেন,‘উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান আলীকে অপমানজনক কোনো কথা বলিনি। বরং সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য রণজিৎ রায়কে গালাগাল করা হয়েছে। তার প্রতিবাদ করেছে কর্মীরা’।
জানতে চাইলে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, এটা ব্যক্তিগত রেষারেষি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এনামুল হক বাবুলকে বিজয়ী করতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছে।
তিনি আরও জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসান আলীকে আহ্বায়ক করে বাঘারপাড়ায় নৌকা প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।