যশোরে শিশুদের পাশাপাশি বড়দের মধ্যেও বাড়ছে হামের সংক্রমণ, উদ্বেগে স্বাস্থ্য বিভাগ

যশোরে হামের বিস্তার নতুন মাত্রায়, এবার আক্রান্ত হচ্ছেন বড়রাও

0

বি এম আসাদ, লোকসমাজ: সংক্রামক ভাইরাস মিজেলস (হাম)-এর সংক্রমণের ধরণে পরিবর্তন আসায় যশোরে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আগে সাধারণত শিশুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে বড়দের মাঝেও হামের সংক্রমণ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় যশোরজুড়ে চলমান হাম-রুবেলা (এমআর) বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি আরও জোরদার করা হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত যশোরে মোট ২ লাখ ২৩ হাজার ২৭২ শিশুকে এমআর টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার একদিনেই টিকা পেয়েছে ২৩ হাজার ৩২৩ জন শিশু।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, ৯ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী (৫৯ মাস) মোট ২ লাখ ৮৪ হাজার ৬০৪ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ এই ক্যাম্পেইন চলবে আগামী ১০ মে পর্যন্ত।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. মো. শরিফুল ইসলাম বলেন,
“মিজেলস ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েছে। আগে মূলত শিশুদের আক্রান্ত হতে দেখা গেলেও এখন বড়রাও আক্রান্ত হচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছরে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়ে থাকতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে পরিবারের অন্য সদস্যদের থেকে আলাদা রাখারও পরামর্শ দেন তিনি।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হুসাইন শাফায়াত জানান,
বর্তমানে বয়স্ক রোগীরাও হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। তবে চিকিৎসার জন্য পৃথক দুটি ওয়ার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, যশোরে এখন পর্যন্ত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী:

এপ্রিল: ১৭১ জন সন্দেহভাজন রোগী ভর্তি
মার্চ: ২৬ জন
ফেব্রুয়ারি: ২ জন

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ পর্যন্ত মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪৯৪ জন, যার মধ্যে ৩৪ জনের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে।

যশোরের সিভিল সার্জন মো. মাসুদ রানা ও ডেপুটি সিভিল সার্জন মো. নাজমুস সাদিক জানিয়েছেন, শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে।

তারা বলেন, শিশুদের টিকাদান কার্যক্রমের পাশাপাশি বড়দের আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টিও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে হামের সংক্রমণ বাড়তির দিকে রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে ১৯ হাজার ১৬১ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৯৭৩ জনের সংক্রমণ পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়েছে।

দেশের প্রায় ৯১ শতাংশ জেলা এখন হামের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।বি এম আসাদ, লোকসমাজ: সংক্রামক ভাইরাস মিজেলস (হাম)-এর সংক্রমণের ধরণে পরিবর্তন আসায় যশোরে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আগে সাধারণত শিশুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে বড়দের মাঝেও হামের সংক্রমণ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় যশোরজুড়ে চলমান হাম-রুবেলা (এমআর) বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি আরও জোরদার করা হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত যশোরে মোট ২ লাখ ২৩ হাজার ২৭২ শিশুকে এমআর টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার একদিনেই টিকা পেয়েছে ২৩ হাজার ৩২৩ জন শিশু।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, ৯ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী (৫৯ মাস) মোট ২ লাখ ৮৪ হাজার ৬০৪ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ এই ক্যাম্পেইন চলবে আগামী ১০ মে পর্যন্ত।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. মো. শরিফুল ইসলাম বলেন,
“মিজেলস ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েছে। আগে মূলত শিশুদের আক্রান্ত হতে দেখা গেলেও এখন বড়রাও আক্রান্ত হচ্ছেন।”
তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছরে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়ে থাকতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে পরিবারের অন্য সদস্যদের থেকে আলাদা রাখারও পরামর্শ দেন তিনি।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হুসাইন শাফায়াত জানান, বর্তমানে বয়স্ক রোগীরাও হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। তবে চিকিৎসার জন্য পৃথক দুটি ওয়ার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, যশোরে এখন পর্যন্ত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী:
এপ্রিল: ১৭১ জন সন্দেহভাজন রোগী ভর্তি
মার্চ: ২৬ জন
ফেব্রুয়ারি: ২ জন
বুধবারের গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ পর্যন্ত মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪৯৪ জন, যার মধ্যে ৩৪ জনের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে।
যশোরের সিভিল সার্জন মো. মাসুদ রানা ও ডেপুটি সিভিল সার্জন মো. নাজমুস সাদিক জানিয়েছেন, শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে।
তারা বলেন, শিশুদের টিকাদান কার্যক্রমের পাশাপাশি বড়দের আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টিও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশে হামের সংক্রমণ বাড়তির দিকে রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে ১৯ হাজার ১৬১ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৯৭৩ জনের সংক্রমণ পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়েছে।
দেশের প্রায় ৯১ শতাংশ জেলা এখন হামের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।