চুয়াডাঙ্গায় কৃষকদের সংবাদ সম্মেলন

0

 

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা ॥ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ একটি চক্রের নানামুখি অপপ্রচার ও মনগড়া খবর প্রকাশের প্রতিবাদে কৃষকদের পক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে কৃষকদের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে উপজেলার পাটাচোরা গ্রামের কৃষক শাহীন আলী বলেন, কৃষি ক্ষেত্রে চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত সাংবাদিকদের ইতিবাচক ভূমিকা আমাদেরকে যথেষ্ট অনুপ্রাণিত করে। গত কয়েক বছর ধরে এ জেলায় উচ্চ শিক্ষিত তরুণ-তরুণীরা চাকরির পেছনে না ছুটে পৈত্রিক পেশা কৃষিকাজে মনোযোগী হচ্ছেন। অনেকেই জমি বন্দোবস্ত নিয়ে আধুনিক চাষাবাদ শুরু করেছেন। এখানকার কৃষকের উৎপাদিত নিত্য নতুন ফসল-ফল ও সফলতার কাহিনী সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিশ্ববাসী প্রতিনিয়ত জানতে পারছে।
কিন্তু উদ্বেগের বিষয় দামুড়হুদা উপজেলায় মফস্বল এলাকায় এক শ্রেণির সুবিধাবাদী সাংবাদিকতা পেশায় নাম লিখিয়ে এ পেশাকে কলুষিত করছেন। ওই চক্রের সদস্যদের কাজই হচ্ছে বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে আর্থিক সুবিধা আদায় করা। প্রভাবশালীদের পক্ষ নিয়ে নিরীহ মানুষের নামে মনগড়া খবর লিখে সামাজিকভাবে হেয় করা স্বাভাবিক ঘটনা। তারই ধারাবাহিকতায় সুবিধাভোগী চক্রটি দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের পেছনে উঠেপড়ে লেগেছে। আমরা জানি এ চক্রের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা খবর প্রকাশের হুমকি দিয়ে কৃষকের অনুকূলে বরাদ্দ ভর্তুকি মূল্যে কৃষিযন্ত্র এবং ভর্তুকির বীজ, সার ও অর্থ হাতিয়ে আসছেন। এই চক্রের কারণেই প্রকৃত প্রান্তিক কৃষকেরা তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমাদের জানা মতে, দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক নন। কথিত সাংবাদিক এম.নুরুন্নবী, শামীম রেজা, মোজাম্মেল হক, মিরাজুল ইসলাম, তানজিরসহ কয়েকজন কৃষি অফিসে বিভিন্ন সময় ভর্তুকি ও আর্থিক সুবিধা নিয়ে থাকেন। যে শামীম রেজাকে নিয়ে ঘটনা, সেই শামীম রেজা নিজে এবং তার পিতাও পেঁয়াজের বীজের আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। শামীম রেজার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরেই তা জমা হয়েছে।
উপস্থিত ছিলেন কৃষক শামসুল, আব্দুর রাজ্জাক ও নূর ইসলামসহ শতাধিক কৃষাণ-কৃষাণী।