এজলাস কক্ষ থেকে নথি চুরি, শিক্ষানবিশ আইনজীবী আটক

0
আটক আবু সাঈদ মোল্যা, ছবি: সংগৃহীত।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের এজলাস কক্ষ থেকে দুটি মামলার নথি চুরি করার অভিযোগে বুধবার আবু সাঈদ মোল্যা নামে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের সাঁটমুদ্রাাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর আসাদুল ইসলাম কোতয়ালি থানায় মামলা করেছেন।

আটক আবু সাঈদ মোল্যা যশোর সদর উপজেলার জলকর গ্রামের আকেম আলী মোল্যার ছেলে।

ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার দুপুর ২টার দিকে সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর আসাদুল ইসলাম ও অফিস সহায়ক আব্দুল বারিক এজলাস কক্ষে কাজ করছিলেন। এ সময় শিক্ষানবিশ আইনজীবী আবু সাঈদ মোল্যা ট্রাইব্যুনাল কক্ষে এসে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এরই কিছুক্ষণ পর অফিস সহায়ক মামুন মিয়া টেবিলে থাকা দুটি মামলার নথি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তাদেরকে জানান।

পরে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন স্থানে নথি দুটি খুঁজতে থাকেন। এরই মধ্যে বিকেল ৩টার দিকে চৌগাছা সিভিল জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী শেখ আব্দুর বাছেদ মোবাইল ফোন করে তাদেরকে জানান, হারিয়ে যাওয়া দুটি নথিসহ আবু সাঈদ মোল্যা নামে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে তার অফিস কক্ষে আটক করে রেখেছেন।

খবর পেয়ে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেখানে গিয়ে নথিসহ আবু সাঈদ মোল্যাকে আটক করে রাখতে দেখতে পান। পরে তাকে ট্রাব্যুনালের বিচারক সুমাইয়া কাওসারের সামনে হাজির করা হলে তিনি এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেন।

পরে তাকে কোতয়ালি থানায় সোপর্দ করা হয়। এরপর ট্রাইব্যুনালের সাঁটমুদ্রাাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন।

এদিকে, নথি চুরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আটক আবু সাঈদ মোল্যা। তার দাবি, তিনি নথি দুটি চুরি করেননি। কাজ করার সময় তার অজান্তেই ডায়েরির সাথে নথি দুটি চলে এসেছে। ওই ডায়েরি তিনি চৌগাছা সিভিল জজ আদালতে রাখেন। পরে ডায়েরির নিচে নথি দুটি দেখতে পেয়ে সেগুলো চৌগাছা সিভিল জজ আদালতে রেখে দিয়েছিলেন।