বিকল্প পথ নেই, চুড়ামনকাটির ৩ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তায় দুর্ভোগ

0
চুড়ামনকাটির ৩ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তায় দুর্ভোগ

চুড়ামনকাটি (যশোর) সংবাদদাতা ॥ যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের দোগাছিয়া গ্রামে প্রায় তিন কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। বিকল্প কোনো পথ না থাকায় রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ২৫ গ্রামের শত শত মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ‘বৃহত্তর এড়লের বিলে’ চুড়ামনকাটি, কাশিমপুর ও হৈবতপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ কৃষকের আবাদি জমি রয়েছে। প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমির এই বিলে ধান, পাটসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করা হয়।

বিলে যাতায়াতের জন্য দোগাছিয়া গ্রামের মূল সড়ক থেকে আজিজুল ইসলামের বাড়ির সামনে দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রায় তিন কিলোমিটার কাঁচা রাস্তাটিই এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা। বিকল্প কোনো পথ না থাকায় প্রতিদিন ২৫ গ্রামের শত শত কৃষক এবং রাস্তার দুই পাশে বসবাসকারী দেড় শতাধিক পরিবারকে এই পথ ব্যবহার করতে হয়।

বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটির অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। কাদা ও পানি জমে চলাচলে ভোগান্তি বাড়ে। বিশেষ করে কৃষিপণ্য পরিবহন ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতে স্থানীয়দের সমস্যায় পড়তে হয় বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দাউদ হোসেন বলেন, পরিষদের পক্ষ থেকে কয়েক দফা রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছে। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানিতে রাস্তাটি আবারও নষ্ট হয়ে যায়। স্থায়ীভাবে রাস্তাটি পাকা করা হলে ২৫ গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে।

চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি যশোর সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে জানানো হয়েছে। রাস্তাটি দ্রুত পাকাকরণের জন্য গুরুত্ব দিয়ে প্রক্রিয়া ও চেষ্টা চলছে।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা থাকা রাস্তাটি পাকাকরণ করা হলে কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হওয়ার পাশাপাশি ২৫ গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের দুর্ভোগও কমবে।