খুলনায় আ. লীগ নেতার বিরুদ্ধে মসজিদের টাকা আত্মসাতের সত্যতা মিলেছে

0

খুলনা ব্যুরো॥ খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার লাখোহাটি বায়তুল আকসা জামে মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার ও আওয়ামী লীগ নেতা চৌধুরী ওয়াদুদের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাত, অনিয়ম-দুর্নীতি,মসজিদের খাতা গায়েব ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে এক লাখ বিরানব্বই হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়টি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। তার বিরুদ্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করছে তদন্ত কমিটি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। তদন্ত কমিটির প্রধান ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপজেলা কর্মকর্তা আবুল কাসেম মঙ্গলবার বিষয়টি এ প্রতিবেদকের কাছে নিশ্চিত করেছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পর আত্মগোপনে চলে যান বারাকপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও লাখোহাটি বায়তুল আকসা জামে মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার চৌধুরী ওয়াদুদ। মসজিদের এক লাখ বিরানব্বই হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ৬ অক্টোবর দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দেন বর্তমান মসজিদের সভাপতি সুলতান চৌধুরী।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, ১৯৭৯ সালে এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ওয়াদুদ ক্ষমতার দাপটে দীর্ঘ ১৩ বছর একটানা ক্যাশিয়ারের দায়িত্ব পালন করেন। সাবেক ক্যাশিয়ার দায়িত্ব পালনকালে সরকারি প্রকল্প, ব্যক্তি অনুদান, ধান, ডাব, আমড়াসহ বিভিন্ন খাতের আয়- ব্যয়ের কোন হিসেব নেই। হিসাবের খাতাও গায়েব করা হয়েছে। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মসজিদের টাকা আত্মসাতকারীর কাছে মসজিদের কমিটি থাকাকালীন গত ১৩ বছরে মসজিদের উন্নয়ন ও যাবতীয় টাকার হিসাব চাইলে কোনো হিসাব দিতে রাজি হননি তিনি। এমনকি মুসাল্লিদের হুমকি ধামকি দিতেন। কিছুদিন আগে স্থানীয় মুসল্লিদের চাপে পড়ে নামেমাত্র কোন রকম এক লাখ বিরানব্বই হাজার টাকার একটি হিসাব দিয়ে আত্মগোপনে চলে যান । তবে তার পরিবার এ টাকা মসজিদের নতুন কমিটিকে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, আমি ঢাকায় আছি । তদন্ত রির্পোট পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।