চৌগাছায় কুকুরের কামড়ে আহতের সংখ্যা বাড়ছে মিলছে না ভ্যাকসিন

0
ছবি: সংগৃহীত।

চৌগাছা (যশোর) সংবাদদাতা ॥ চৌগাছায় দিন দিন বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আহতের সংখ্যা বাড়ছে। দলবদ্ধ কুকুর বাড়িতে পালন করা হাঁস-মুরগিও টেনে ছিঁড়ে খেয়ে ফেলছে এমন খবরও আসছে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে।

উপজেলা সদর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে এখন শুধুই কুকুর আতংক। দিন কিংবা রাত সর্বদা মানুষ কুকুরের ভয়ে আছেন। এর আগে চৌগাছা পৌরসভা হতে কুকুর নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হতো, তবে বেশ কয়েক বছর তা বন্ধ রয়েছে। এর ফলে কুকুরের সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এমনই জানালেন এলাকাবাসী।

উপজেলার হাজরাখানা গ্রামের বিএম বাবুল আক্তার বলেন, আমাদের গ্রামটি যেন এখন বেওয়ারিশ কুকুরের দখলে। এমন কোনো দিন নেই যে, কুকুরের আক্রমণে মানুষ কিংবা পশু পাখি আহত হচ্ছে না।

বড়খানপুর গ্রামের লিটন হোসেন বলেন, আমাদের এখানে আতংকের নাম বেওয়ারিশ কুকুর। গত কয়েক বছরে এর সংখ্যা যেন অনেক গুণ বেড়ে গেছে।

কপোতাক্ষ ধারে দলবদ্ধ কুকুর রাজহাঁস মুরগি ধরে টেনে কামড়ে ছিঁড়ে ফেলছে। অভিভাবক বিএম আইনাল বলেন, পৌর সদরে বেওয়ারিশ কুকুরের ভয়ে আমরা সন্তানকে একা স্কুলে যেতে দিতে পারছি না।

এ দিকে কুকুরের কামড়ের র‌্যাবিজ ভ্যাকসিনের সংকট আছে বলে জানা গেছে। বিগত দিনে পৌরসভায় ভ্যাকসিন দেওয়া হতো এখন সেটি হাসপাতালের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের মাঝে দেওয়া হচ্ছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো ভ্যাকসিন পায় না বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানুল মিজান রুমি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালে র‌্যাবিজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয় না। পৌরসভায় যে ভ্যাকসিন আসে সেটি আমরা হাসপাতাল হতে আক্রান্তদের মাঝে দিয়ে থাকি।

চৌগাছা পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় সারা দেশের মত আমরাও কুকুর নিধন বন্ধ রেখেছি। অনুমতি পেলে পুনরায় কাজ শুরু করা হবে। আর ভ্যাকসিন পৌরসভায় আগে দেওয়া হতো এখন সেটি আমরা হাসপাতালের মাধ্যমে কুকুরে কামড়ানো রোগীদের মাঝে দিয়ে থাকি।