এইচএসসিতে আবারও চৌগাছার সেরা তরিকুল ইসলাম পৌর কলেজ

0
যশোরের চৌগাছায় এইচএসসি পরীক্ষায় ৭৩.৫৫ শতাংশ পাসের হার এবং ৯টি জিপিএ-৫ নিয়ে আবারও উপজেলার সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গৌরব অর্জন করেছে তরিকুল ইসলাম পৌর কলেজ।। ফাইল ছবি: লোকসমাজ

স্টাফ রিপোর্টার চৌগাছা যশোর॥ যশোরের চৌগাছায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় আবারও উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে তরিকুল ইসলাম পৌর কলেজ।

প্রকাশিত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, এই কলেজ থেকে এ বছর ১৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১১৪ জন শিক্ষার্থী সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটিতে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৯ জন পরীক্ষার্থী। এই ধারাবাহিক সাফল্যে কলেজটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চৌগাছা উপজেলার বিভিন্ন কলেজগুলোর মধ্যে ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে তরিকুল ইসলাম পৌর কলেজ। উপজেলার অন্য কলেজগুলোর মধ্যে এসএম হাবিবুর রহমান পৌর কলেজে পাসের হার ৬৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন; এবিসিডি কলেজে পাসের হার ৬৫ শতাংশ ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন; পাশাপোল আমজামতলা মডেল কলেজে পাসের হার ৬০ শতাংশ ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন; মৃধাপাড়া মহিলা কলেজে পাসের হার ৪৫ শতাংশ ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন; চৌগাছা সরকারি কলেজে পাসের হার ৪৪ শতাংশ ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন; সলুয়া কলেজে পাসের হার ৪১ শতাংশ (কোনো জিপিএ-৫ নেই); ডাক্তার সাইফুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে পাসের হার ৩৭ শতাংশ ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন; জিসিবি আদর্শ কলেজে পাসের হার ৩০ শতাংশ (কোনো জিপিএ-৫ নেই); মাড়ুয়া ইউছুপ আলী খান স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ২৫ শতাংশ (কোনো জিপিএ-৫ নেই); হাকিমপুর মহিলা কলেজে পাসের হার সাড়ে ১২ শতাংশ (কোনো জিপিএ-৫ নেই) এবং জেএমএসকে কলেজে পাসের হার ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ (কোনো জিপিএ-৫ নেই)।

সাফল্যের এই ধারা বজায় রাখা প্রসঙ্গে তরিকুল ইসলাম পৌর কলেজের অধ্যক্ষ মনজুরুল আলম লিটু জানান, যে মহান নেতার নামানুসারে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, শিক্ষার্থীরা তার নামের মর্যাদা রক্ষা করে চলেছেন—যা কেবল এক বা দুই বছর নয়, বরং প্রতি বছরই বজায় থাকছে।

তিনি আরও বলেন, কলেজটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ধারাবাহিকভাবে ভালো ফলাফল অর্জন করে আসছে এবং ইতোমধ্যে তিনবার যশোর শিক্ষা বোর্ডের সেরা টপ টেনের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। এই অর্জনের পেছনে শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, শিক্ষার্থীদের আন্তরিকতা ও অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। আগামী দিনগুলোতে কলেজটি আরও গৌরবোজ্জ্বল ফলাফল অর্জন করতে পারে, সে জন্য তিনি সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।