সিনিয়র স্টাফ নার্স আনোয়ারা খাতুনের মৃত্যুতে চিকিৎসকের অসদাচরণ সংক্রান্ত তদন্ত স্থগিত

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সাবেক সিনিয়র স্টাফ নার্স ও নার্সিং সুপারভাইজার আনোয়ারা খাতুনের (৬৫) মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকের অসদাচরণ বিষয়ে পূর্ব নির্ধারিত তদন্ত কার্যক্রম গতকাল স্থগিত হয়েছে।

নিরপেক্ষ তদন্তে আস্থার সংকটের কথা উলে¬খ করে আনোয়ারার পরিবারের পক্ষ থেকে দরখাস্ত করা হয় এবং তদন্ত টিম বাতিল করে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানানো হয়। এরপর তদন্ত কমিটির সভাপতি অর্থোপেডিক বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মো. আব্দুর রশিদ, সদস্য সচিব আরএমও ডা. হাবিবা সিদ্দীকা ফোয়ারা, মেডিসিন বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. মধুসূদন মন্ডল, ভারপ্রাপ্ত আরএমও ডা. আ ন ম বজলুর রশিদ টুলু ও বিভাগের ইনচার্জ ডা. বিচিত্র মলি¬ক ৫ সদস্যের টিম তত্ত্বাবধায়ক ও ভারপ্রাপ্ত আরএমও’র কার্যালয়ে বসে মিটিং করেন। এরপর তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত আরএমও ডা. আ ন ম বজলুর রশিদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আনোয়ারা খাতুন ছিলেন সিস্টার, তিনি আমাদের লোক। আবার ডা. হাসিব মোহাম্মদ আলী হাসান তিনি আমাদের হাসপাতালের ডাক্তার, আমাদের লোক। এখন তারা তদন্ত কমিটিকে পছন্দ করছে না। কাজেই যে তদন্তের কথা ছিল তা হচ্ছে না।

উল্লেখ্য গত ৪ এপ্রিল সকালে অসুস্থতাজনিত কারণে নার্সিং সুপারভাইজার আনোয়ারা খাতুনকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এদিন রাতে আনোয়ারা খাতুন মারা যান।

সিনিয়র স্টাফ নার্স আনোয়ারা খাতুনের অবদানের মূল্যায়ন না করেই ওইদিন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনোয়ারা খাতুনকে ভর্তি করার সময় কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার হাসিব মোহাম্মদ আলী হাসান রোগীর লোকজনের সাথে দুর্ব্যবহার করেন।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় নার্স নেত্রী আনোয়ারা খাতুনের মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে ডা. আলী হাসানের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ পত্র জমা দেওয়া হয়। এরপর গঠন করা হয় ৫ সদস্যের তদন্ত টিম। তদন্ত টিম গঠনের পর ওই টিমের কতিপয় সদস্যদের প্রতি পরিবারের সদস্যরা ফের অভিযোগ দেয়।