লোকসমাজ ডেস্ক॥ চট্টগ্রাম বন্দরসংশ্লিষ্ট বেসরকারি ইনল্যান্ড কনটেইনার টার্মিনালগুলোর (আইসিডি) মাশুল বেড়েছে। বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোস অ্যাসোসিয়েশনের (বিকডা) প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, গতকাল থেকে বর্ধিত হারে বিল করা শুরু হয়েছে। সেবাগ্রহীতা রফতানিকারকদের অভিযোগ, একতরফাভাবে ২২ শতাংশ হারে মাশুল বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রধান রফতানি পণ্য পোশাকের শিল্প মালিকরা বর্ধিত হারে এ চার্জ আদায় বন্ধে তৎপর হয়েছেন।
নতুন মাশুল হার অনুযায়ী, ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের রফতানি কনটেইনারের প্যাকেজ চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৩৯০ টাকা। আগে এ চার্জ ছিল ৩ হাজার ৬০০ টাকা। এছাড়া ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যের কনটেইনারের ক্ষেত্রে নতুন নতুন মাশুল ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৮৫০ টাকা, আগে যা ছিল ৪ হাজার ৮০০ টাকা।
২০ ফুট দৈর্ঘ্যের রফতানি খালি কনটেইনারের গ্রাউন্ড রেন্ট বাড়িয়ে করা হয়েছে দৈনিক ১১২ ও ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যের কনটেইনারের জন্য ২২৪ টাকা। আগে এ হার ছিল ২০ ফুট কনটেইনারের ক্ষেত্রে ১০০ ও ৪০ ফুটের ক্ষেত্রে ২০০ টাকা। প্রতি টনে ল্যান্ডিং চার্জ ১৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিকডার সচিব রুহুল আমিন সিকদার (বিপ্লব) বলেন, আজ (গতকাল) থেকে নতুন ট্যারিফ অনুযায়ী বিল করা হচ্ছে।
বিকডা-সংশ্লিষ্টদের দাবি, অনেক আগেই চার্জ বৃদ্ধির কথা ছিল। গত বছরের এপ্রিলে মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন চার্জ নির্ধারণের নির্দেশ দেয়া হয়। এর মধ্যে বৃদ্ধিও করেছিলাম, যা পরে সরকারের অনুরোধে বন্ধ করা হয়। বৃদ্ধির প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম হার নির্ধারণ করা হয়েছে। আমদানি-রফতানিকারকদের এতে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। যদিও রফতানিকারকদের দাবি, প্রতিযোগিতার সক্ষমতা দুর্বল হবে।
গত ৩১ ডিসেম্বর নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় বরাবর একটি চিঠি পাঠিয়েছে পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। প্রাইভেট আইসিডি/অফডক কর্তৃক রফতানি পণ্যবাহী কনটেইনারের বিপরীতে বিভিন্ন চার্জ বর্ধিত হারে আদায় বন্ধ করা প্রসঙ্গে ওই চিঠিটি পাঠানো হয় মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর। চিঠির অনুলিপি দেয়া হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়ার্ডাস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফা) সভাপতি এবং বিকেএমইএ সভাপতিকে।
বিজিএমইএর দাবি, প্রাইভেট আইসিডি/অফডকগুলো বর্তমানে সম্পূর্ণ একতরফাভাবে রফতানি পণ্যবাহী কনটেইনারের ওপর বিভিন্ন চার্জ ১ জানুয়ারি ২০২০ থেকে ২২ শতাংশ বর্ধিত হারে আদায় করবে মর্মে বিভিন্ন শিপিং এজেন্ট ও ফ্রেইট ফরোয়ার্ডারদের চিঠি পাঠিয়েছে। আকস্মিকভাবে এ ধরনের চার্জ বৃদ্ধির ফলে দেশের সর্ববৃহৎ রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পের রফতানি কার্যক্রমে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
পূর্বসিদ্ধান্ত অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া প্রাইভেট আইসিডি কর্তৃক একতরফাভাবে চার্জ বৃদ্ধি করা যাবে না মর্মে সিদ্ধান্ত রয়েছে—এমন তথ্য উল্লেখ করে নৌ-পরিবহন সচিব বরাবর পাঠানো চিঠিতে বিজিএমইএ বলে, বর্তমানে দেশের পোশাক শিল্প চরম সংকটপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। বিশ্বব্যাপী পোশাক শিল্প বাজারে সিএম (কাটিং-মেকিং চার্জ) কমে যাওয়া, বিদেশী ক্রেতাদের নিত্যনতুন শর্তারোপ ও অভ্যন্তরীণ বহুবিধ প্রতিবন্ধকতার কারণে এমনিতে শিল্পে ক্রান্তিকাল চলছে।
রফতানি পণ্যবাহী কনটেইনারের প্রাইভেট আইসিডি কর্তৃক বর্ধিত চার্জ আদায় করা হলে তৈরি পোশাক শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগী দেশের তুলনায় রফতানি সক্ষমতা হারাবে চিঠিতে এ দাবি জানিয়ে বলা হয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া প্রাইভেট আইসিডিগুলো যাতে রফতানি পণ্যবাহী কনটেইনারের বিপরীতে বর্ধিত চার্জ আরোপ করতে না পারে, সে বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে আইসিডি/অফডকগুলোকে নির্দেশনা প্রদানের অনুরোধ করছি।
বিকেএমইএর প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, কোনো আলোচনা ছাড়াই আইসিডি চার্জ বৃদ্ধি করা হয়েছে, এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বেসরকারি আইসিডি/সিএফএস নীতিমালা-২০১৬ অনুযায়ী ট্যারিফ নির্ধারণের লক্ষ্যে গত ২১ এপ্রিল নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ মুহূর্তে একতরফাভাবে বর্ধিত চার্জ আদায়ের পদক্ষেপ গ্রহণ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরিপন্থী। ২০১৬ সালের আইসিডি নীতিমালা অনুযায়ী আইসিডির মাশুল নির্ধারণের দায়িত্ব ট্যারিফ কমিটির।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে রফতানি হওয়া পণ্যের প্রায় ৯০ শতাংশই হ্যান্ডলিং হয় প্রাইভেট আইসিডির মাধ্যমে। রফতানিকারকরা ট্রাক বা কাভার্ড ভ্যানে পণ্য বন্দরের আশপাশে গড়ে ওঠা আইসিডিগুলোয় এনে বোঝাই করেন। সেখান থেকে রফতানি কনটেইনার বন্দরে নিয়ে জাহাজে তোলা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়, যার জন্য রফতানিকারকের কাছ থেকে নির্দিষ্ট হারে মাশুল নিয়ে থাকে সংশ্লিষ্ট আইসিডি। অন্যদিকে আমদানি পণ্যের ২১ শতাংশ বন্দর থেকে আইসিডিতে নেয়া হয়। শুল্কায়ন শেষে সেগুলো নিয়ে যান আমদানিকারকরা। এছাড়া আইসিডিগুলো খালি কনটেইনারও সংরক্ষণ এবং পরিবহন করে থাকে।
২২% হারে আইসিডি চার্জ বন্ধে তৎপর পোশাক শিল্প
নতুন বছরে চালডালের বাজিমাত অফার
লোকসমাজ ডেস্ক॥ নতুন বছরের বাজিমাত অফার ঘোষণা করেছে গ্রোসারি শপ চালডাল ডটকম। গত তিন বছরের মতো এবারো এ ক্যাম্পেইনটির আয়োজন করে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটি। তবে এবারের ক্যাম্পেইন আরো বড় ও আকর্ষণীয় হচ্ছে বলে জানানো হয়।
চালডাল ডটকমের হেড অব গ্রোথ ওমর শরীফ ইবনে হাই বলেন, তিন বছর ধরে ‘নতুন বছরের অফার’ আয়োজন করছে চালডাল ডটকম। ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে এ বছর প্রায় ৪০ লাখ টাকার গিফটসহ অফারটির পরিধি আরো বড় করা হয়েছে। এ ক্যাম্পেইন গোছানোর জন্য প্রায় ১৫ দিন লেগেছে। অফারটি যেমন বড় হচ্ছে, তেমনি আকর্ষণীয়ও হচ্ছে। অফারের গিফটগুলো প্রস্তুত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন চালডালে কর্মরত সবাই। একটাই লক্ষ্য, ক্রেতাদের মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলা। অফারটি ঢাকার ৭৫টির বেশি এলাকায় ‘হোম ডেলিভারি’ সেবার আওতায় যারা আছেন, তারা উপভোগ করতে পারবেন।
তিনি আরো বলেন, সাত বছর আগে ২০১৩ সালে শুরু হয় চালডাল ডটকম। চালডালের লক্ষ্য প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার চেষ্টা করা। বিশেষ করে সময় বাঁচানো এবং কেনাকাটায় ক্রেতার পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়া। সাত বছর ধরে সে চেষ্টা করছি আমরা। স্থানীয় মার্কেটে সবসময় জায়গার স্বল্পতা থাকায় ইচ্ছে সত্ত্বেও অনেক ধরনের পণ্য একসঙ্গে গুদামজাত করতে পারে না। আর চালডাল সেখানে মোট ৫ হাজার ৫০০-এর বেশি পণ্য ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরেছে। নয়টি গুদামঘর রয়েছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায়। সেখান থেকে ১-২ ঘণ্টার মধ্যে বাসায় পণ্য পৌঁছানো হয়। চালডাল একসময় পুরো বাংলাদেশের মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাওয়ার স্বপ্ন দেখি আমরা। —বিজ্ঞপ্তি
খাবারে প্লাস্টিক মেশানো! বুঝে নিন খুব সহজে
লোকসমাজ ডেস্ক॥ কিছু মুনাফা লোভী অসাধু ব্যবসায়ীর জন্য আমরা যেন ভেজালের মধ্যেই বাস করছি। যাই খেতে চাই প্রথমেই মনে হয়, জিনিসটি আসল তো?
যে খাবার আমরা রোজ খাই যেমন ভাত, দুধ, শাক-সবজি, ফল তাতেও ভেজাল? কয়েকটি উপায়ে বুঝে নিন আপনার খাবার নকল কিনা:
• বাজার থেকে চাল কিনে আনার পর, এক কাপ চাল নিয়ে সেদ্ধ করুন। যদি পানির ওপর মোটা ফোমের মতো লেয়ার বা স্তর জমতে দেখা দেয় তাহলে ওই চাল কিন্তু আসল না।
• পাত্রে সামান্য তেল গরম করে তাতে অল্প একটু চাল ফেলে দিন। যদি দেখেন চাল কড়াইয়ের গায়ে লেগে যাচ্ছে তাহলে এটি প্লাস্টিকের চাল।
• পাত্রে দুধ আধা কাপ দুধ ও সমান পরিমাণ পানি মেশান। কিছুক্ষণ রেখে দেওয়ার পর দেখনু ওপরে যদি সাদা ফোমের লেয়ার জমে যায়, তাহলে বুঝতে হবে ওই দুধে ডিটারজেন্ট মেশানো।
• আর বাজার থেকে যেকোনো সবজি আনার পর ঠাণ্ডা পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। যদি দেখেন পানির রং সবজির রঙের মতো হয়ে গেছে তাহলে বুঝে নিন রং মেশানো।
পরিবারের সবার সুস্বাস্থ্য রক্ষার দায়িত্ব আমাদের। স্বাস্থ্যকর খাবার নির্বাচনে তাই কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না।
ঢাকা-ম্যানচেস্টার রুটে বিমানের ফ্লাইট চালু হচ্ছে রবিবার
লোকসমাজ ডেস্ক॥ ২০১২ সালে উড়োজাহাজ স্বল্পতার কারণে ঢাকা-ম্যানচেস্টার রুটে ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বন্ধ হয়ে যাওয়া ওই রুটে দীর্ঘদিন পর আবারো ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে পতাকাবাহী এয়ারলাইন্স সংস্থাটি। আগামী রবিবার বিজি ০০৭ ফ্লাইটটি ম্যানচেস্টারের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়ে যাবে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব মো. মাহবুব আলী হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে উপস্থিত থেকে এই ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন।
বিমান বাংলাদেশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিমান বহরে সদ্য সংযোজিত বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার দিয়ে উদ্বোধন হচ্ছে ঢাকা-ম্যানচেস্টার রুটের যাত্রা। সপ্তাহে ৩ দিন-রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার ফ্লাইট পরিচালিত হবে। যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে প্রায় ৯০ হাজার বাংলাদেশী বসবাস করেন। তাদের অনেক দিনের আকাঙ্খা ম্যানচেস্টার রুটে বিমানের ফ্লাইট। এটি বিমানের ১৭তম রুট।
নতুন বোয়িং ৭৮৭-৯ এ সর্বমোট আসন সংখ্যা ২৯৮টি। এ উড়োজাহাজে ৩০টি বিজনেস ক্লাস, ২১টি প্রিমিয়াম ইকোনমি ক্লাস এবং ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাস রয়েছে।
বিমানের বহরে বর্তমানে ৬টি ড্রিমলাইনারসহ মোট ১৮টি উড়োজাহাজ রয়েছে। বিমান কর্তৃপক্ষ মনে করে, যুক্তরাজ্যের বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী এবং ইউরোপগামী বিভিন্ন দেশের ভ্রমণপিপাসু, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা বিমান বহরের আধুনিক এ উড়োজাহাজগুলোতে ভ্রমণে আকৃষ্ট হবেন।
বিমানের মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করেও যাত্রীরা নিজের মোবাইল থেকেই কিনতে পারবেন বিমানের সকল গন্তব্যের টিকেট। মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন বিকাশ বা রকেট বা যেকোন কার্ডের মাধ্যমে। গুগল প্লে স্টোর অথবা অ্যাপল স্টোর থেকে যে কোন স্মার্টফোনে অ্যাপসটি ডাউনলোড করলে পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত হতে বিমানের ফ্লাইট সংক্রান্ত সকল তথ্য পাওয়া যাবে।
স্মার্টফোন, ট্যাবলেটসহ হুয়াওয়ের নতুন অফার
লোকসমাজ ডেস্ক॥ নতুন বছরের আনন্দকে বাড়িয়ে দিতে গ্রাহকদের জন্য ‘বাই অ্যান্ড উইন’ অফার নিয়ে এসেছে শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। গ্রাহকরা ২ থেকে ৩১ জানুয়ারি সময়ের মধ্যে চলমান এ অফারের আওতায় হুয়াওয়ে হ্যান্ডসেট, ট্যাবলেটসহ নানা অ্যাকসেসরিজ কিনে জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় সব উপহার।
বাজারে হুয়াওয়ের প্রায় সব হ্যান্ডসেট, ট্যাবলেট, ওয়াচ জিটি-২, ফ্রিবাডস লাইট এবং ফ্রিবাডস-৩ কিনে জেতার সুযোগ রয়েছে দারুণসব উপহারের। এর মধ্যে রয়েছে ওয়াই ফাইভ ২০১৯ স্মার্টফোন, ওয়াচ জিটি-১, ব্যান্ড-৪, ব্যান্ড-২, পাওয়ার ব্যাংক, ভিআর ৩৬০ ক্যামেরা, সেলফি স্টিক ও টি-শার্ট।
দেশে হুয়াওয়ের অনুমোদিত যেকোনো ব্র্যান্ডশপ ও গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের (জিঅ্যান্ডজি) আউটলেট থেকে পণ্য কিনেই এ অফারটি পাওয়া যাবে। হুয়াওয়ের জাতীয় পরিবেশক স্মার্ট টেকনোলজি (বিডি) লিমিটেড ঘোষিত মাসব্যাপী এই অফারটি পেতে এসএমএস অপশনে গিয়ে টাইপ করতে হবে Huawei<Space>Retailcode<Space>IMEI Number লিখে পাঠাতে হবে ২৬৯৬৯ নম্বরে। আর ফিরতি এসএমএসে গিফটের নাম জানতে পারবেন ক্রেতারা।
ঘসনের পলায়ন রহস্য!
লোকসমাজ ডেস্ক॥ জাপান-ভিত্তিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নিসানের সাবেক চেয়ারম্যান কার্লোস ঘসনকে গ্রেপ্তার করতে ‘রেড নোটিশ’ জারি করেছে ইন্টারপোল। সম্প্রতি তিনি ব্যক্তিগত বিমানে করে জাপান থেকে লেবাননে পালিয়েছেন। জাপানে আর্থিক অসদচারণের মামলায় বিচারের সম্মুখীন ছিলেন তিনি। কিন্তু মামলার বিচারকার্য আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলছে, এ তথ্য জানার পরপরই পালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এদিকে, তার পলায়ন নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে নানা তথ্য, গুঞ্জন। এমন দাবিও ওঠেছে যে, বিশাল আকারের একটি বাদ্যযন্ত্রের খাপের ভেতর লুকিয়ে জাপান ত্যাগ করেছেন তিনি। যদিও তার স্ত্রী ক্যারোল এমন দাবিকে ‘কল্পনাপ্রসূত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
নতুন বছরের আগ দিয়ে লেবাননে পালিয়েছেন ঘসন। তার পলায়ন নিয়ে বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আর হবেই না কেন! জাপানি কর্তৃপক্ষের কড়া নজরদারিতে ছিলেন তিনি। নিজের বাড়ি ছেড়ে দুই রাত অন্য কোথাও কাটাতে হলেও আদালতের অনুমতি দরকার ছিল তার। সেই তিনি আচমকা এক রাতের আড়ালে বিমানে চড়ে তুরস্ক হয়ে লেবানন চলে গেলেন।
গণমাধ্যম অনুসারে, ব্যক্তিগত বিমান দিয়ে প্রথমে ইস্তাম্বুল ও পরে সেখান থেকে লেবানন যান তিনি। তার পলায়ন নিয়ে তুরস্কেও তদন্ত শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় সাত জনকে গ্রেপ্তার করেছে তুর্কি পুলিশ। এর মধ্যে চার জন পাইলট, একজন কোম্পানি কার্গো ম্যানেজার ও দুজন বিমানবন্দর কর্মকর্তা রয়েছেন।
লেবাননে পৌঁছে দেয়া এক বিবৃতিতে ঘসন বলেন, আমি ন্যায় বিচার থেকে পালাইনি। আমি অন্যায় ও রাজনৈতিক নিপীড়ন থেকে পালিয়েছে। আমি এখন থেকে গণমাধ্যমের সঙ্গে মুক্তভাবে যোগাযোগ করতে পারবো। ঘসনের পলায়নের পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, তার স্ত্রী এই পলায়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বৃহস্পতিবার এমন দাবি মিথ্যা বলে জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, আমি একাই আমার পলায়নের ব্যবস্থা করেছি।
যেভাবে পালিয়েছেন ঘসন
তুর্কি গণমাধ্যম অনুসারে, সোমবার জাপানের ওসাকা শহরের কানসাই বিমানবন্দর থেকে ব্যক্তিগত বিমানে করে রওনা দেন ঘসন। সেখান থেকে তুরস্কে যাত্রা করেন। সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৫:৩০ মিনিটে ইস্তাম্বুলের আতার্তুক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তুর্কি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাত দিয়ে নিউজ ওয়েবসাইট হুরিয়েত জানিয়েছে, তুর্কি সীমান্তরক্ষী বাহিনী জানতো না যে, ওই বিমানে ঘসন আছেন।
২০১৮ সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। পরে গত বছর তাকে কঠিন শর্তে জামিন দেয়া হয়। তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। বাড়ি ছেড়ে দুই রাতের বেশি সময়ের জন্য কোথাও ভ্রমণের জন্য আদালত থেকে অনুমতি নেয়া তার জন্য বাধ্যতামূলক ছিলো। প্রতিনিয়ত তার বাড়ির ওপর নজরদারি রাখার নির্দেশ রয়েছে আদালতের। এছাড়া তার ফোন ও কম্পিউটারও জব্দ করে নেয়া হয়েছে। জামিনের সময় তার পাসপোর্ট তিনি নিজের আইনজীবীদের কাছে জমা দিতে বাধ্য ছিলেন। তার আইনজীবীরা জানান, ঘসনের পাসপোর্টগুলো এখনো তাদের কাছেই রয়েছে। তবে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, জাপানের অভ্যন্তরে ভ্রমণের জন্য তার কাছে চতুর্থ একটি পাসপোর্ট থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ওই পাসপোর্টটিও তার আইনজীবীদের জামানতেই থাকার কথা। জাপান ছেড়ে যাওয়ার জন্য তার পাসপোর্ট ব্যবহারের কোনো রেকর্ড নেই।
বৃহস্পতিবার রয়টার্স জানিয়েছে, ঘসনের মামলার বিচারকার্য ২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত পিছিয়ে নেয়া হয়েছে। এটা জানতে পারার পরই জাপান ছেড়ে পালান তিনি।
এদিকে, ঘসনকে গ্রেপ্তার করতে ‘রেড নোটিশ’ জারি করেছে ইন্টারপোল। বিশ্বজুড়ে প্রত্যর্পণ, আত্মসমর্পণ থেকে পালিয়ে বেড়ানো অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে এ ধরণের নোটিশ জারি করা হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইন্টারপোলের নোটিশ পেয়েছে লেবানন কর্তৃপক্ষ। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি তারা। এ ছাড়া, জাপানের সঙ্গে লেবাননের প্রত্যর্পণ বিষয়ক কোনো চুক্তিও নেই।
লেবানন, ব্রাজিল ও ফ্রান্সের নাগরিকত্ব রয়েছে ঘসনের। লেবাননের রিয়েল এস্টেট ও ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছেন তিনি। সব বিবেচনায়, লেবানন তাকে জাপানে ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে, ফ্রান্স জানিয়েছে, ঘসন সেখানে গেলে তাকে জাপানের কাছে হস্তান্তর করা হবে না।
আমাদের পরিচয় কী? RSS অফিস পর্যন্ত মিছিল শহরের রূপান্তরকামী, যৌনকর্মীদের
লোকসমাজ ডেস্ক॥ পাচার হয়েছেন সেই কোন ছোট বয়সে। হাতবদল হতে হতে এখন শহরের এক যৌনপল্লিতে ঠাঁই হয়েছে সরস্বতীর (নাম পরিবর্তিত)। বহু কষ্টে আধার, ভোটার কার্ডটা তৈরি করেছিলেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলে দিয়েছেন, নাগরিকত্ব প্রমাণে ভোটার, আধার কার্ড চলবে না। বেঁচে থাকাটাই যেখানে চ্যালেঞ্জ, সেখানে আলাদা পরিচয়পত্র জোটাবেন কোত্থেকে, ভেবেই ঘুম উড়েছে তাঁর।
পরিচয়পত্রে নামের পাশে লিঙ্গ পরিচিতি একজন পুরুষের। কিন্তু পরিচয়পত্রধারী এখন পরেন সালোয়ার বা শাড়ি। রূপান্তরকামী সনিয়ারও ঘুম উড়েছে নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণের কথা ভেবেই।
সে দুর্ভাবনা বুকে চেপেই শুক্রবার সমাজ সংস্কারক, শিক্ষাবিদ সাবিত্রীবাঈ ফুলের ১৮৯তম জন্মবার্ষিকীতে নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে এই প্রথম একজোট হয়ে গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পথে নামলেন সমাজের প্রান্তিক শ্রেণির মহিলা, রূপান্তরকামী, ক্যুয়েররা। প্রসঙ্গত, সাবিত্রীবাঈ লিঙ্গ এবং জাতিবৈষম্যের বিরুদ্ধেই তাঁর প্রতিবাদ গড়ে তুলেছিলেন। শুক্রবার শহিদ মিনার থেকে উত্তরে আরএসএসের সদর দপ্তর কেশব ভবন পর্যন্ত সিএএ-এনআরসি, ট্রান্সজেন্ডার বিল-সহ একাধিক দাবিতে মিছিল করলেন শহরের প্রান্তিক মহিলা, কুয়্যের, রূপান্তরকামীরাও। উত্তরে বিডন স্ট্রিটে পৌঁছতেই মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। দুপক্ষ সেখানে কিছুটা তরজাতেও জড়ান বলে অভিযোগ।
মিছিলের অন্যতম আহ্বায়ক নারীবাদী সংগঠন মৈত্রীর তরফে সমাজকর্মী রত্নাবলি রায় বলেন, ‘নাগরিকত্ব বিলে প্রান্তিক এই মানুষগুলির কথা বলা হয়নি। যাঁরা ছোটবেলায় পাচার হয়েছেন কিংবা যাঁদের জীবনের অনেকটা সময় কাটছে মানসিক হাসপাতালের ভিতরে, তাঁরা কী ভাবে নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণ করবেন? শুক্রবারের তাই রাজপথে নামলেন তাঁরা।’
শুক্রবারের মিছিলে পা মেলালেন রাজ্যে যৌনকর্মীদের সংগঠন দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির সদস্যরাও। দুর্বারের সম্পাদক কাজল বোস বলেন, ‘আমাদের অনেক মেয়েকেই ঘর ছাড়তে হয়েছে বাধ্য হয়ে। কেউ বাড়ির পথ ভুলেছেন। কারও জন্য আবার বাড়িতে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অনেকেরই কোনও কাগজ নেই। কিছু মেয়েকে আমরা অনেক চেষ্টা করে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড বানিয়ে দিয়েছি। এখন সরকার যদি বলে সেগুলিও নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, তা হলে আমরা যাব কোথায়?’ শুক্রবারের মিছিলে দুর্বারের সদস্য রূপান্তরকামীরাও যোগ দেন বলে জানিয়েছেন কাজল। ‘আমাদের মতো প্রন্তিক মানুষদের ভোট নিয়ে তো মোদী সরকারে এসেছেন। তা হলে আমাদের নাগরিকত্বের প্রামাণ্য হিসেবে বিবেচিত হবে না কেন সেই কাগজ? আমরা এই বৈষম্যের প্রতিবাদ পথে নেমে করছি এবং ভবিষ্যতেও করব,’ ঘোষণা কাজলের।
অসমে প্রায় ২০০০ রূপান্তরকামীর নাম এনআরসির তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে ইতিমধ্যেই। নাগরিকত্ব বিলের পরবর্তী সময়ে দেশজুড়ে এনআরসি লাগু হওয়ার সম্ভাবনায় তাই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন রূপান্তরকামীরাও। এলজিবিটিকিউআই সম্প্রদায়ের সদস্য এবং গবেষক অভিনব বলেন, ‘কত রূপান্তরকামী পরিবারের অত্যাচারে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আসে, তাঁরা কোথায় কাগজ পাবেন? আমরা তাঁদের সবার কথা বলতেই পথে নামছি।’ কলকাতা ছাড়াও এ দিন পথে নামলেন দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, রাঁচি, মুম্বইয়ের প্রান্তিকরাও।
লিবিয়ায় সেনা মোতায়েন করবে তুরস্ক, ট্রাম্পের হুশিয়ারি
লোকসমাজ ডেস্ক॥ লিবিয়ার গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করতে সেখানে সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিয়ে বিল পাস হয়েছে তুর্কি পার্লামেন্টে। বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টে ৩২৫ ভোট পেয়ে অনুমোদিত হয় বিলটি। এর বিপক্ষে ভোট দেন ১৮৪ জন। লিবিয়ার জাতিসংঘ স্বীকৃত সরকারের মিত্র দেশ তুরস্ক। ত্রিপলি-ভিত্তিক ওই সরকার বর্তমানে দেশটির পূর্বাঞ্চলে জেনারেল খলিফা হাফতার নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সঙ্গে গৃহযুদ্ধে লিপ্ত। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
এদিকে, মার্কিন গণমাধ্যম পলিটিকো জানিয়েছে, তুর্কি পার্লামেন্টে বিল পাসের কয়েক ঘণ্টা পর লিবিয়া নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যিপ এরদোয়ান। হোয়াইট হাউজের বরাত দিয়ে পলিটিকো জানিয়েছে, এরদোগানকে লিবিয়ায় হস্তক্ষেপের ব্যাপারে সতর্ক করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, লিবিয়ায় বিদেশি হস্তক্ষেপ সেখানকার পরিস্থিতি আরো জটিল করে তুলবে।
এ ছাড়া, তুরস্কের সিদ্ধান্তের প্রতি তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মিসর। বলেছে, এতে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতায় বিরূপ প্রভাব পড়বে। উল্লেখ্য, মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসির সরকার জেনারেল হাফতারের সমর্থক।
লিবিয়া সরকারের এক অনুরোধের পর গত সপ্তাহেই সেখানে সামরিক সহায়তা প্রদানের ব্যাপারে পার্লামেন্টের অনুমোদন চাওয়ার ঘোষণা দেন। বৃহস্পতিবার বিরোধী দলের কোনো সমর্থন ছাড়াই বড় ব্যবধানে বিলটি পাস করাতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। তার নেতৃত্বাধীন একে পার্টি পার্লামেন্টে একচ্ছত্র সংখ্যাগরিষ্ঠতার দখলদার।
পাস হওয়া বিল অনুসারে, লিবিয়া সরকারকে ‘নন-কমব্যাট’ বা সরাসরি শারীরিকভাবে লড়াইয়ে অংশ নেবে না এমন সামরিক সহায়তা প্রদান করবে তুরস্ক। এসব সহায়তার মধ্যে রয়েছে, উপদেষ্টা পাঠানো, হাফতারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সরকারি বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রশিক্ষক পাঠানো ইত্যাদি।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই বিলের মাধ্যমে লিবিয়ায় তুরস্কের অংশগ্রহণ আরো গভীর হবে। এতে হাফতার বাহিনীর সমর্থক দেশেগুলোর সঙ্গে তুরস্কের সরকারের উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে। মিসর, জর্ডান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও রাশিয়া হাফতারকে সমর্থন করে।
তুর্কি ভাইস-প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকতায় বিলটি নিয়ে বলেন, ‘এর মেয়াদ থাকবে এক বছর।’ তবে এর আওতায় লিবিয়ায় কী পরিমাণ সামরিক সহায়তা প্রদান করা হবে সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি। জানান, এই বিল হাফতার বাহিনীকে একটি রাজনৈতিক সংকেত পাঠাবে। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও প্রস্তুত।’
তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসগলু টুইট করেছেন, ‘বিলটি লিবিয়ায় আমাদের স্বার্থ রক্ষা এবং অঞ্চলটির শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে ৪২ বছর ধরে লিবিয়া শাসন করা মুয়াম্মর গাদ্দাফির পতন হয়। এরপর থেকেই দেশটিতে গৃহযুদ্ধ লেগে আছে। দেশটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই কোনো অংশের কাছেই। সর্বশেষ সংঘাতের শুরু হয় গত বছরের এপ্রিল থেকে। ত্রিপলি দখলের উদ্দেশ্যে সেখানে হামলা চালানো শুরু করে জেনারেল হাফতার। কিন্তু এখনো ব্যর্থ তিনি। সম্প্রতি রাজধানী দখলে চূড়ান্ত লড়াই শুরুর ঘোষনা দিয়েছেন জেনারেল। ত্রিপলি ভিত্তিক সরকারটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ফয়েজ আল-সিরাজ।
এদিকে, তুরস্কের বিলটির তীব্র সমালোচনা করেছে মিসর। লিবিয়ায় সেনা মোতায়েনের পরিণতি নিয়ে তুরস্ককে সতর্ক করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, লিবিয়ায় তুরস্কের সামরিক হস্তক্ষেপের পরিণতি নিয়ে সতর্ক করছে মিসর। এমন হস্তক্ষেপ ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মিসরের প্রেসিডেন্ট সিরি লিবিয়ায়া বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একটি বৈঠকও ডাকেন।
সাতরঙা বিরিয়ানি খেলেও বাড়বে না ওজন!
লোকসমাজ ডেস্ক॥ এমন মানুষ বোধ হয় খুব কমই আছেন, যে বিরিয়ানি পছন্দ করেন না! অনেক ধরণের বিরিয়ানি তো খেয়েছেন, এবার তবে স্বাদ নিন সাতরঙা বিরিয়ানির। অসাধারণ স্বাদের সাতরঙা বিরিয়ানির স্বাদ বাড়িতেই পেতে জেনে নিন রেসিপি-
উপকরণ: বাসমতি চাল দেড় কাপ, (গাজর, মটরশুটি, ক্যাপসিকাম, ব্রোকলি, শিম, বিটরুট, মিষ্টি কুমড়া) টুকরা করে নেয়া ২ কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, টকদই আধা কাপ, এলাচ ৩ টি, দারুচিনি ২ টুকরা, স্টার অ্যানিস ১ টি, পুদিনা পাতা ১০ থেকে ১২ টি, কাজুবাদাম বাটা ২ টেবিল চামচ, পেস্তা বাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ বাটা ২ টেবিল চামচ, জর্দ্দার রং আধা চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, কেওড়া জল ২ চা চামচ, লবণ স্বাদ মতো, ঘি ৪ টেবিল চামচ, তেল ২ টেবিল চামচ।
প্রণালী: চুলায় প্যান বসিয়ে পানিয়ে এলাচ, দারুচিনি, স্টার অ্যানিস দিয়ে ফুটিয়ে নিন। পানি ফুটে উঠলে বাসমতী চাল দিয়ে ৮০ শতাংশ রান্না করে নিন। এবার মাটির পাত্রে সমস্ত সবজি ঢেলে দিন। হলুদ গুঁড়া, দই, পেস্তা, মরিচ গুঁড়া, কেওড়া জল, জর্দ্দার রং, পুদিনা পাতা, পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার আগে থেকে রান্না করে রাখা ভাত, ভাজা পেঁয়াজ এবং গরম মশলার গুঁড়া উপরে দিয়ে দিন। পাত্রটি চুলার অল্প আঁচে ভালোভাবে ঢেকে রান্না করুন। নামিয়ে সাবধানে একপাশ থেকে উঠিয়ে পরিবেশন করুন। সাতরঙা এই বিরিয়ানির স্বাদ আর গন্ধে মন ভুলান প্রিয়জনের।
শীতে জমবে মোগলাই পরোটা
লোকসমাজ ডেস্ক॥ শীতের সন্ধ্যায় চায়ের সঙ্গে মোগলাই পরোটা আমাদের সবারই পছন্দের একটি খাবার। কিন্তু বাড়িতে খুব কমই করা হয়। কারণ অনেকেই বলেন রেস্টুরেন্টের মতো মজার হয় না খেতে, কিন্তু এবার থেকে হবে।
খুব সহজে তৈরি করা যায়, এমন পারফেক্ট রেসিপি জেনে নিন:
উপকরণ
ময়দা- দুই কাপ, তেল- তিন চা চামচ, কাঁচামরিচ কুচি- এক চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি- দুই চা চামচ, ডিম- তিনটি, লবণ ও পানি পরিমাণমতো, ভাজার জন্য তেল।
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে ময়দা, লবণ ও তেল একসাথে মিশিয়ে হালকা গরম পানি দিয়ে মেখে আধাঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন।
পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, ডিম ও লবণ একসঙ্গে ফেটে নিন।
এবার পিঁড়িতে তেল মেখে বানানো খামির পরিমাণ ময়দা নিয়ে রুটি বেলে নিন। রুটির মাঝে ফেটানো ডিম ছড়িয়ে দিয়ে চার পাশ ভাঁজ করে নিন।
ভাঁজটা এমন হতে হবে যেন ভেতরের ডিম বাইরে বেরিয়ে না আসে। এবার মাঝারি আঁচে একটা ছড়ানো ফ্রাই প্যানে ডুবোতেলে সাবধানে পরোটা বাদামি করে ভেজে নিতে নিন।
ছুরি দিয়ে কেটে পছন্দের সালাদ বা সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন মোগলাই পরোটা।










