পাইকগাছায় খাবার পানির তীব্র সংকট প্রায় সব নলকূপই অকেজো

0

জি.এম মিজানুর রহমান (পাইকগাছা) খুলনা ॥ পাইকগাছা পৌরসভাসহ ১০টি ইউনিয়নের প্রায় সবখানে দীর্ঘকাল যাবত খাবার পানির তীব্র সংকট রয়েছে। সরকারি ৩ হাজার ৫৫৫টি নলকূপের মধ্যে ১হাজার ২৯২ টি অকেজো। সচল ৯৫% নলকূপের পানি খাওয়ার অনুপযোগী।
উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে গড়ইখালী,লস্কর, দেলুটি, সোলাদানা ও লতা ইউনিয়নে আজ পর্যন্ত কোনও নলকূপ স্থাপন সফল হয়নি। বৃষ্টি ও জলাধারের পানিই একমাত্র ভরসা। এদিকে হরিঢালী,কপিলমুনি, রাড়ুলি, গদাইপুর ও চাঁদখালী ইউনিয়নের কোনও কোনও এলাকা সরকারি বেসরকারি থাকলেও গৃহস্থালী কাজে ব্যবহার ছাড়া খাওয়ার অনুপযোগী বলে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানা। খাবার পানির এ সংকট সমাধানে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য ইউ এনডিবিসহ সরকারীভাবে ৬ হাজার,৩৮৭টি ট্যাংক বিতরণ করা হয়েছে। যার পানি ধারণ করে ২’শ ও ৩’শ লিটার। বিভিন্ন ইউনিয়নে বসানো হয়েছে ৩০ টি “আর,ও”প্লান্ট। যা দিয়ে পানি বিশুদ্ধকরণ করে খাওয়ার উপযোগী করা হলেও কোথাও কোথাও পানির স্তর নেমে গেছে বলে চাহিদা মোতাবেক পানি মিলছেনা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে জানা যায়। গড়ইখালী ইউনিয়নের ৩০ হাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ১০-১৫ হাজার লোক এ পুকুরে পানি খাবার পানি হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম কেরু বলেন,মানুষের ভোগান্তি লাঘবে বিভিন্ন ওয়ার্ডে মোট ৪৮টি পাইপ লাইনের মাধ্যমে রিফিয়ারিং পয়েন্ট বসানো হয়েছে। যা ওই পুকুর থেকে সরবরাহ হয়ে থাকে। অন্যান্য ইউনিয়নে আকিজ গ্রুপসহ সরকারিভাবে পানির ফিল্টার বসানো হয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল বলে জানান লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, দেলুটি ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার ম-ল,ও লতা ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস। খুলনা- ৬ সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু বলেন, ‘আমার নির্বাচনীয় এলাকার মানুষের সব থেকে বড় সমস্যা খাবার পানির। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শেখ হেলাল উদ্দিনের একান্ত সহযোগিতায় এ সমাস্য সমাধানে পৌরবাসীর জন্য আমার শিববাটী বাড়ি মধুমিতা পার্কে দুটি পানি বিশুদ্ধ করণ প্লান্ট তৈরি করেছি। যেখান থেকে প্রতিদিন শ,শ নারীরা বাসাবাড়িতে পানি নিয়ে যাচ্ছে। প্রত্যেক ইউনিয়নে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে ট্যাংকের ব্যবস্থা করেছি। স্থায়ী সমাধানে নানা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।