লোকসমাজ ডেস্ক॥ নতুন বছরের আনন্দকে বাড়িয়ে দিতে গ্রাহকদের জন্য ‘বাই অ্যান্ড উইন’ অফার নিয়ে এসেছে শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। গ্রাহকরা ২ থেকে ৩১ জানুয়ারি সময়ের মধ্যে চলমান এ অফারের আওতায় হুয়াওয়ে হ্যান্ডসেট, ট্যাবলেটসহ নানা অ্যাকসেসরিজ কিনে জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় সব উপহার।
বাজারে হুয়াওয়ের প্রায় সব হ্যান্ডসেট, ট্যাবলেট, ওয়াচ জিটি-২, ফ্রিবাডস লাইট এবং ফ্রিবাডস-৩ কিনে জেতার সুযোগ রয়েছে দারুণসব উপহারের। এর মধ্যে রয়েছে ওয়াই ফাইভ ২০১৯ স্মার্টফোন, ওয়াচ জিটি-১, ব্যান্ড-৪, ব্যান্ড-২, পাওয়ার ব্যাংক, ভিআর ৩৬০ ক্যামেরা, সেলফি স্টিক ও টি-শার্ট।
দেশে হুয়াওয়ের অনুমোদিত যেকোনো ব্র্যান্ডশপ ও গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের (জিঅ্যান্ডজি) আউটলেট থেকে পণ্য কিনেই এ অফারটি পাওয়া যাবে। হুয়াওয়ের জাতীয় পরিবেশক স্মার্ট টেকনোলজি (বিডি) লিমিটেড ঘোষিত মাসব্যাপী এই অফারটি পেতে এসএমএস অপশনে গিয়ে টাইপ করতে হবে Huawei<Space>Retailcode<Space>IMEI Number লিখে পাঠাতে হবে ২৬৯৬৯ নম্বরে। আর ফিরতি এসএমএসে গিফটের নাম জানতে পারবেন ক্রেতারা।
স্মার্টফোন, ট্যাবলেটসহ হুয়াওয়ের নতুন অফার
ঘসনের পলায়ন রহস্য!
লোকসমাজ ডেস্ক॥ জাপান-ভিত্তিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নিসানের সাবেক চেয়ারম্যান কার্লোস ঘসনকে গ্রেপ্তার করতে ‘রেড নোটিশ’ জারি করেছে ইন্টারপোল। সম্প্রতি তিনি ব্যক্তিগত বিমানে করে জাপান থেকে লেবাননে পালিয়েছেন। জাপানে আর্থিক অসদচারণের মামলায় বিচারের সম্মুখীন ছিলেন তিনি। কিন্তু মামলার বিচারকার্য আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলছে, এ তথ্য জানার পরপরই পালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এদিকে, তার পলায়ন নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে নানা তথ্য, গুঞ্জন। এমন দাবিও ওঠেছে যে, বিশাল আকারের একটি বাদ্যযন্ত্রের খাপের ভেতর লুকিয়ে জাপান ত্যাগ করেছেন তিনি। যদিও তার স্ত্রী ক্যারোল এমন দাবিকে ‘কল্পনাপ্রসূত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
নতুন বছরের আগ দিয়ে লেবাননে পালিয়েছেন ঘসন। তার পলায়ন নিয়ে বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আর হবেই না কেন! জাপানি কর্তৃপক্ষের কড়া নজরদারিতে ছিলেন তিনি। নিজের বাড়ি ছেড়ে দুই রাত অন্য কোথাও কাটাতে হলেও আদালতের অনুমতি দরকার ছিল তার। সেই তিনি আচমকা এক রাতের আড়ালে বিমানে চড়ে তুরস্ক হয়ে লেবানন চলে গেলেন।
গণমাধ্যম অনুসারে, ব্যক্তিগত বিমান দিয়ে প্রথমে ইস্তাম্বুল ও পরে সেখান থেকে লেবানন যান তিনি। তার পলায়ন নিয়ে তুরস্কেও তদন্ত শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় সাত জনকে গ্রেপ্তার করেছে তুর্কি পুলিশ। এর মধ্যে চার জন পাইলট, একজন কোম্পানি কার্গো ম্যানেজার ও দুজন বিমানবন্দর কর্মকর্তা রয়েছেন।
লেবাননে পৌঁছে দেয়া এক বিবৃতিতে ঘসন বলেন, আমি ন্যায় বিচার থেকে পালাইনি। আমি অন্যায় ও রাজনৈতিক নিপীড়ন থেকে পালিয়েছে। আমি এখন থেকে গণমাধ্যমের সঙ্গে মুক্তভাবে যোগাযোগ করতে পারবো। ঘসনের পলায়নের পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, তার স্ত্রী এই পলায়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বৃহস্পতিবার এমন দাবি মিথ্যা বলে জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, আমি একাই আমার পলায়নের ব্যবস্থা করেছি।
যেভাবে পালিয়েছেন ঘসন
তুর্কি গণমাধ্যম অনুসারে, সোমবার জাপানের ওসাকা শহরের কানসাই বিমানবন্দর থেকে ব্যক্তিগত বিমানে করে রওনা দেন ঘসন। সেখান থেকে তুরস্কে যাত্রা করেন। সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৫:৩০ মিনিটে ইস্তাম্বুলের আতার্তুক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তুর্কি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাত দিয়ে নিউজ ওয়েবসাইট হুরিয়েত জানিয়েছে, তুর্কি সীমান্তরক্ষী বাহিনী জানতো না যে, ওই বিমানে ঘসন আছেন।
২০১৮ সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। পরে গত বছর তাকে কঠিন শর্তে জামিন দেয়া হয়। তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। বাড়ি ছেড়ে দুই রাতের বেশি সময়ের জন্য কোথাও ভ্রমণের জন্য আদালত থেকে অনুমতি নেয়া তার জন্য বাধ্যতামূলক ছিলো। প্রতিনিয়ত তার বাড়ির ওপর নজরদারি রাখার নির্দেশ রয়েছে আদালতের। এছাড়া তার ফোন ও কম্পিউটারও জব্দ করে নেয়া হয়েছে। জামিনের সময় তার পাসপোর্ট তিনি নিজের আইনজীবীদের কাছে জমা দিতে বাধ্য ছিলেন। তার আইনজীবীরা জানান, ঘসনের পাসপোর্টগুলো এখনো তাদের কাছেই রয়েছে। তবে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, জাপানের অভ্যন্তরে ভ্রমণের জন্য তার কাছে চতুর্থ একটি পাসপোর্ট থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ওই পাসপোর্টটিও তার আইনজীবীদের জামানতেই থাকার কথা। জাপান ছেড়ে যাওয়ার জন্য তার পাসপোর্ট ব্যবহারের কোনো রেকর্ড নেই।
বৃহস্পতিবার রয়টার্স জানিয়েছে, ঘসনের মামলার বিচারকার্য ২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত পিছিয়ে নেয়া হয়েছে। এটা জানতে পারার পরই জাপান ছেড়ে পালান তিনি।
এদিকে, ঘসনকে গ্রেপ্তার করতে ‘রেড নোটিশ’ জারি করেছে ইন্টারপোল। বিশ্বজুড়ে প্রত্যর্পণ, আত্মসমর্পণ থেকে পালিয়ে বেড়ানো অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে এ ধরণের নোটিশ জারি করা হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইন্টারপোলের নোটিশ পেয়েছে লেবানন কর্তৃপক্ষ। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি তারা। এ ছাড়া, জাপানের সঙ্গে লেবাননের প্রত্যর্পণ বিষয়ক কোনো চুক্তিও নেই।
লেবানন, ব্রাজিল ও ফ্রান্সের নাগরিকত্ব রয়েছে ঘসনের। লেবাননের রিয়েল এস্টেট ও ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছেন তিনি। সব বিবেচনায়, লেবানন তাকে জাপানে ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে, ফ্রান্স জানিয়েছে, ঘসন সেখানে গেলে তাকে জাপানের কাছে হস্তান্তর করা হবে না।
আমাদের পরিচয় কী? RSS অফিস পর্যন্ত মিছিল শহরের রূপান্তরকামী, যৌনকর্মীদের
লোকসমাজ ডেস্ক॥ পাচার হয়েছেন সেই কোন ছোট বয়সে। হাতবদল হতে হতে এখন শহরের এক যৌনপল্লিতে ঠাঁই হয়েছে সরস্বতীর (নাম পরিবর্তিত)। বহু কষ্টে আধার, ভোটার কার্ডটা তৈরি করেছিলেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলে দিয়েছেন, নাগরিকত্ব প্রমাণে ভোটার, আধার কার্ড চলবে না। বেঁচে থাকাটাই যেখানে চ্যালেঞ্জ, সেখানে আলাদা পরিচয়পত্র জোটাবেন কোত্থেকে, ভেবেই ঘুম উড়েছে তাঁর।
পরিচয়পত্রে নামের পাশে লিঙ্গ পরিচিতি একজন পুরুষের। কিন্তু পরিচয়পত্রধারী এখন পরেন সালোয়ার বা শাড়ি। রূপান্তরকামী সনিয়ারও ঘুম উড়েছে নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণের কথা ভেবেই।
সে দুর্ভাবনা বুকে চেপেই শুক্রবার সমাজ সংস্কারক, শিক্ষাবিদ সাবিত্রীবাঈ ফুলের ১৮৯তম জন্মবার্ষিকীতে নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে এই প্রথম একজোট হয়ে গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পথে নামলেন সমাজের প্রান্তিক শ্রেণির মহিলা, রূপান্তরকামী, ক্যুয়েররা। প্রসঙ্গত, সাবিত্রীবাঈ লিঙ্গ এবং জাতিবৈষম্যের বিরুদ্ধেই তাঁর প্রতিবাদ গড়ে তুলেছিলেন। শুক্রবার শহিদ মিনার থেকে উত্তরে আরএসএসের সদর দপ্তর কেশব ভবন পর্যন্ত সিএএ-এনআরসি, ট্রান্সজেন্ডার বিল-সহ একাধিক দাবিতে মিছিল করলেন শহরের প্রান্তিক মহিলা, কুয়্যের, রূপান্তরকামীরাও। উত্তরে বিডন স্ট্রিটে পৌঁছতেই মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। দুপক্ষ সেখানে কিছুটা তরজাতেও জড়ান বলে অভিযোগ।
মিছিলের অন্যতম আহ্বায়ক নারীবাদী সংগঠন মৈত্রীর তরফে সমাজকর্মী রত্নাবলি রায় বলেন, ‘নাগরিকত্ব বিলে প্রান্তিক এই মানুষগুলির কথা বলা হয়নি। যাঁরা ছোটবেলায় পাচার হয়েছেন কিংবা যাঁদের জীবনের অনেকটা সময় কাটছে মানসিক হাসপাতালের ভিতরে, তাঁরা কী ভাবে নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণ করবেন? শুক্রবারের তাই রাজপথে নামলেন তাঁরা।’
শুক্রবারের মিছিলে পা মেলালেন রাজ্যে যৌনকর্মীদের সংগঠন দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির সদস্যরাও। দুর্বারের সম্পাদক কাজল বোস বলেন, ‘আমাদের অনেক মেয়েকেই ঘর ছাড়তে হয়েছে বাধ্য হয়ে। কেউ বাড়ির পথ ভুলেছেন। কারও জন্য আবার বাড়িতে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অনেকেরই কোনও কাগজ নেই। কিছু মেয়েকে আমরা অনেক চেষ্টা করে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড বানিয়ে দিয়েছি। এখন সরকার যদি বলে সেগুলিও নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, তা হলে আমরা যাব কোথায়?’ শুক্রবারের মিছিলে দুর্বারের সদস্য রূপান্তরকামীরাও যোগ দেন বলে জানিয়েছেন কাজল। ‘আমাদের মতো প্রন্তিক মানুষদের ভোট নিয়ে তো মোদী সরকারে এসেছেন। তা হলে আমাদের নাগরিকত্বের প্রামাণ্য হিসেবে বিবেচিত হবে না কেন সেই কাগজ? আমরা এই বৈষম্যের প্রতিবাদ পথে নেমে করছি এবং ভবিষ্যতেও করব,’ ঘোষণা কাজলের।
অসমে প্রায় ২০০০ রূপান্তরকামীর নাম এনআরসির তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে ইতিমধ্যেই। নাগরিকত্ব বিলের পরবর্তী সময়ে দেশজুড়ে এনআরসি লাগু হওয়ার সম্ভাবনায় তাই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন রূপান্তরকামীরাও। এলজিবিটিকিউআই সম্প্রদায়ের সদস্য এবং গবেষক অভিনব বলেন, ‘কত রূপান্তরকামী পরিবারের অত্যাচারে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আসে, তাঁরা কোথায় কাগজ পাবেন? আমরা তাঁদের সবার কথা বলতেই পথে নামছি।’ কলকাতা ছাড়াও এ দিন পথে নামলেন দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, রাঁচি, মুম্বইয়ের প্রান্তিকরাও।
লিবিয়ায় সেনা মোতায়েন করবে তুরস্ক, ট্রাম্পের হুশিয়ারি
লোকসমাজ ডেস্ক॥ লিবিয়ার গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করতে সেখানে সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিয়ে বিল পাস হয়েছে তুর্কি পার্লামেন্টে। বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টে ৩২৫ ভোট পেয়ে অনুমোদিত হয় বিলটি। এর বিপক্ষে ভোট দেন ১৮৪ জন। লিবিয়ার জাতিসংঘ স্বীকৃত সরকারের মিত্র দেশ তুরস্ক। ত্রিপলি-ভিত্তিক ওই সরকার বর্তমানে দেশটির পূর্বাঞ্চলে জেনারেল খলিফা হাফতার নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সঙ্গে গৃহযুদ্ধে লিপ্ত। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
এদিকে, মার্কিন গণমাধ্যম পলিটিকো জানিয়েছে, তুর্কি পার্লামেন্টে বিল পাসের কয়েক ঘণ্টা পর লিবিয়া নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যিপ এরদোয়ান। হোয়াইট হাউজের বরাত দিয়ে পলিটিকো জানিয়েছে, এরদোগানকে লিবিয়ায় হস্তক্ষেপের ব্যাপারে সতর্ক করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, লিবিয়ায় বিদেশি হস্তক্ষেপ সেখানকার পরিস্থিতি আরো জটিল করে তুলবে।
এ ছাড়া, তুরস্কের সিদ্ধান্তের প্রতি তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মিসর। বলেছে, এতে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতায় বিরূপ প্রভাব পড়বে। উল্লেখ্য, মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসির সরকার জেনারেল হাফতারের সমর্থক।
লিবিয়া সরকারের এক অনুরোধের পর গত সপ্তাহেই সেখানে সামরিক সহায়তা প্রদানের ব্যাপারে পার্লামেন্টের অনুমোদন চাওয়ার ঘোষণা দেন। বৃহস্পতিবার বিরোধী দলের কোনো সমর্থন ছাড়াই বড় ব্যবধানে বিলটি পাস করাতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। তার নেতৃত্বাধীন একে পার্টি পার্লামেন্টে একচ্ছত্র সংখ্যাগরিষ্ঠতার দখলদার।
পাস হওয়া বিল অনুসারে, লিবিয়া সরকারকে ‘নন-কমব্যাট’ বা সরাসরি শারীরিকভাবে লড়াইয়ে অংশ নেবে না এমন সামরিক সহায়তা প্রদান করবে তুরস্ক। এসব সহায়তার মধ্যে রয়েছে, উপদেষ্টা পাঠানো, হাফতারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সরকারি বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রশিক্ষক পাঠানো ইত্যাদি।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই বিলের মাধ্যমে লিবিয়ায় তুরস্কের অংশগ্রহণ আরো গভীর হবে। এতে হাফতার বাহিনীর সমর্থক দেশেগুলোর সঙ্গে তুরস্কের সরকারের উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে। মিসর, জর্ডান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও রাশিয়া হাফতারকে সমর্থন করে।
তুর্কি ভাইস-প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকতায় বিলটি নিয়ে বলেন, ‘এর মেয়াদ থাকবে এক বছর।’ তবে এর আওতায় লিবিয়ায় কী পরিমাণ সামরিক সহায়তা প্রদান করা হবে সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি। জানান, এই বিল হাফতার বাহিনীকে একটি রাজনৈতিক সংকেত পাঠাবে। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও প্রস্তুত।’
তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসগলু টুইট করেছেন, ‘বিলটি লিবিয়ায় আমাদের স্বার্থ রক্ষা এবং অঞ্চলটির শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে ৪২ বছর ধরে লিবিয়া শাসন করা মুয়াম্মর গাদ্দাফির পতন হয়। এরপর থেকেই দেশটিতে গৃহযুদ্ধ লেগে আছে। দেশটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই কোনো অংশের কাছেই। সর্বশেষ সংঘাতের শুরু হয় গত বছরের এপ্রিল থেকে। ত্রিপলি দখলের উদ্দেশ্যে সেখানে হামলা চালানো শুরু করে জেনারেল হাফতার। কিন্তু এখনো ব্যর্থ তিনি। সম্প্রতি রাজধানী দখলে চূড়ান্ত লড়াই শুরুর ঘোষনা দিয়েছেন জেনারেল। ত্রিপলি ভিত্তিক সরকারটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ফয়েজ আল-সিরাজ।
এদিকে, তুরস্কের বিলটির তীব্র সমালোচনা করেছে মিসর। লিবিয়ায় সেনা মোতায়েনের পরিণতি নিয়ে তুরস্ককে সতর্ক করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, লিবিয়ায় তুরস্কের সামরিক হস্তক্ষেপের পরিণতি নিয়ে সতর্ক করছে মিসর। এমন হস্তক্ষেপ ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মিসরের প্রেসিডেন্ট সিরি লিবিয়ায়া বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একটি বৈঠকও ডাকেন।
সাতরঙা বিরিয়ানি খেলেও বাড়বে না ওজন!
লোকসমাজ ডেস্ক॥ এমন মানুষ বোধ হয় খুব কমই আছেন, যে বিরিয়ানি পছন্দ করেন না! অনেক ধরণের বিরিয়ানি তো খেয়েছেন, এবার তবে স্বাদ নিন সাতরঙা বিরিয়ানির। অসাধারণ স্বাদের সাতরঙা বিরিয়ানির স্বাদ বাড়িতেই পেতে জেনে নিন রেসিপি-
উপকরণ: বাসমতি চাল দেড় কাপ, (গাজর, মটরশুটি, ক্যাপসিকাম, ব্রোকলি, শিম, বিটরুট, মিষ্টি কুমড়া) টুকরা করে নেয়া ২ কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, টকদই আধা কাপ, এলাচ ৩ টি, দারুচিনি ২ টুকরা, স্টার অ্যানিস ১ টি, পুদিনা পাতা ১০ থেকে ১২ টি, কাজুবাদাম বাটা ২ টেবিল চামচ, পেস্তা বাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ বাটা ২ টেবিল চামচ, জর্দ্দার রং আধা চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, কেওড়া জল ২ চা চামচ, লবণ স্বাদ মতো, ঘি ৪ টেবিল চামচ, তেল ২ টেবিল চামচ।
প্রণালী: চুলায় প্যান বসিয়ে পানিয়ে এলাচ, দারুচিনি, স্টার অ্যানিস দিয়ে ফুটিয়ে নিন। পানি ফুটে উঠলে বাসমতী চাল দিয়ে ৮০ শতাংশ রান্না করে নিন। এবার মাটির পাত্রে সমস্ত সবজি ঢেলে দিন। হলুদ গুঁড়া, দই, পেস্তা, মরিচ গুঁড়া, কেওড়া জল, জর্দ্দার রং, পুদিনা পাতা, পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার আগে থেকে রান্না করে রাখা ভাত, ভাজা পেঁয়াজ এবং গরম মশলার গুঁড়া উপরে দিয়ে দিন। পাত্রটি চুলার অল্প আঁচে ভালোভাবে ঢেকে রান্না করুন। নামিয়ে সাবধানে একপাশ থেকে উঠিয়ে পরিবেশন করুন। সাতরঙা এই বিরিয়ানির স্বাদ আর গন্ধে মন ভুলান প্রিয়জনের।
শীতে জমবে মোগলাই পরোটা
লোকসমাজ ডেস্ক॥ শীতের সন্ধ্যায় চায়ের সঙ্গে মোগলাই পরোটা আমাদের সবারই পছন্দের একটি খাবার। কিন্তু বাড়িতে খুব কমই করা হয়। কারণ অনেকেই বলেন রেস্টুরেন্টের মতো মজার হয় না খেতে, কিন্তু এবার থেকে হবে।
খুব সহজে তৈরি করা যায়, এমন পারফেক্ট রেসিপি জেনে নিন:
উপকরণ
ময়দা- দুই কাপ, তেল- তিন চা চামচ, কাঁচামরিচ কুচি- এক চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি- দুই চা চামচ, ডিম- তিনটি, লবণ ও পানি পরিমাণমতো, ভাজার জন্য তেল।
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে ময়দা, লবণ ও তেল একসাথে মিশিয়ে হালকা গরম পানি দিয়ে মেখে আধাঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন।
পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, ডিম ও লবণ একসঙ্গে ফেটে নিন।
এবার পিঁড়িতে তেল মেখে বানানো খামির পরিমাণ ময়দা নিয়ে রুটি বেলে নিন। রুটির মাঝে ফেটানো ডিম ছড়িয়ে দিয়ে চার পাশ ভাঁজ করে নিন।
ভাঁজটা এমন হতে হবে যেন ভেতরের ডিম বাইরে বেরিয়ে না আসে। এবার মাঝারি আঁচে একটা ছড়ানো ফ্রাই প্যানে ডুবোতেলে সাবধানে পরোটা বাদামি করে ভেজে নিতে নিন।
ছুরি দিয়ে কেটে পছন্দের সালাদ বা সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন মোগলাই পরোটা।
হাড়ের ক্ষয়রোধে যাদুর মতো কাজ করে ‘ধনেপাতা’
লোকসমাজ ডেস্ক॥ তরকারি কিংবা সালাদের সঙ্গে ধনেপাতা খেয়েছেন নিশ্চয়! এর সুন্দর গন্ধ খাবারের স্বাদ আরো দিগুণ বাড়িয়ে দেয়। তবে শুধু খাবারের সৌন্দর্য বা স্বাদ বাড়াতেই নয়, এর রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতাও।
ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারি খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ, ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন কে-র জোগান দেয় এই পাতা। দেরি না করে চলুন তবে জেনে নেয়া যাক এর স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো-
> ধনেপাতা অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যেকোনো চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
> ধনেপাতা খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমে যায়, ভালো কোলেস্টরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে হৃদরোগের ঝুকি কমে যায়।
> ধনেপাতা শরীর ঠান্ডা রাখে।
> হাড় মজবুত করতে ধনেপাতার গুণ অপরিসীম। এটি হাড়ের ক্ষয়রোধ করে এবং হাড়কে মজবুত করে।
> ধনেপাতা পেট ফাঁপা ও পাকস্থলির বিভিন্ন সমস্যা দূর করে হজমশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।
> চুলের পড়া রোধ করে ধনে পাতা।
> ধনে পাতায় রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফসফরাস ও ক্লোরিন। তাই প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে ধনে পাতা দারুন ভূমিকা পালন করে। ত্বক সুস্থ ও সতেজ রাখতে ধনে পাতার উপকারিতা অনেক।
> ধনে পাতায় থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টিইনফেকসাস, ডিটক্সিফাইং উপাদান, ভিটামিন ‘সি’ এবং আয়রন গুটিবসন্ত প্রতিকার এবং প্রতিরোধ করে।
নতুন স্মার্টওয়াচ আনল শাওমি
লোকসমাজ ডেস্ক॥ নতুন স্মার্টওয়াচ আনল শাওমি। মডেল মি ওয়াচ কালার। এই স্মার্টওয়াচে রয়েছে একটি বৃত্তাকার ডায়াল। এতে ১.৩৯ ইঞ্চির বৃত্তাকার ডিসপ্লে দেয়া হয়েছে। থাকছে ১০ টি ট্র্যাকিং মোড। ওয়াচটির মাধ্যমে স্ট্রেস ও স্লিপ মনিটর করা যাবে। এটি অনবরত হার্ট রেট মনিটর করে যাবে। এক চার্জে চলবে ১৪ দিন।
সম্প্রতি চীনের এক সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইটে মি ওয়াচ কালারের ডিজাইন ও বিভিন্ন রঙ প্রকাশ করেছে শাওমি। যদিও এক স্মার্টওয়াচের স্পেসিফিকেশন, ব্যাটারি ও ডিসপ্লে সম্পর্কে কোন তথ্য সামনে আসেনি। যদিও নতুন স্মার্টওয়াচের থাকছে হার্টরেট সেন্সর, ফিটনেস ট্র্যাকিং, স্লিপ ট্র্যাকিং, কলিং আর নোটিফিকেশন সাপোর্ট।
স্মার্টওয়াচে থাকছে কিউআর কোড পেমেন্ট সাপোর্ট। টিজারে প্রকাশিত ছবি থেকে জানা গিয়েছে কালো, সোনালী ও রুপালি রঙে পাওয়া যাবে এই স্মার্টওয়াচ। থাকছে সিলিকন, লেদার অথবা মেটাল স্ট্র্যাপ।
চীনের বাজারে মি ওয়াচ কালারের দাম ৭৯৯ ইয়েন।
স্মার্টফোনে পর্নো দেখায় ভারত শীর্ষে
লোকসমাজ ডেস্ক॥ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে বাড়ছে পর্নো দর্শকের সংখ্যাও। সম্প্রতি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের একটি বিনোদনের সাইট এ নিয়ে তথ্য প্রকাশ করেছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে মোবাইল ডিভাইস থেকে ৮৯ শতাংশ ব্যবহারকারী পর্নো দেখেছেন, যা ২০১৭ সালের তুলনায় ৩ শতাংশ বেশি।
বৈশ্বিক পর্যায়ে মোবাইল ডিভাইস থেকে প্রতি চারজনের অন্তত তিনজনই প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের বিনোদনের সাইটে ঢোকেন। এ ক্ষেত্রে ডেস্কটপ ও ল্যাপটপের মতো ডিভাইসগুলো এখন পিছিয়ে পড়েছে।
প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের ওই সাইটের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর তাদের সাইটে মোবাইল ডিভাইস থেকে আসা দর্শকের সংখ্যা ৭৭ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ২০১৮ সালের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। কনটেন্ট দেখার ক্ষেত্রে ভারতের পরই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেখান থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের জনপ্রিয় ওই সাইটটিতে ঢোকার হার ৮১ শতাংশ। এরপর রয়েছে ব্রাজিল। এ ছাড়া জাপান ও যুক্তরাজ্যের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা গত বছর ওই সাইটে ঢুকেছেন।
২০১৩ সালে পর্নোগ্রাফির সাইটে দর্শক ঢোকার হার ছিল মাত্র ৪০ শতাংশ। সাইটটির বার্ষিক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, মোবাইল ডিভাইস থেকে এ ধরনের সাইটে ঢোকার ট্রেন্ড তৈরি হয়ে গেছে।
ভারতে মূলত কম দামের স্মার্টফোনের ব্যবহার বৃদ্ধি ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেটের ফলে ব্যবহারকারীরা এসব কনটেন্টের দিকে ঝুঁকছেন। ভারতে ৪৫ কোটির ওপর ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছেন। দেশটিতে এখন প্রতি মাসে গড়ে ৯.৮ জিবি ডেটা ব্যবহার করছেন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা। ২০২৪ সাল নাগাদ এর হার দ্বিগুণ হবে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
মোবাইল অ্যানালাইটিকস সাইট অ্যাপ অ্যানির তথ্য অনুযায়ী, গত বছরে শীর্ষ ডাউনলোড হওয়া ১০০ অ্যাপের মধ্যে কোনো পর্নোগ্রাফি অ্যাপ নেই। অর্থাৎ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা এখনো ব্রাউজার থেকে ওই ধরনের সাইটে ঢোকেন। অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন অ্যান্ড্রয়েড ওএস। তথ্যসূত্র: আইএএনএস
ডিম সবজির চিতই পিঠা
লোকসমাজ ডেস্ক॥ পিঠা খেতে সবাই পছন্দ করে। তবে শীতকালে পিঠা খেতে দারুন মজা। সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তায় ডিম সবজির চিতই পিঠা সবার কাছে খুব পরিচিত। তবে কখনো ডিম সবজির চিতই পিঠার স্বাদ নিয়েছেন কি? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক রেসিপি-
উপকরণ: আতপ চালের গুঁড়া ২৫০ গ্রাম, কর্ণফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ, ময়দা ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, ডিম ৪টি, বরবটি কুঁচি করা ১ কাপ, গাজর কুঁচি করা ১ কাপ, কাঁচা মরিচ কুঁচি ২ চা চামচ, পেঁয়াজ কুঁচি আধা কাপ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, ধনেপাতা কুঁচি ৩ টেবিল চামচ, পুদিনা পাতা কুঁচি ১ চা চামচ, পানি পরিমাণ মতো।
প্রণালী: আতপ চালের গুঁড়া, কর্ণফ্লাওয়ার আর ময়দা ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর সামান্য পানি দিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। আবার এর মধ্যে ডিম ৪টি ভেঙে মিশিয়ে নিন। ডিমগুলো ভালো করে হাত দিয়ে মেশান যেন কোনো প্রকার গুটি গুটি না থাকে এবং ভেজানো চালের গুঁড়ার সঙ্গে খুব ভালোভাবে মিশে যায়।
তারপর এর মধ্যে একে একে বরবটি, গাজর কুঁচি, পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচামরিচ কুঁচি, আদা বাটা, রসুন বাটা, ধনেপাতা কুঁচি, পুদিনা পাতা কুঁচি, স্বাদমতো লবণ দিয়ে মাখিয়ে নিন। চুলায় মাটির পাতিল গরম হতে দিন। গরম হয়ে এলে একটি কাপড়ে তেল লাগিয়ে তা দিয়ে পাতিলে তেল মাখিয়ে নিন।
এবার চামচের সাহায্যে মিশ্রণটি দিয়ে দিন এবং একটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। এসময় চুলার আঁচ মৃদু থেকে একটু বেশি থাকবে। এভাবেই একটি একটি করে বানিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ডিম সবজির চিতই পিঠা।










