ডুমুরিায়ায় বিচালির পালা থেকে ১৫টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার, গৃহকর্তার দাবি ষড়যন্ত্র

0

 

ডুমুরিয়া (খুলনা) সংবাদদাতা॥ ডুমুরিয়ায় ১৫টি হাতবোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার ধামালিয়া গ্রামের মোরশেদ সরদারের বাড়ির পার্শ্বস্থ বিচালির পালা থেকে এই হাতবোমা উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়। তবে মোরশেদ সরদার দাবি করেছেন, তাকে ফাঁসানোর জন্যে তার প্রতিপক্ষ এই এই বোমা বিচালির পালায় রেখে পুলিশে খবর দিতে পারে।
মোরশেদ সরদার সাংবাদিকদের বলেন, শুক্রবার বিকেলে ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ বিশ্বাস ও রাতুল বলেছিলেন, তোমাদের বাড়ি পুলিশ যাবে তোমরা বাড়ি থেকো। তাই আমরা সবাই বাড়িতে অবস্থান করছিলাম, সন্ধ্যায় পুলিশ এসে এইসব বের করেছে।
এ প্রসঙ্গে খান তৌহিদুল ইসলাম রাতুল বলেন, মোরশেদ সরদারের বাড়ির দক্ষিণ পাশের বিচালি গাঁদায় (কুটার পালায়) দুষ্কৃতকারীরা ১৫ টি বোমা রেখে সেই চক্রই আবার ৯৯৯ এ কল দিয়ে বোমার কথা জানিয়েছে। পরে ডুমুরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এর নেতৃত্বে থানা ও ফাঁড়ি পুলিশ এ বোমা উদ্ধার করে। তিনি ৯৯৯ এ কল করা ব্যাক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সঠিক তথ্য উদ্ঘাটনের জন্যে প্রশাসনের নিকট দাবি জানান।
ডুমুরিয়া থানা পুলিশের সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় ডুমুরিয়া থানাধীন রঘুনাথপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ও চেঁচুড়ি ফাঁড়ি পুলিশের সদস্যরা ধামালিয়া গ্রামের মোরশেদ সরদারের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় মোরশেদ সরদারের বড়ভাই আমিনুল হক সরদার (৫০) ও ছোট ভাই মোমিন সরদার (৪৫) এর বিচালির পালা তল্লাশি করে কোনোকিছু না পেয়ে ফিরে যাওয়ার সময় মোরশেদের বিচালির পালা তল্লাশি করে একটি থলে ভর্তি ১৫টি হাতবোমা উদ্ধার করে।
শনিবার সকালে মোরশেদ সরদার ও মোমিন সরদার সাংবাদিকদের বলেন, তাদের ফাঁসানোর জন্যে বাড়ির পাশের বিচালির পালার মধ্যে এগুলো রেখে তাদের প্রতিপক্ষরাই পুলিশে খবর দিয়েছে।
রঘুনাথপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ তুষার কান্তি হালদার বলেন, সংবাদ পেয়ে ১৫টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে, পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বিস্ফোরক দ্রব্য নিশ্চিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ কনি মিয়া বলেন, ৯৯৯ এ কল করে একজন বলেছে মোরশেদ সরদারের বাড়িতে বোমা আছে। তারপর সেখানে ফোর্স পাঠানো হয় এবং ওই বোমাগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষা না করে বলা যাচ্ছে না যে এগুলো বিস্ফোরক দ্রব্য কিনা। কারা এই ঘটনার সাথে জড়িত সেটা তদন্ত না করে বলা যাবেনা বলেও জানান ওসি।