করোনাভাইরাস প্রতিরোধে খুলনা বিভাগীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

0

খুলনা ব্যুরো ॥ করোনাভাইরাস প্রতিরোধে খুলনা বিভাগীয় কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জ্বর ও সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হলেই যে করোনাভাইরাস তা কিন্তু নয়। জ্বর ও সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত ব্যক্তি হাসপাতালে না এসেও টেলিফোনে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়ন্ত্রণকরে চিকিৎসকদের কাছ থেকে চিকিৎসা পরামর্শ গ্রহণ করতে পারবেন। জেলা সিভিল সার্জনরা হাসপাতালভিত্তিক নিয়ন্ত্রণকরে মোবাইল ফোন নম্বরসমূহ প্রচারের ব্যবস্থা করবেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার ও দোকান ব্যতীত অস্থায়ী হাটসমূহের কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। প্রয়োজন ব্যতীত জনবহুল স্থানে যাওয়া পরিহার করতে হবে। আঞ্চলিক তথ্য অধিদপ্তর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে খুলনা বিভাগীয় কমিটির সভা ও জেলা প্রশাসকদের সাথে করোনা প্রতিরোধের বিষয়ে ভিডিও কনফারেন্সে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে রবিবার সকালে তার সভাকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খ. মহিদ উদ্দিন, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানাসহ বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি দপ্তরসমূহের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন । সভায় জানানো হয়, জ্বর ও সর্দি-কাশি থাকা মানেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নয়। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতালে অযথা ভিড় না করে প্রথমে টেলিফোনে চিকিৎসা পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। প্রয়োজন মনে করলে স্বাস্থ্যবিভাগ রোগীর বাড়িতে অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়ে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণের নমুনা সংগ্রহ করবে। এছাড়া চায়ের দোকানে অযথা আড্ডা, অস্থায়ী হাট-বাজারে ঘোরাফেরা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। মসজিদের মাইকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনসাধারণের করণীয় বিষয়ে নিয়মিত প্রচার চালাতে হবে। খুলনা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিদেশেফেরত দুই হাজার ৫৬ জনের মধ্যে ৭৩৪ জনকে শনাক্ত করে হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকিদেরও অতিদ্রুত এর আওতায় আনা হবে।