শার্শায় পাওনা টাকার দাবিতে মৃত ব্যবসায়ীর স্ত্রী ও সন্তানদের বিরুদ্ধে মামলা

0

 

শার্শা(যশোর)সংবাদদাতা॥ যশোরের শার্শায় মৃত স্বামীর ব্যবসায়ীক দেনা পরিশোধ করতে না পারায় স্ত্রীসহ ৪ সন্তানের নামে পাওনা টাকা পেতে মানিস্যুট মামলা করেছেন জামাল হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী। যশোর জেলা জজ ১ নম্বর আদালত তিনি মামলাটি করেন। মামলার বাদী ব্যবসায়ী জামাল হোসেন। তিনি শার্শার বসতপুর গ্রামের মৃত দুদ মিয়ার ছেলে। আসামিরা হলেন শার্শার নাভারণ বাজারের ফিলিং স্টেশন ব্যবসায়ী মৃত গোলাম কিবরিয়া মনুর স্ত্রী ও চার সন্তান আল ফাইয়াজ কিবরিয়া, ফারদিন কিবরিয়া, ফাহামি কিবরিয়া ও তনিমা তাসনুভা।
ব্যবসায়ী জামাল হোসেনের লিখিত অভিযোগ ও মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ব্যবসায়ী জামাল হোসেন দীর্ঘ দিন ধরে শার্শার বাগআঁচড়া বসতপুর এলাকায় মুদি ব্যবসা,বেকারি ব্যবসা, রড সিমেন্ট, ড্রাম ট্রাক প্রভৃতির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। সেই সুবাদে ব্যবসায়ী জামাল হোসেনের সাথে নাভারণ বাজারের ফিলিং স্টেশন ব্যবসায়ী গোলাম কিবরিয়া মনুর সাথে বন্ধুত্ব হয়। এক পর্যায় গোলাম কিবরিয়া মনু অসুবিধায় পড়লে জামাল হোসেনের কাছ থেকে ধার হিসেবে টাকা নেন। গোলাম কিবরিয়া প্রথমে এক কোটি বত্রিশ লাখ টাকা ও পরে এক কোটি ৪০ লাখ উনিশ হাজার টাকা ও আরও তিন লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। গোলাম কিবরিয়া মনু ব্যবসায়ী জামাল হোসেনের নিকট থেকে মোট ২ কোটি ঊনষত্তর লাখ পঁচাত্তর হাজার টাকা গ্রহণ করেন।
লেনদেনের এক পর্যায়ে ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে গোলাম কিবরিয়া মনু স্ট্রোক করে ইন্তিকাল করেন। গোলাম কিবরিয়া মনুর মৃতুর পর জামাল হোসেন গোলাম কিবরিয়া মনুর স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে তার পাওনা টাকা দাবি করে। গোলাম কিবরিয়া মনুর স্ত্রী ও সন্তানরা জামাল হোসেনকে জানান তারা কোন টাকা দিতে পারবেন না।
জামাল হোসেনর জানান, মৃত গোলাম কিবরিয়া মনু চারটি ফিলিং স্টেশন, নাভারণ, যশোর, খুলনা ও ঢাকাতে প্রায় ৫০ কোটি টাকার ভূসম্পদ রেখে গেলেও তার ওয়ারেশরা তার দেনা পরিশোধ করতে অস্বীকার করছেন।
এ ব্যাপারে জানার জন্য আসামিদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের কাউকে শার্শা ও নাভারণ এলাকায় পাওয়া যায়নি।