খুলনার দিঘলিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

0

খুলনা ব্যুরো || আগামী প্রজন্মকে সক্ষম করি, দুর্যোগ সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ি’ এ প্রতিপাদ্য নিয়ে রোববার খুলনার দিঘলিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষ্যে রোববার বেলা ১১টায় উপজেলা চত্বরে শোভাযাযত্রা বের করা হয়। পরে দিঘলিয়া উপজেলার সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মো.আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুম বিল্লাহ। আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.মাহাবুব আলম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. টোকন, আড়ংঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মো.ফরিদ হোসেন,আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন, উপজেলা রিভার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা কাইমুজ্জামান, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা খন্দকার জহিরুল ইসলাম, দিঘলিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো.জামাল হোসেন, সামাজিক সংগঠন আলোর মিছিলের মোল্লা মাকছুদুর রহমান,সামাজিক সংগঠন আলোর মিছিলের শাহাজাহান ,রাতুল , হালিম শেখসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ,সামাজিক ব্যক্তিবর্গ,সুধীজন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।

আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন ব্যবস্থাপনা অনুষ্ঠানে উপজেলা নিবার্হী অফিসার খান মাসুম বিল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ দুর্যোগ প্রবণ দেশ। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দিনদিন বেড়ে চলেছে । প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মানবসৃষ্ট দুর্যোগেও আমরা কষ্ট পাই। কিছু মানুষের দায়িত্বহীন আচরণ অনেকের জন্য ভোগান্তি নিয়ে আসে। নদীর কূল ভরাট করা ও খাল আটকে জলাবদ্ধতা তৈরি করার মতো মন্দ কাজ বন্ধে অনেক কিছু করার আছে। মনে রাখা দরকার, সমস্যা যতটা প্রকট সমাধানে ততটাই সক্রিয় হতে হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্ধ করা সম্ভব নয়, তবে সময় উপযোগী পদক্ষেপ সঠিক ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ও পর্যাপ্ত পরিমান উদ্ধার সামগ্রী, প্রচুর পরিমান প্রশিক্ষিত জনবল হতে পারে ক্ষয়-ক্ষতি কমানোর ও জানমাল রক্ষার উপায়। উপকূল ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড় , জলোচ্ছ্বাস ও বন্যা মোকাবিলায় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদেরকে রক্ষা করার ব্যবস্থা করতে পারলে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে । বৃক্ষ রোপণের কোনো বিকল্প নেই।