স্টাফ রিপোর্টার, লোকসমাজ : যশোর শিক্ষা বোর্ডে সুষ্ঠু পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় ৫৭০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ১৭ হাজার ১৭৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ২২ হাজার ৭২৩, মানবিকে ৮১ হাজার ৬৯০ এবং ব্যবসায় শিক্ষায় ১২ হাজার ৪৯৪ জন।
তবে যশোর সরকারি এমএম কলেজ কেন্দ্রে প্রবেশের সময় কাটাওয়ালা ঘড়ি নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। প্রধান ফটকে দায়িত্বরতরা ঘড়ি নিয়ে প্রবেশে বাধা দিলে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
অভিভাবকদের অভিযোগ, বিএনসিসি স্বেচ্ছাসেবক ও কলেজ কর্মচারীরা কাটাওয়ালা ঘড়ি নেওয়ার অনুমতি রয়েছে জানালেও তা মানা হয়নি। এক শিক্ষক বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে অভিভাবকদের আপত্তির মুখে কর্তব্যরতরা অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ভুল বুঝতে পারেন এবং ঘড়িসহ প্রবেশের অনুমতি দেন। তবে ততক্ষণে প্রায় ৭০ শতাংশ পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে প্রবেশ করে ফেলেছিল।
অভিভাবকরা বলেন, সব কক্ষে ঘড়ি থাকে না, তাই পরীক্ষার্থীদের জন্য ঘড়ি প্রয়োজন। প্রথম দিন এমন বিভ্রান্তি অনাকাঙ্ক্ষিত।
কেন্দ্রসচিব ও এমএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, শুরুতে কিছু সমস্যা হলেও পরে তা সমাধান হয়েছে।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর আব্দুল মতিন জানান, সব কেন্দ্রে আগেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং কাটাওয়ালা ঘড়ি নেওয়ার অনুমতি রয়েছে।
এ বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডে নিয়মিত পরীক্ষার্থী ৮০ হাজার ৩৬৫ জন, অনিয়মিত ৩১ হাজার ১২০ জন, জিপিএ উন্নয়ন ৯১৭ জন এবং প্রাইভেট ৪২ জন। ২৪০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার মধ্যে ৩০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৩৬৮ জন।
পরীক্ষা তদারকিতে বোর্ড কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে র‌্যাপিড ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে এবং সব কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে। যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ফারুখে আযম মুঃ আব্দুস ছালাম জানান, নকলমুক্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।