যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কে খানানাখন্দে ভোগান্তি

0

 

বাগআঁচড়া (যশোর) সংবাদদাতা॥যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের বাগুড়ী- কিসমত ইলিশপুর অংশের সড়কে বিভিন্ন জায়গা থেকে পিচ উঠে গিয়ে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। সড়কজুড়ে ছোট বড়-মাঝারি বিভিন্ন আকারের গর্ত। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে এসব খানাখন্দে পানি জমেছে। গাড়ি চলাচলের সময় কর্দমাক্ত বালি-পাথর মিশ্রিত জমে থাকা পানি ছিটে নষ্ট হচ্ছে পথচারীদের পোষাক এবং দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। আহত হয়েছেন অনেকেই। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ছোট-বড় যাত্রীবাহী গাড়ির যন্ত্রাংশ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শার্শা উপজেলার বাগুড়ী ডা. মশিউর রহমান মহিলা ডিগ্রি কলেজের সামনে থেকে শুরু করে কিসমত ইলিশপুর পর্যন্ত প্রায় অর্ধ কিলোমিটার জুড়ে সড়কের বিভিন্ন জায়গা থেকে পিচ উঠে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক।
পরিবহনচালক কামাল হোসেন ও কামরুল ইসলাম জানান, পদ্মা সেতু হওয়ার পর দ্রুত সময়ে যাত্রী পৌঁছে দিতে হচ্ছে। কিন্তু সড়ক এভাবে ভাঙার কারণে গাড়ি চালাতে বেগ পেতে হয়। এতে সময় নষ্ট ও গাড়ির যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার শঙ্কাও বেশি থাকে।
কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক জানান, গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সড়কে গর্ত হয়েছে। যা দূর থেকে বোঝা যাচ্ছে না। এতে অপরিচিত কয়েকজন চালক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আহতও হয়েছেন।
ইজিবাইকচালক জাহাঙ্গীর হোসেন ও আশরাফুল ইসলাম জানান, সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে যান চলাচলে চরম ভোগান্তি হচ্ছে। খানাখন্দে গাড়ির চাকা আটকে যায়। যার কারণে স্বাভাবিকভাবে গাড়ি চালানো সম্ভব হচ্ছে না। গাড়ির যন্ত্রাংশের চরম ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, প্রতিনিয়তই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে এ সড়কে। এ অবস্থায় শিগগিরই সড়কটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।
যশোর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ জানান, বিষয়টি আমরা নজরে নিয়েছি। বৃষ্টির কারণে সড়কের কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। বৃষ্টি থেমে গেলে শিগগিরই ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার করে স্বাভাবিক যান চলাচলের উপযোগী করা হবে বলে তিনি জানান।