প্রবল প্রতাপশালী বিপুলকে আটক দেখতে চায় যশোরবাসী

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আওয়ামী আমলে প্রবল প্রতাপের সঙ্গে দাপিয়ে বেড়ানো আনোয়ার হোসেন বিপুলের পরিণতি দেখার অপেক্ষায় যশোরবাসী। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হত্যা দিয়ে যার ছাত্র রাজনীতিতে উত্থান। তিনি ছিলেন সন্ত্রাসীদের মাথা। হত্যা, বোমাবাজি, হামলা, অগ্নিসংযোগের মত অপরাধ ছিল তার রুটিন ওয়ার্ক। তার জিঘাংসা থেকে রেহাই পায়নি যশোরের প্রাণপুরুষ তরিকুল ইসলামের বাড়ি, বিএনপি অফিস, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ অসংখ্যা নেতাকর্মীর বাড়ি গাড়ি। বোমা হামলা ছিল তার নিত্যদিনের কাজ। একাধিক হত্যাও করিয়েছেন তিনি। শুধু প্রতিপক্ষ নয় তার রাজনৈতিক গুরু শাহীন চাকলাদারও ভুগতেন ‘বিপুল আতংকে’। রাজনীতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে চোরাচালান সিন্ডিকেট পরিচালনা, অবৈধ সোনা ও অস্ত্রের ব্যবসা এবং দখলদারিত্বে হয়েছেন অঢেল সম্পত্তির মালিক। ফ্যাসিস্টের পতনের পরেও আত্মগোপনে চলে যাওয়া বিপুল এখনো অধরা। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা হলেও পুলিশ আটক করতে পারেনি।

বহু রাজনৈতিক নেতার বাড়িতে বোমা হামলা, ভাঙচুর ও লুটের সাথে জড়িত জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল কোথায় সেই প্রশ্ন এখন সর্বমহলে। দীর্ঘ ৪ মাস ধরে তার কোনো হদিস মিলছে না। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের সাথে সাথে তিনিও লাপাত্তা। হত্যাসহ বেশ কয়েকটি মামলাও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সেই ত্রাস আনোয়ার হোসেন বিপুলকে আটকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কার্যকর ভূমিকা না রাখায় সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নাম প্রকাশে একাধিক সূত্র জানায়, আনোয়ার হোসেন বিপুলের আসল বাড়ি সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়ন এলাকায়। তার পিতা জবেদ আলী ছিলেন সোনালী ব্যাংকের তৃতীয় শ্রেণির একজন কর্মচারী। ব্যাংকের বেনাপোল শাখায় কর্মরত অবস্থায় তিনি অবসরে যান। যশোর শহরের পুরাতন কসবা ঘোষ পাড়ায় ঢাকা রোড সংলগ্ন এলাকায় জবেদ আলী দোতলা বাড়ি নির্মাণ করলেও সৌন্দর্য বৃদ্ধিসহ আনুষঙ্গিক ব্যয়বহুল কাজ সম্পন্ন করেছেন আনোয়ার হোসেন বিপুল। সূত্র জানায়, ছাত্রাবস্থায় আনোয়ার হোসেন বিপুল ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দাপটধারী নেতা শাহীন চাকলাদারের অনুসারী এবং ক্যাডার।
২০১০ সালের ১৪ মার্চ যশোর জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন হলেও গ্রুপিং এর কারণে কমিটি হয়নি। এরপর ২০১১ সালের জুলাই মাসে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলী রেজা রাজুর আস্থাভাজন হিসেবে আরিফুল ইসলাম রিয়াদকে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের আস্থাভাজন হিসেবে আনোয়ার হোসেন বিপুলকে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক করে। এরপর বিপুলকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি।
এক সময় বেজপাড়া এলাকার প্রশান্ত এবং কালো পলাশ নামে দুই সন্ত্রাসী চোরাচালানের একটি বড় সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতেন। আনোয়ার হোসেন বিপুল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের আশীর্বাদ থাকায় ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রশান্ত ও কালো পলাশের কাছ থেকে চোরাচালান পরিচালনার ওই সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ নেন। ওই সিন্ডিকেট পরিচালনার পাশাপাশি তিনি অবৈধ সোনা চোরাচালান এবং আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবসা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আকুল হোসেন ছিলেন আনোয়ার হোসেন বিপুলের অত্যন্ত কাছের লোক। এ কারণে শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদটি নিজ প্রভাব খাটিয়ে আকুল হোসেনকে পাইয়ে দিয়েছিলেন বিপুল। আকুল হোসেনের মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র ও সোনা চোরাচালানের ব্যবসা করতেন আনোয়ার হোসেন বিপুল। ২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বর আকুল হোসেন ও তার ৪ সহযোগী রাজধানী ঢাকার দারুস সালাম এলাকা থেকে ৮টি পিস্তল, ১৬টি ম্যাগজিন, ৮ রাউন্ড গুলি ও একটি প্রাইভেটকারসহ ডিবি পুলিশের হাতে আটক হয়েছিলেন। সেই সময় প্রকাশ পায়, আকুল হোসেন চক্র দুই শতাধিক অবৈধ অস্ত্র বিক্রির সাথে জড়িত।
সূত্র জানায়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শুরু থেকেই ছিল ছাত্ররাজনীতি মুক্ত। বিশ^বিদ্যালয় আইন ভেঙে ছাত্র রাজনীতির নামে শুরু করেন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। সেখানকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডার জোরপূর্বক নিয়ে নিতেন আনোয়ার হোসেন বিপুল। তার অত্যাচারের মাত্রা চরমে পৌঁছানোর কারণে শেষ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপে যেতে বাধ্য হয়। ২০১৪ সালের ১৪ জুলাই প্রকাশ্য দিবালোকে বিশ্ববিদ্যালয় গেটে কাজী নাইমুল ইসলাম রিয়াদ নামে এক ছাত্রকে ছুরিকাঘাতে এবং গুলি চালিয়ে হত্যা করেন আনোয়ার হোসেন বিপুলের অনুসারী ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। কাজী নাইমুল ইসলাম রিয়াদ ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে আনোয়ার হোসেন বিপুলের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এর আগে মোবাইল ফোনে কাজী নাইমুল ইসলাম রিয়াদকে হুমকি দিয়েছিলেন আনোয়ার হোসেন বিপুল। হুমকির সেই অডিও রেকর্ড সেই সময় ভাইরাল হয়ে গিয়েছিলো। দৈনিক লোকসমাজ পত্রিকাতেও এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ হয়। কাজী নাইমুল ইসলাম রিয়াদ খুন হওয়ার পর তার মামা রাজু কোতয়ালি থানায় দায়ের করা মামলায় অন্যদের সাথে আনোয়ার হোসেন বিপুলকেও আসামি করেছিলেন। কিন্তু সেই সময় তদন্ত সংস্থা সিআইডির ওপর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে চার্জশিট থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়াতে সক্ষম হন আনোয়ার হোসেন বিপুল।
সূত্র জানায়, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের আশীর্বাদ থাকায় সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে সহজে জয়লাভ করেন আনোয়ার হোসেন বিপুল। এরপর বিপুল আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাজু আহমেদ বিপুলের খাস লোক হিসেবেও তিনি পরিচিতি পায়। সদর উপজেলার শাখারিগাতী গ্রামে নিলয়-নিটোল গ্রুপ ভারতীয় হিরো হোন্ডা মোটরসাইকেলের বিভিন্ন পার্টস আমদানি করে থাকে। শাখারিগাতীর ওই কারখানার ভেতরে পার্টস সংযোজন করে মোটরসাইকেল ডিলারদের কাছে বিক্রি করা হয়। এখানে বাতিল পার্টস নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হলেও এতে কারো অংশগ্রহণ করার সুযোগ ছিলো না। বিপুলের পক্ষ হয়ে রাজু আহমেদ বাতিল মোটরপার্টসের নিলামের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন। এছাড়া সেখানে লেবারদের কারবারও নিয়ন্ত্রণ করতেন রাজু আহমেদ। এখান থেকে উপার্জিত মোটা অংকের টাকা প্রতি মাসে বিপুলের কাছে পাঠিয়ে দিতেন রাজু আহমেদ। নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের জামতলায় চায়না একটি কোম্পানি ট্রি-প্ল্যান্ট নামে গাছের চারা উৎপাদনের জন্য বেশ কয়েক শতক জমি ক্রয় করেছিলো। কিন্তু ওই কোম্পানি সফল না হওয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির নামে জমির পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিয়ে চলে যায়। আনোয়ার হোসেন বিপুল ও রাজু আহমেদ চক্র হিন্দু সম্প্রদায়ের ওই ব্যক্তিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সেই জমি থেকে অন্তত ১ কোটি টাকার মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করে দিয়েছেন।

সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ২৩ নভেম্বর বুয়েটের আবরার ফাহাদের মত যশোরের এম এম কলেজ হোস্টেলে ছাত্রলীগের নারকীয় নির্যাতনে নিহত হন দুই শিক্ষার্থী। মেস থেকে ধরে এনে সারারাত অমানুষিক নির্যাতন চলে ছাত্র হাবিবুল¬াহ ও কামরুলের ওপর। সকালে একজন ও হাসপাতালে অপরজন মারা যান। এ হত্যাকা-ের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন আনোয়ার হোসেন বিপুল। মেসার্স নদী বাংলা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলমের কাছে ১ কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে শহরের গাড়িখানা রোডের নদী বাংলা কাশেম টাওয়ার ভবনের চতুর্থ তলার সম্পূর্ণ অংশ দখল করে রাখেন বিপুল। দখল করে রাখা চতুর্থ তলার মূল্য আড়াই কোটি টাকা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি আনোয়ার হোসেন বিপুলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করলে পরে বিচারকের আদেশে কোতয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে চাঁদার দাবিতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনকে হুমকি দিয়েছিলেন আনোয়ার হোসেন বিপুল। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় মামলা করে ছিলেন শহিদুল ইসলাম মিলন। তার দলীয় পদও চলে যায়। সে সময় পুলিশ তাকে আটকের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
বিএনপি নেতাদের সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে যশোরে সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য প্রয়াত তরিকুল ইসলামসহ বিএনপি নেতা সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, গোলাম রেজা দুলু ও দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বেশ কয়েকজন নেতার বাড়িতে কয়েক দফা বোমা হামলা চালিয়েছিলো সন্ত্রাসীরা। প্রতিটি ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে আনোয়ার হোসেন বিপুলকেই সন্দেহ করে যশোরের মানুষ। এছাড়া যশোরে পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান থাকাকালীন সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের বহু নেতাকর্মীর বাড়িতে পুলিশের উপস্থিতিতে রাতের বেলায় ভাঙচুর এবং লুট করে সন্ত্রাসীরা। ত্রাস আনোয়ার হোসেন বিপুলের নেতৃত্বে পুলিশের সাথে সন্ত্রাসীরা এই তা-ব চালায়। এছাড়া বহু অপরাধের হোতা আনোয়ার হোসেন বিপুল।

২০১৯ সালেল ১৪ জানুয়ারি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানহানির দুটি মামলা করে আলোচনায় আসেন আনোয়ার হোসেন বিপুল। এ দুইটি মামলায় ৫শ কোটি ও ১০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে। বঙ্গবন্ধুর ছবি জলছাপ দিয়ে বিকৃত করার অভিযোগ করা হয়। এ দুটি মামলায় বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চায়। এর পর বিপুল আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠেন।

২০২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আনোয়ার হোসেন বিপুলকে প্রায় উম্মাদ বলে দাবি করে ছাত্রলীগের একাংশ। তারা প্রেস ক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন দাবি করেন আনোয়ার হোসেন বিপুল ছাত্রলীগ পরিচয় ব্যবহার করে নানা অপকর্ম ও অবৈধ ব্যবসা করে অর্থ উপার্জন করেছে। যশোর টাউন হল ময়দানে লটারির নামে প্রতারণা, সাগরদাঁড়িতে মধুমেলার নামে অশ¬ীল নৃত্য, জুয়া ও মাদকের আসর বসিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়।
২০২০সালের ১৩ সেপ্টেম্বর যশোর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুলের বিরুদ্ধে আদালত সমন জারি করে। এছাড়াও মেসার্স নদী বাংলা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে আরেকটি চাঁদাবাজির মামলা করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আনোয়ার হোসেন নিজের ফেসবুকে লাইভে এসে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারসহ বিভিন্ন পদধারী নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের নামে ‘কুরুচিপূর্ণ’ বক্তব্য দেন। এ ঘটনায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেন। ঘটনার এক মাস পর জরুরি সভা ডেকে তাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়।

সূত্র জানায়, শাহীন চাকলাদারের সাথে নানা বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হওয়ায় আনোয়ার হোসেন বিপুল সাবেক সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের গ্রুপে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু থেমে ছিলো না তার অপরাধমূলক কর্মকা-। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ত্রাস আনোয়ার হোসেন বিপুল আটক না হওয়ায় ক্ষুব্ধ যশোরবাসী।