যশোর বোর্ডের এইচএসসি ইংরেজি ২য় পত্রের বহিস্কার ৮, অনুপস্থিত ৩৪২৯

0
ছবি: সংগৃহীত।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রেকর্ডসংখ্যক পরীক্ষার্থী বহিষ্কার ও অনুপস্থিতির মধ্য দিয়ে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৮ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একদিনে ৪জনের বেশি বহিস্কারের ঘটনা নেই।

একদিন অনুপস্থিত শিক্ষর্থীর সংখ্যা ইংরেজি প্রথমপত্রের চেয়ে কমেছে। এ সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৪২৯ জন পরীক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৩ দশমিক ০৬ শতাংশ। বোর্ড কর্তৃপক্ষ বিপুলসংখ্যক পরীক্ষার্থীর এই বহিষ্কার ও অনুপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শাখা সূত্রে জানা গেছে, এদিন বোর্ডের আওতাধীন ১০ জেলার ২৪০টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ১২ হাজার ১৮৯ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৮ হাজার ৭৬০ জন এবং অনুপস্থিত ছিল ৩ হাজার ৪২৯ জন। শতাংশের হিসাবে অনুপস্থিতির হার ৩.০৬।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, গত বছর বা চলতি বছরের পরীক্ষাগুলোর মধ্যে একদিনে এত বেশিসংখ্যক পরীক্ষার্থী বহিষ্কারের ঘটনা এটাই প্রথম।

বোর্ড সূত্র আরও জানায়, ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও নড়াইল-এই ৬ জেলায় মোট ৮ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। এর মধ্যে সাতক্ষীরা ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় ২ জন করে এবং বাকি জেলাগুলোতে ১ জন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছে।

বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর ও কেন্দ্রের তালিকা: খুলনা জেলা (রাড়ুলি-৩৮৪ কেন্দ্র): রোল নম্বর ৬৬৯৩১৮, বাগেরহাট জেলা (মোরেলগঞ্জ-২৩৬ কেন্দ্র): রোল নম্বর ৬০৪২৬৩, সাতক্ষীরা জেলা: রোল নম্বর ৮১১২৯ এবং ৫১৯৭৯৫, কুষ্টিয়া জেলা (কুমারখালী-২৮৭ কেন্দ্র): রোল নম্বর ৬৫১৪৩৬, মেহেরপুর-২৯৬ ও বামন্দী-৪০৭ কেন্দ্র): রোল নম্বর ৩৬৩৮৪২ এবং ৬৪৮৩৮৭, নড়াইল জেলা (লোহাগড়া-৩২২ কেন্দ্র): রোল নম্বর ৬৬৬৩৩৭।

এদিকে জেলাভিত্তিক অনুপস্থিতির হারে সবচেয়ে শীর্ষে রয়েছে মাগুরা জেলা। এই জেলায় অনুপস্থিতির হার ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫০ জন।

অন্যদিকে সবচেয়ে কম অনুপস্থিতির হার যশোর জেলায়, যা ২ দশমিক ৫১ শতাংশ; তবে সংখ্যার দিক থেকে এই জেলায় সর্বোচ্চ ৪৭৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম হোসেন আলী এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই পরীক্ষার ফলাফলের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।