যশোরে সাবেক কাউন্সিলরের ছেলেকে অপহরণ চেষ্টা, আটক ২

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের সাবেক কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আহম্মেদ শাকিলের ছেলেকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়েছে। তার ছেলে শাফিন আহম্মেদ আনমোল (১৫)কে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় দু’জন অপহরণকারীকে জনতা হাতেনাতে আটক করেছে। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের খড়কি এম এম কলেজ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

আটকরা হলেন শহরের শংকরপুর আশ্রম রোডের যুবলীগ নেতা কামাল হোসেন তুহিনের ছেলে রাজিবুল হোসেন রাতিন (১৮)। দ্বিতীয় আটক খোলাডাঙ্গা মফিজ পাড়ার মৃত জাহিদ মির্জার ছেলে জাহিন মির্জা (১৯)।

পুলিশ জানিয়েছে, জাহাঙ্গীর আহম্মেদ শাকিল থানায় মামলা করেছেন। মামলায় এই দু’জন ছাড়াও আরও তিনজনের নাম উলে্লখ করা হয়েছে। পলাতক আসামিরা হলেন: কামাল হোসেন তুহিনের আরেক ছেলে রোহান (২৩)। খোলাডাঙ্গা মফিজ পাড়ার মৃত মফিজের (সাবেক চেয়ারম্যানের) ছেলে আশা (২৭)। শংকরপুর প্রাইমারি স্কুলের পাশের অ্যাডভোকেট বাবুলের ছেলে আশরাফুজ্জামান সাজিদ (২৩)।

জাহাঙ্গীর আহম্মেদ শাকিলের অভিযোগ, তার ছেলে আনমোল যশোর শিক্ষাবোর্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে যশোর এম এম কলেজের দক্ষিণী গেটের সামনে যায়। এ সময় উলে¬খিত পাঁচ আসামি চারটি মোটরসাইকেলে করে সেখানে আসে। তারা চাকু দেখিয়ে আনমোলের কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। আনমোল টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর করা হয়।

এরপর তারা আনমোলকে অপহরণ করে মোটরসাইকেলে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। তারা খড়কির আপনের মোড়ে পৌঁছালে আনমোল চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। তারা আনমোলকে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে রাতিন ও জাহিন মির্জাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তবে বাকিরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। জনতা আটক দু’জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির এস.আই ঝন্টু কুমার বসাক জানিয়েছেন, আটক দু’জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক অন্যদের আটকের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।

আটক জাহিন মির্জার মা যুথী মির্জা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা ছিলেন। আরেক আসামি আশা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের জেলা কমিটির সাবেক সদস্য ছিলেন।