ফ্যামিলি কার্ডে গাফিলতি ঝিনাইদহে দু সমাজসেবা কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

0
ছবি: সংগৃহীত।

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা ॥ সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে চূড়ান্ত অবহেলা ও মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে শৈথিল্যের দায়ে ঝিনাইদহ সমাজসেবা অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-৪ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি হয়।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন ঝিনাইদহ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মমিনুর রহমান ও শৈলকুপা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. শরিফ উদ্দিন। দুজনকেই ঢাকার আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন বিধি মোতাবেক তারা খোরপোষ ভাতা পাবেন।

মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ড বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার কার্যক্রম ও নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম বড় প্রতিশ্রুতি। এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে যেকোনো গাফিলতি অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজ। উভয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে চূড়ান্ত মাত্রার অবহেলা প্রদর্শন ও মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে শৈথিল্য প্রদর্শনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এই বিধিমালার ১২(১) ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা সমীচীন মনে করেছে মন্ত্রণালয়। জনস্বার্থে আদেশটি অবিলম্বে কার্যকরের নির্দেশ দিয়ে প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ।

সাময়িক বরখাস্তকৃত ঝিনাইদহ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মমিনুর রহমান জানান, সচিবের এক চিঠিতে তিনি ঢাকার আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত হয়েছেন। কী কারণে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে তা তিনি জানেন না। শৈলকুপা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. শরিফ উদ্দিনও একই কথা জানান।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে হতদরিদ্র পরিবার চিহ্নিত করে খাদ্য ও নগদ সহায়তা দেওয়া হয়। মাঠ পর্যায় থেকে সংগৃহীত তথ্যের ওপরই এই কার্ডের সুবিধাভোগী নির্বাচন নির্ভর করে। ঝিনাইদহ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মমিনুর রহমান ও শৈলকুপা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. শরিফ উদ্দিন ভুলভাল ও ত্রুটিপুর্ণ তথ্য দিয়ে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন বলে অভিযোগ।