অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ ও প্রচারে দ্রুত বিচার: মন্ত্রী

কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অপব্যবহার রোধে সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬ কার্যকর

0
অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার

লোকসমাজ ডেস্ক : ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া কারও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ঋধশরৎ গধযনঁন অহধস।

জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ বিষয়ে লিখিত প্রশ্ন করেন নেত্রকোণা-৩ আসনের সংসদ সদস্য জধভরয়ঁষ ওংষধস ঐরষধষর।

মন্ত্রী জানান, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট ২০২৬-এর ধারা ২৫(১) অনুযায়ী- ব্ল্যাকমেইলিং, যৌন হয়রানি, রিভেঞ্জ পর্ন, সেক্সটরশন বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ভিডিও/তথ্য প্রচার করা অপরাধ।

শাস্তি: ধারা ২৫(২): সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়। ধারা ২৫(৩): ভুক্তভোগী নারী বা শিশু হলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা জরিমানা চাঁদাবাজির শাস্তি।

চাঁদা দাবির ঘটনা ধারা ২২ (সাইবার প্রতারণা)-এর আওতায় পড়ে, যেখানে-সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা

মন্ত্রী আরও জানান, আইন অনুযায়ী—
ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সি ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণ বা ব্লক করতে পারবে। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলাটোরি কমিশন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে। সাইবার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার সক্রিয়ভাবে নজরদারি করবে।
বিশেষ ক্ষমতা
আইনের ধারা ৩৫ অনুযায়ী, জরুরি পরিস্থিতিতে- পরোয়ানা ছাড়াই তল্লাশি, ডিভাইস জব্দ ও গ্রেফতারের ক্ষমতা রাখা হয়েছে।