কারখানা বন্ধের মেয়াদ বাড়াল রিং শাইন টেক্সটাইলস

লোকসমাজ ডেস্ক॥ বিদেশী ক্রেতাদের কাছ থেকে ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ার পাশাপাশি আমদানীকৃত কাঁচামালের স্বল্পতার কারণে চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে এক মাসের কারখানা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি রিং শাইন টেক্সটাইলস লিমিটেড। এবার কারখানা বন্ধের মেয়াদ আরো বাড়িয়ে এ বছরের নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে কোম্পানিটি এ তথ্য জানিয়েছে।
সেপ্টেম্বরে কারখানা বন্ধের সময় কোম্পানিটি জানিয়েছিল, বাংলাদেশ ইপিজেড লেবার ল’-২০১৯-এর সেকশন ১১ অনুযায়ী এই লে-অফের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সে সময় ২৬ অক্টোবর থেকে কারখানার স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে বলে জানানো হয়েছিল।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) রিং শাইন টেক্সটাইলসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯৯ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৯ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩৩ পয়সা। ৩১ মার্চ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৭১ পয়সা।
২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে রিং শাইন টেক্সটাইলস। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৯ পয়সা। ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৪ টাকা ৮৮ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৩ টাকা ১৭ পয়সা।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে রিং শাইন টেক্সটাইলসের শেয়ার লেনদেন শুরু হয়। পূর্ব এশীয় উদ্যোক্তাদের কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করেছে। রিং শাইন টেক্সটাইলসের অনুমোদিত মূলধন ৫৪০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৫০০ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২০৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৫০ কোটি ৩ লাখ ১৩ হাজার ৪৩। এর মধ্যে কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৩১ দশমিক ৫৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৯২, বিদেশী দশমিক শূন্য ৫ ও বাকি ৪৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
ডিএসইতে গত রোববার কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ৬ টাকা ৪০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৫ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ২১ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।

ভাগ