লোকসমাজ ডেস্ক॥ যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে একটি চার্চে সকালের প্রার্থনার সময় বন্দুকধারীর গুলিতে দু’জন নিহত হয়েছেন। রোববার স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে চার্চেরই এক সশস্ত্র সদস্যের পাল্টা গুলিতে বন্দুকধারীরও মৃত্যু হয়। খবর বিবিসি’র।
ফোর্ট ওথের উপকণ্ঠে হোয়াইট সেটেলমেন্টের ওয়েস্ট ফ্রিওয়ে চার্চ অব ক্রাইস্টের এদিনের সকালের প্রার্থনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছিলো। এর মধ্যেই বন্দুকধারী চার্চের ভেতরে একটি বেঞ্চ থেকে উঠে দাঁড়িয়ে দুই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে তার শটগান থেকে গুলি ছোঁড়েন।
কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকা চার্চের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত সশস্ত্র এক সদস্য পাল্টা গুলি করলে বন্দুকধারী পড়ে যায়।
ভিডিওতে চার্চের আরও অনেক সদস্যকে বন্দুকধারীর দিকে পাল্টা বন্দুক তাক করতে দেখা গেলেও, তাদের কেউ গুলি ছুঁড়েছিলেন কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বন্দুকধারীর গুলিতে আহত দুই ব্যক্তি পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
হোয়াইট সেটেলমেন্টের পুলিশ প্রধান জেপি বেভারিং বন্দুকধারীকে মোকাবেলায় চার্চের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারে গোলাগুলির সময় চার্চের ভেতরে অবস্থানরত অসংখ্য প্রার্থনাকারীকে নিচু হয়ে বেঞ্চের পেছনে লুকিয়ে থাকতে ও আতঙ্কে চিৎকার করতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
ওয়েস্ট ফ্রিওয়ে চার্চ অব ক্রাইস্টের কর্মকর্তা জ্যাক কামিংস নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, বন্দুকধারীর ‘রহস্যজনক আচরণ’ চার্চের নিরাপত্তা দলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলো। আগ্নেয়াস্ত্র বহনে অনুমতিপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়েই চার্চের নিরাপত্তা দলটি গঠন করা হয়েছিলো জানিয়েছেন তিনি।
আজ তারা অসংখ্য লোকের জীবন বাঁচিয়েছে, না হলে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ হতো বলে মন্তব্য করেন কামিংস।
চলতি বছর টেক্সাসে বেশ কয়েকটি বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে।
আগস্টে এল পাসোর ওয়ালমার্টের দোকানে গুলির ঘটনায় ২২ জন নিহত ও ২৪ জন আহত হয়েছে। একই মাসে ওডেসা-মিডল্যান্ডে হামলার ঘটনায় প্রাণ গেছে আরও ৭ জনের।
টেক্সাসের চার্চে প্রার্থনার সময় গুলিতে নিহত ২
বছরে একাধিকবার বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম পরিবর্তনের সুযোগ
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) আইন ২০১৯’ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। নতুন এ আইনে বছরে একাধিকবার বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আইনটির অনুমোদন দেয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আগের আইনটি ছিল ২০০৩ সালের। তাতে একটা প্রভিশন ছিল- কমিশনের নির্ধারিত ট্যারিফ কোনো অর্থবছরে একবারের বেশি পরিবর্তন করা যাবে না, যদি না জ্বালানি মূল্যের পরিবর্তনসহ অন্য কোনোরূপ পরিবর্তন ঘটে। এসময় তিনি আরও বলেন, এটাকে পরিবর্তন করে করা হয়েছে। কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত ট্যারিফ কোনো অর্থ বছরে কমিশনের একক বা পৃথক পৃথক আদেশ দ্বারা, প্রয়োজন অনুসারে এক বা একাধিকবার পরিবর্তন করতে পারবে। পরিবর্তন আনার ব্যাখ্যায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, উনারা দেখেছেন অনেক সময়ই পরিবর্তন করা প্রয়োজন হতে পারে। রিজিট (অনমনীয়) না থেকে অপশন রইল, সেজন্যই। যদি ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে, অনেক সিনারিও আসতে পারে, হঠাৎ করে চেইঞ্জ করা লাগতে পারে। কিন্তু আগের আইনে রিজিট ছিল, এখন ফ্লেক্সিবল করা হল।
সরবরাহ সংকটের শঙ্কায় থাইল্যান্ডের চালের রফতানিমূল্য বেড়েছে
লোকসমাজ ডেস্ক॥ বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ চাল উৎপাদক দেশ থাইল্যান্ড। কিন্তু তীব্র খরার কারণে দেশটিতে ধানের আবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে আগামী বছর দেশটি থেকে চালের সরবরাহ সংকট তৈরি হতে পারে। আর এমন শঙ্কা থেকেই থাইল্যান্ডের চালের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। এছাড়া উৎসবকে কেন্দ্র করে ভারত ও ভিয়েতনামের বাণিজ্য তত্পরতা কমে আসার কারণেও দেশটির চালের রফতানিমূল্য বেড়েছে। খবর রয়টার্স।
থাইল্যান্ড বেঞ্চমার্কে গত বৃহস্পতিবার ৫ শতাংশ ভাঙা চালের টনপ্রতি রফতানিমূল্য উঠেছে ৪২৪ ডলার থেকে ৪৩৫ ডলার পর্যন্ত, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৩৯৫ থেকে ৪২০ ডলার পর্যন্ত।
ব্যাংককভিত্তিক একজন চাল ব্যবসায়ী বলেন, চলমান খরার কারণে আগামীতে চালের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে— এমন আশঙ্কায় মিলার ও রফতানিকারকরা চালের ক্রয় ও মজুদ বাড়িয়েছে। আর এতেই চালের দাম বেড়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ডের চাও ফ্রায়া নদীর অববাহিকার ৯ লাখ ৬০ হাজার হেক্টর এলাকাজুড়ে ধান আবাদের জন্য পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থা আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত চলতে পারে।
এদিকে থাইল্যান্ডের চালের রফতানিমূল্য বৃদ্ধির প্রভাবে দাম বেড়েছে অন্য দেশেরও। ভিয়েতনামের ৫ শতাংশ ভাঙা চালের প্রতি টনের দাম দাঁড়িয়েছে ৩৫৫ থেকে ৩৬০ ডলারের মধ্যে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৩৫০ থেকে ৩৫২ ডলারের মধ্যে। হো চি মিন সিটির একজন চাল ব্যবসায়ী বলেন, বড়দিন ও নতুন বছর উপলক্ষে বাজার সম্পূর্ণ স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারির আগে বাজারে চালের বাণিজ্য আর বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই।
অপরদিকে বাজারে চাহিদা কম থাকার সত্ত্বেও ভারতীয় চালের মূল্য বেড়েছে। দেশটির ৫ শতাংশ ভাঙা সেদ্ধ চালের টনপ্রতি দাম উঠেছে ৩৬০ থেকে ৩৬৫ ডলার পর্যন্ত। অন্ধ্রপ্রদেশের একজন চাল ব্যবসায়ী বলেন, অধিকাংশ ব্যবসায়ী বড়দিনের ছুটিতে আছেন। যে কারণে চালের চাহিদা কম ।
দীর্ঘদিন দিন পর গত মে মাসে সেদ্ধ চাল রফতানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু চাল রফতানি করতে এখনো কোনো চুক্তিতে পৌঁছতে পারেননি দেশের ব্যবসায়ীরা। কারণ ভারত ও থাইল্যান্ডের তুলনায় বাংলাদেশের চালের রফতানিমূল্য বেশি।
ঢাকার একজন ব্যবসায়ী জানান, বাংলাদেশ এরই মধ্যে কিছু পরিমাণ বাসমতি চাল রফতানির চুক্তি করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু সেদ্ধ চাল রফতানির কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো যায়নি। সেদ্ধ চাল রফতানিতে বাংলাদেশ টনপ্রতি সর্বনিম্ন ৫০০ ডলার অফার করতে সক্ষম। কিন্তু এর চেয়েও কম দামে একই চাল রফতানি করতে প্রস্তুত রয়েছে অন্য দেশগুলো।
সীমান্ত এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ
লোকসমাজ ডেস্ক॥ ভারত সীমান্ত থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এক কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
রোববার রাতে বিটিআরসির নির্দেশনার পর এরই মধ্যে সীমান্ত এলাকায় নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিয়েছে দেশের সবকটি মোবাইল অপারেটর। এই নির্দেশনার ফলে চার অপারেটরের প্রায় দুই হাজার বিটিএস (টাওয়ার) বন্ধ করা হয়েছে। এর ফলে সীমান্ত এলাকার প্রায় কোটি গ্রাহক মোবাইল ফোন ব্যবহারে সমস্যায় পড়বে বলে জানিয়েছে মোবাইল অপারেটরের কর্মকর্তারা।
রোববার রাতে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের কাছে পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সীমান্ত এলাকায় নেটওয়ার্ক কভারেজ বন্ধ রাখতে হবে।
এ বিষয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে নির্দেশনাটি সাময়িক।
লায়নকে খেপিয়ে তুলেছেন ওয়ার্ন
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ শেন ওয়ার্নের ওপরে ভীষণ ক্ষুব্ধ নাথান লায়ন। ওয়ার্ন বলেছেন, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টেস্টে লায়নকে বিশ্রাম দিয়ে লেগস্পিনার মিচেল সোয়েপসনকে খেলানো হোক। পরামর্শটা ভালো লাগেনি অফস্পিনার লায়নের। তার প্রশ্ন, স্টুয়ার্ট ম্যাকগিলকে সুযোগ করে দিতে ওয়ার্ন কি কখনও বিশ্রাম নিয়েছেন? বড় ভুল সময়ে জন্ম ম্যাকগিলের। ওয়ার্নের কাছাকাছি বয়স, তার ওপর ওয়ার্নের মতোই লেগস্পিনার, তাই বেশি খেলার সুযোগ পাননি। ৪৪ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করে উইকেট পেয়েছেন ২০৮টি। ১৪৫ টেস্টে ৭০৮ উইকেট নিয়ে ওয়ার্ন অবশ্য ম্যাকগিলের চেয়ে বহু এগিয়ে। প্রথম দুই টেস্ট জিতে এরই মধ্যে তিন ম্যাচের সিরিজ নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া। ৩ জানুয়ারি সিডনিতে শুরু শেষ টেস্ট। এই ম্যাচে লায়নের বদলে সোয়েপসনকে একাদশে রাখার পরামর্শ দিয়ে ওয়ার্ন বলেছেন, ‘মিচেল সোয়েপসনকে সুযোগ দিলে এর (আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের) ঝাঁঝ বুঝতে পারবে। আমি মনে করি এতে দীর্ঘ মেয়াদে লাভই হবে আমাদের।’
তবে ওয়ার্নের প্রস্তাব ভালো লাগেনি লায়নের। কিইউদের বিপক্ষে প্রথম দুই টেস্টে ১০ উইকেট নেওয়া এই অফস্পিনারের মন্তব্য, “ওয়ার্নি (ওয়ার্ন) কি কখনও বিশ্রাম নিয়ে স্টুয়ার্ট ম্যাকগিলকে খেলার সুযোগ করে দিয়েছেন? আমি বিশ্রাম নেবো না। এমন কোনও অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারকে দেখিনি যে বিশ্রাম নিতে চায়। আমি তো কল্পনাও করতে পারি না মিচ স্টার্ক, প্যাট (কামিন্স) বা প্যাটো (জেমস প্যাটিনসন) হাত তুলে বলবে, ‘আমার বিশ্রাম দরকার।” ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ও ভারত সফরে দলে থাকলেও কোনও ম্যাচে সুযোগ পাননি সোয়েপসন। তবে এ মৌসুমে বেশ ভালো ফর্মে আছেন তিনি, শেফিল্ড শিল্ডে ৬ ম্যাচে নিয়েছেন ১২ উইকেট। স্পিন সহায়ক সিডনিতে তার খেলার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। ২৬ বছর বয়সী লেগস্পিনারকে দলে স্বাগত জানাচ্ছেন লায়নও। তবে সোয়েপসনকে সঙ্গে নিয়েই সিডনিতে খেলতে চান, ‘মিচ কুইন্সল্যান্ডের হয়ে দারুণ বল করছে। আমি তার বিরাট ভক্ত। সে একাদশে সুযোগ পেলে খুব খুশি হবো। আশা করি আমাদের কম্বিনেশনটা খুব ভালো হবে।’
লোকসমাজ ডেস্ক॥রনারায়ণগঞ্জের চাষাড়া এলাকার বাসিন্দা ও স্কুল শিক্ষিকা শবনম মোশফিকা অনি গতকাল রাতে দুই বন্ধুর কাছ থেকে সারপ্রাইজ উইশের বার্তা পান। এরপর সেটা কী তা না জেনেই কৌতুহলবশত একটি বার্তা খুলে দেখেন তিনি।
এরপর বুঝতে পারেন যে সেটি একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার বা ভাইরাস। এর পরপরই তথ্য চুরি হওয়ার ভয় থেকে ফেইসবুক ও জি-মেইল অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড বদলে ফেলেন তিনি।
‘বোঝার সাথে সাথে আমি পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করেছি। এখন বুঝতে পারছি না যে, পুরোপুরি সেইফ হয়েছি কিনা, নাকি এখনো ভয় আছে,’ বলেন অনি।
তবে শুধু অনি নন, এ ধরণের সারপ্রাইজ উইশ-এর বার্তা ফেইসবুকের মেসেঞ্জার এবং হোয়াটস অ্যাপে অনেকেই পেয়েছেন।
অনেকে এটিকে স্প্যাম বুঝতে পেরে এড়িয়ে গেলেও না বুঝে খুলে দেখেছেন অনেকে।
এনিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে কিংবা ট্রল করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকেও পোস্ট দিয়েছেন অনেক ব্যবহারকারী।
কিন্তু আপনিও যদি এ ধরণের বার্তা পেয়ে থাকেন ইনবক্সে, যেটি আপনার কোন বন্ধুর কাছ থেকে এলেও ওয়েবসাইটের ঠিকানা হিসেবে wish4u.com বা my-love.co লেখা রয়েছে, সেটিতে যেন ভুলেও ক্লিক করবেন না।
এটি আসলে এক ধরণের সফটওয়্যার যেটি আপনার ব্রাউজারে ইন্সটল হয়ে যেতে পারে।
এধরণের ক্ষতিকর সফটওয়্যারকে ব্রাউজার হাইজ্যাকারও বলা হয়।
অবশ্য সিআইডি’র ডিজিটাল ফরেনসিকস-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জালাল উদ্দিন ফাহিম বলেন, ‘এটা সে অর্থে কোনো ম্যালওয়্যার না। এটা খুব বেশি ম্যালিশিয়াস বা ক্ষতিকরও না। এটা যে তৈরি করেছে সে সেটা তার কিছু মনিটরি ইনকামের জন্য তৈরি করেছে।’
তিনি বলেন, ‘এটা গুগলে ক্লিকের মাধ্যমে কিছু টাকা-পয়সা পাওয়া যায়, রেভিনিউ জেনারেট করা যায়। আর এটাতে তো অনেকেই ক্লিক করছে, হ্যাপি নিউ ইয়ারের উইশ হিসেবে, এটা থেকে সে কিছু টাকা পয়সা জেনারেট করছে গুগল এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে।’
তবে এই সফটওয়্যার দিয়ে তথ্য চুরির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না ফাহিম। তবে এখনো পর্যন্ত এমনটি হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
কিন্তু এর প্রস্তুতকারক যদি এই সফটওয়্যারটি রি-ডিজাইন করে তাহলে ভবিষ্যতে হয়তো ক্ষতি হতে পারে বলে তার আশঙ্কা।
‘হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, মেসেঞ্জার বা অন্যকোন মাধ্যমে এ ধরণের মেসেজ এলে সেটা ক্লিক না করাই বুদ্ধিমানের কাজ,’ বলেন তিনি।
কী কী ক্ষতি করে এই সফটওয়্যার?
my-love.co বা wish-you.co থেকে যে বার্তা আসছে, তাতে ক্লিক করলে মূলত একটি ধরণের ক্ষতিকর সফটওয়্যারের ডাউনলোড সচল করে দিচ্ছে।
এই সফটওয়্যার বিভিন্ন ধরণের জনপ্রিয় সব ব্রাউজার যেমন ক্রোম, ফায়ারফক্স, অপেরা এবং সাফারির সাথে একীভূত হয়ে যেতে পারে।
একবার ইন্সটল করা হলে এটি সাধারণত ডিফল্ট ব্রাউজার বা সার্চ ইঞ্জিনের হোমপেইজকে পরিবর্তন করে দেয় এবং এর পরিবর্তে স্পন্সর করা একটি হোমপেইজ ইন্সটল করে দেয়।
এর সাথে সাথে ব্রাউজার স্ক্রিনে প্রচুর পরিমাণে বিজ্ঞাপন, ব্যানার, পপ-আপ মেসেজ এবং কিছু নোটিফিকেশন আসে যার কারণে অনেক সময় নানা ধরণের লিংকে ক্লিক করতে হয়।
তবে আশার কথা হচ্ছে, এই সফটওয়্যারগুলো কম্পিউটার ভাইরাস বা ম্যালওয়ার যেমন র্যানসমওয়্যার বা ট্রোজানের সাথে কোন সম্পর্ক নেই।
এগুলো আসে মূলত ইমেইল-এর সাথে যুক্ত হয়ে, ফ্রি ডাউনলোড, স্প্যাম মেসেজ, ফ্রিওয়্যার ও শেয়ারওয়্যার প্ল্যাটফর্ম এবং টরেন্ট থেকে।
খুলে ফেললে কী করবেন?
যদি কেউ খুলে ফেলে এবং সে যদি তার ব্রাউজারে কোন ধরণের সমস্যায় পড়েন তাহলে কিছু পদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে মনে করেন ফাহিম।
তিনি বলেন, ‘হাউ টু রিমুভ ডট গাইড’ নামে একটি ওয়েবসাইটে গিয়ে কিছু ধাপ অনুসরণ করে সফটওয়্যারটি আন-ইন্সটল করা যায়।
কীভাবে বুঝবেন এটা ম্যালওয়্যার
সাধারণত একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায় যে ডিভাইসে ব্রাউজার হাইজ্যাকার রয়েছে কিনা। কারণ এধরণের সফটওয়্যার থাকলে ডিফল্ট ব্রাউজারে নতুন হোমপেইজ তৈরি হয় বা আগেরটি পরিবর্তিত হয়, ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন বদলে নতুন ধরণের সার্চ ইঞ্জিন আসে, আগে ছিল না এমন কিছু নতুন টুলবারও যোগ হয়।
এর ফলে আমরা যখন কোনো কিছু সার্চ করতে যাই তখন তা এমন কিছু ওয়েব লিংকে রি-ডিরেক্ট করা হয় যেখানে হয়তো আমরা কখনোই যেতাম না।
ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর ভাইরাস বা সফটওয়্যার- প্রতিনিয়তই এগুলোর বৈশিষ্ট্য বদলায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিস্টার জালাল উদ্দিন বলেন, ‘কোন লিংক নিয়ে সন্দেহ হলে সেটি নিশ্চিত করতে হলে ‘ভাইরাস টোটাল ডট কম’-এ গিয়ে যে লিংক পাঠানো হয়েছে সেটি না খুলে শুধু কপি করে ভাইরাস টোটালে দিলেই সেটি বলে দেয় যে লিংকটি ম্যালওয়্যার কিনা।’
তবে ম্যালওয়্যার না হলেও যে সেটি নিরাপদ সেটি বলা যাবে না।
যেমন আলোচিত ‘সারপ্রাইজ মেসেজ’ সম্পর্কে এই মুহুর্তে ভাইরাস টোটাল বলছে যে এটি ক্ষতিকর নয়। তবে এটি প্রোগ্রামিংয়ে পরিবর্তন করলে বা উন্নয়ন ঘটানো হলে যেকোন মুহূর্তে ক্ষতিকর হতে পারে বলেও মনে করছেন আইটি বিশেষজ্ঞরা।
আগামী দিনগুলোতে এ ধরণের ম্যালওয়্যার বা ভাইরাসের সমস্যা আরো বাড়বে। তখনকার হুমকি ঠেকাতে এখনই আরো বেশি সতর্ক হওয়া দরকার বলে মনে করছেন তারা।
‘এখন এটা আমদের সার্চ বারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। কিংবা আমাদের ইন্টারনেট ব্রাউজিং বা গুগল সার্চে সমস্যা হচ্ছে, কিন্তু ভবিষ্যতে দেখা যাবে যে না বুঝে ক্লিক করার কারণে হয়তো লাখ লাখ টাকাও বেহাত হতে পারে,’ বলেন মিস্টার জালাল উদ্দিন।
‘সারপ্রাইজ মেসেজ’ যেসব ওয়েব ঠিকানা ব্যবহার করছে:
wish-you(dot)co
wish4u(dot)co
my-msg(dot)co
look-me(dot)co
surprise4u(dot)me
hookupgist(dot)com
see-magic(dot)co
mera-style(dot)co
whatsapp-style(dot)co
my-love(dot)co
মিছিলে পুলিশের বাধা, মঙ্গলবার সারাদেশে বাম জোটের বিক্ষোভ
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ৩০ ডিসেম্বরকে ‘কালোদিবস’ হিসেবে পালন করে গণতান্ত্রিক বামজোট। ভোট ডাকাতির একবছর উল্লেখ করে সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সারাদিন ‘কালো দিবস’ পালন করছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। তারই অংশ হিসেবে দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জোটটির নেতাকর্মীরা। সমাবেশ শেষে একটি মিছিল নিয়ে তারা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা করে। সে যাত্রায় পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। আর এতে আহত হন পুলিশ সদস্যসহ ২০ জনেরও বেশি। মিছিলে বাধা দেওয়ার ফলে আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৪ টায় আবারও দেশব্যাপী সমাবেশ ডেকেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। এর আগে দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, আজকের দিনটিকে সারাদেশের জনগণ ‘কালোদিবস’ হিসেবে পালন করছে। এই বাঙালি জাতি বিজয় অর্জন করতে জানে। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো আমরা বিজয় অর্জন করতে জানি কিন্তু রক্ষা করতে জানি না। এই বাঙালি জাতি অনেক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, আবার আজকের মতো কালো দিবসও সৃষ্টি করেছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা বাঙালির সোনালী ইতিহাস থেকে এই কালো দিবসের অধ্যায় চিরদিনের জন্য ধূলিস্যাৎ করে দিতে চাই। আর সেটা করতে হলে এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রমজীবী মেহনতী মানুষের রাজত্ব কায়েম করতে হবে। এই দেশকে বাঁচাতে হলে এই সরকারের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে। এই সরকারের বিদায় হলে বামপন্থী দল ক্ষমতায় আসবে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলে এই সরকার চলে গেলে তার জায়গায় কে আসবে? এই সরকার চলে গেলে তার জায়গায় বামপন্থী দল নেতৃত্বে আসবে।’
গতবছর ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের নামে যে ঘটনা ঘটিয়েছিল, সেটা ছিল ভুয়া নির্বাচন মন্তব্য করে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ভুয়া নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার ক্ষমতায় আসে, সেই সরকারকে ভুয়া সরকার ছাড়া অন্য কিছু বলা যায় না। তাই ভুয়া নির্বাচনের বিরুদ্ধে যেমন আন্দোলন শুরু করেছি, একইসঙ্গে এই ভুয়া সরকারকে পদত্যাগ করানোর জন্য রাজপথে নামতে হবে। বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতায় আছে। মানুষ তাদের নাম দিয়েছে ভোট ডাকাতির সরকার। আপনারা জানেন আওয়ামী লীগ একসময় গণতন্ত্র রক্ষার জন্য রাজপথে লড়াই করেছে। আওয়ামী লীগ সরকার ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে সন্ত্রাস চালিয়ে ক্ষমতায় আছে। এটা আমি লীগের রাজনৈতিক ও নৈতিক পরাজয় বলবো। চরমপন্থীর মতো করে ক্ষমতায় আছে। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, কমরেড ফজলুর রশীদ ফিরোজা, কমরেড মোশাররফ হোসেন নান্নু প্রমুখ।
ফোর্বস ম্যাগাজিনকে কঙ্গনার আইনি নোটিশ
লোকসমাজ ডেস্ক॥ চলতি বছর আয়ের দিক থেকে বলিউডের সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন অক্ষয় কুমার। ২০১৯ সালে ২৯৩.২৫ কোটি রুপি আয় করেছেন তিনি। হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। বিখ্যাত ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’র জরিপে এ বছরের সেরা আয় করা তারকাদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে অক্ষয়।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালে অক্ষয় আয় করেছেন ২৯৩.২৫ কোটি রুপি। তার পরের অবস্থানটি সালমান খানের। সালমানের আয় ২২৯.২৫ কোটি রুপি। এদের মধ্যে বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট আছেন অষ্টম স্থানে ও দীপিকা পাড়ুকোন দশম স্থানে। ‘কিং খান’ খ্যাত শাহরুখ খান ষষ্ঠ অবস্থানে। অন্যদিকে বলিউড তারকা রণবীর সিং সপ্তম স্থানে।
‘ফোর্বস’র জরিপে দেখা যায় ২০১৯ সালে বিরাট কোহলির আয় ২৫২.৭২ কোটি রুপি, অক্ষয় কুমার ২৯৩.২৫ কোটি, সালমান খান ২২৯.২৫ কোটি, অমিতাভ বচ্চন ২৩৯.২৫ কোটি, এম এস ধোনি ১৩৫.৯৩ কোটি, শাহরুখ খান ১২৪.৩৮ কোটি, রণবীর সিং ১১৮.২ কোটি, আলিয়া ভাট ৫৯.২১ কোটি, শচীন টেন্ডুলকার ৭৬.৯৬ কোটি, দীপিকা পাড়ুকোন ৪৮ কোটি রুপি।
ফোর্বস ইন্ডিয়ার বার্ষিক জরিপের ১০০ তারকার নামের তালিকায় ৭০তম বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। তার আয় দেখানো হয়েছে ১৭.৫০ কোটি রুপি। জরিপে কঙ্গনার আয়ের এমন হিসেব দেখে ভীষণ রেগে গেছেন তার বোন রাঙ্গোলি চান্ডেল। শুধু তাই নয়, ফোর্বস ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে কঙ্গনার পক্ষ থেকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
ভারতীয় এক গণমাধ্যম খবর হয়েছে, রাঙ্গোলি চান্ডেল ফোবর্স কর্তৃপক্ষকে কঙ্গনার আয়ের হিসাব প্রমাণ করতে বলেছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোনো সাড়াদেয়নি। এই কারণে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আইনি নোটিশের ছবি টুইটারে পোস্ট করে রাঙ্গোলি জানান, তারা যদি আমার কথা ভুল প্রমাণ করতে পারে তবে আমি জনসম্মুখে ক্ষমা চাইব।
অন্য এক টুইটে রাঙ্গোলি লিখেন, ‘ফোর্বস এক নাম্বারের প্রতারক। আমি তাদের চ্যালেঞ্জ করছি, তারা তারকাদের যে আয়ের তালিকা প্রকাশ করেছে, সেখান থেকে একজন তারকার আয় প্রমাণ করে দেখাক। এই জরিপে উল্লেখিত আয়ের চেয়ে বেশি ট্যাক্স দেয় কঙ্গনা।’
আবারও প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক ঐক্যফ্রন্টের
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই সমাবেশ শেষে মিছিল করতে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাধা দেয়। এ কারণে সোমবার আবারও প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দিয়েছে এই রাজনৈতিক জোট। মিছিলে বাধা দেওয়ার সময় আ স ম আবদুর রবের সঙ্গে পুলিশের কিছু বাক্য বিনিময় ঘটে।
এ বিষয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশি বাধার প্রতিবাদে আগামীকাল (সোমবার) দুপুরে মৎস্য ভবনের সামনে নাগরিক প্রতিবাদ সমাবেশ করা হবে।’ এর আগে সমাবেশে তিনি বলেন, ‘গত বছর ২৯ ডিসেম্বর রাতে ভোট ডাকাতির পর থেকে বাংলাদেশকে এক এক করে পৈতৃক সম্পত্তিতে রূপান্তরিত করা শুরু হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সরকারি দল এবং তার দোসর দল সমাবেশ-সম্মেলন করতে পারবে, কিন্তু ঐক্যফ্রন্ট, বিএনপি ও অন্যান্য দল করতে পারবে না। এটা কি তাদের বাবার সম্পত্তি পেয়েছে?’ জাফরুল্লাহ চৌধুরী আরও বলেন, ‘সবচেয়ে দুর্ভাগ্য হলো, জাতি যখন বিপদে পড়ে তখন বিচারকরা ঘুমিয়ে পড়েন। গত বছর নির্বাচনের নিয়ে এতগুলো মামলা হয়েছে, একটা দিনও হেয়ারিং হয়নি। এই বিচারকরা জনসাধারণের কাছে কী জবাব দেবেন? তাই এই বিচারকদের কাছে খালেদা জিয়ার মুক্তির আলোচনা করা নিরর্থক। খালেদা জিয়ার মুক্তি হতে পারে একমাত্র জনগণের মাধ্যমে। যেদিন দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে, সেদিন এই বিচারকদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল রিপোর্টটা ঠিকমতো পড়েছেন কিনা?’
সমাবেশে জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘জনগণের সরকার, মুক্তিযুদ্ধের সরকার, জাতীয় সরকার যদি কায়েম করতে হয় তাহলে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করতে হবে। যত বড় দলেই হোন না কেন, এককভাবে কেউ বাংলাদেশকে জনগণের সরকার উপহার দিতে পারবেন না।’ আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা যখন ’৭১ সালে স্লোগান দিচ্ছিল “বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো”, তখন তারা আমাদের কর্মীদের শারীরিক নির্যাতন করেছে, মারধর করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায়। আমি প্রশ্ন করতে চাই, স্বাধীনতা বিরোধী আর স্লোগানকারীদের আঘাত করা– এই দুটোর মধ্যে পার্থক্য কতটুকু?’ নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে খুবই গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ যেমন কৃতিত্বের দাবিদার, তেমনি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্ক রচনা করার ইতিহাসও সেই দলটির আছে। দল হিসেবে তারা এক বছরে যে দুঃশাসন কায়েম করেছে, সেটা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আবারও বলছি, নুরের ওপর হামলা করা হয়েছে, নুর কারও ওপর হামলা করেনি। নূর এবং অন্যদের নামে যে মামলা আছে তা অতি দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে।’ বিক্ষোভ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও ঐক্যফ্রন্টের অন্যান্য নেতারা।
মরিনিয়োর ‘সেঞ্চুরির’ রেকর্ড ভাঙলেন গার্দিওলা
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ এটি স্পেনের লা লিগায় বেশি দেখা গেছে। দেখা গেছে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে। জোসে মরিনিয়ো ও পেপ গার্দিওলা ডাগআউটে পাশাপাশি দাঁড়ানো মানেই উত্তেজনার নিশ্চয়তা। মরিনিয়ো ও গার্দিওলা ক্লাব ফুটবলের কোচিং জগতে দুই শত্রু। টটেনহাম হটস্পারে আসায় প্রিমিয়ার লিগে দ্বিতীয় দফায় দুই ‘শত্রুর’ দেখা হতে যাচ্ছে আবার। এজন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এর আগে মরিনিয়োর একটি রেকর্ড ভেঙে দিলেন ম্যানসিটি কোচ।
গতকাল রবিবার ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শেফিল্ড ইউনাইটেডকে ২-০ গোলে হারায় ম্যানচেস্টার সিটি। দ্বিতীয়ার্ধে সের্হিয়ো আগুয়েরো ও কেভিন ডি ব্রুইনার গোলে ম্যাচটি জেতে প্রিমিয়ার লিগের গত দুবারের চ্যাম্পিয়নরা। এটি ছিল গার্দিওলার মাইলফলক ছোঁয়া এক ম্যাচ, একই সঙ্গে রেকর্ডেরও। ১৩৪ লিগ ম্যাচ শেষে শততম জয়ের দেখা পেলেন স্প্যানিশ কোচ। মরিনিয়োকে পেছনে ফেলে সবচেয়ে কম সময়ে জয়ের ‘সেঞ্চুরি’ করলেন তিনি। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ম্যানইউর বিপক্ষে ৩-১ গোলে চেলসির জয়টি ছিল লিগে মরিনিয়োর শততম, ১৪২ ম্যাচে। এই তালিকায় এরপর আছেন লিভারপুলের ইয়ুর্গেন ক্লপ, এই ডিসেম্বরের শুরুতে এভারটনকে হারিয়ে ১৫৯ ম্যাচে মাইলফলক স্পর্শ করেন জার্মান কোচ।
গার্দিওলার দারুণ এই কীর্তি এলো এমন এক সময়ে, যখন শিরোপা ধরে রাখার জন্য কঠিন লড়াইয়ে ম্যানসিটি। হ্যাটট্রিক লিগ শিরোপার অভিযাত্রায় এখন তারা তিন নম্বরে, শীর্ষে থাকা লিভারপুলের (৫৫) চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলে ১৪ পয়েন্ট পেছনে। ২০ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে ধুঁকছে ম্যানসিটি, তারপরও শেফিল্ডকে হারিয়ে পাওয়া অর্জনে গর্বিত বার্সেলোনা ও বায়ার্ন মিউনিখের সাবেক কোচ, ‘ক্লাব, খেলোয়াড় ও স্টাফদের জন্য শততম জয় পাওয়া বড় ব্যাপার। ১৩৪ ম্যাচে ১০০ জয়, এটা অবশ্যই দারুণ অর্জন। এর কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের।’










