শার্শায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর, ৭ কর্মী আহত

0

শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা ॥ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যশোর শার্শার কায়বা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তফা হাসান আহম্মেদ টিংকুর কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলতাফ হোসেনের আনারস প্রতীকের নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুরসহ ৭ কর্মীকে পিটিয়ে আহতের অভিযোগ করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলতাফ হোসেনের পক্ষ থেকে শার্শা থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন-রাড়িপুকুর গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে সোহেল হোসেন (২৮) ও একোব্বার খাঁ’র ছেলে হাবিবুর রহমান সজিব (১৭), কবির উদ্দিন, (৪৮), মনিরুল ইসলাম মনির (৪৫) ও মিঠু (২০)।
আলতাফ হোসেন অভিযোগ করেন, গত শনিবার রাতে নৌকা প্রার্থীর কর্মী মিল্টন, সাগর, হানিফ, বোরহান, জসিম, সজিব, আমিরুল, জাহাঙ্গীর, কাজল, মিঠু, রুবেলসহ ২০/২৫ জন কায়বা ইউনিয়নের রুদ্রপুর, দিঘা, চালিতাবাড়িয়া, কায়বা, পাড়ের কায়বা মহিষা, বায়কোলাসহ বিভিন্ন গ্রামে তার আনারস প্রতীকের নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায়। এসময় তার ৭ জন কর্মীকে পিটিয়ে আহত করা হয়। তিনি জানান, নৌকায় ভোট দিতে সাধারণ ভোটারদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। ভয় দেখানো হচ্ছে কেন্দ্রে গেলে তাদের সামনে নৌকায় ভোট দিতে হবে। যে কারণে ভোটাররা কেন্দ্রে যেতে ভয় পাচ্ছেন। আলতাফ হোসেন বলেন, তার বিজয় নিশ্চিত জেনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নানা ষড়যন্ত্র করছেন। তার কর্মীদের মারপিট করা হচ্ছে। তিনি কায়বা ইউনিয়নে অস্ত্রধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের নির্বাচনের আগে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তফা হাসান আহম্মেদ টিংকু বলেন, ‘আমার কোন লোক স্বতন্ত্র প্রার্থী আলতাফের অফিসে ভাঙচুর বা অগ্নিসংযোগ করেনি। রাত একটার দিকে একজন লোক মোটরসাইকেলে এসে আনারস প্রতীকের অফিসে আগুন দিয়ে পালিয়ে গেছে। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সঠিক নয়। বরং আমার এক কর্মীকে তারা মারপিট করেছে।’ এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শার্শা থানা পুলিশের ওসি বদরুল আলম খান জানান, ‘স্বতন্ত্র প্রাথীর পক্ষে অভিযোগ পেয়েছি। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অভিযোগ তদন্ত করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’