যশোরে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন-নবী খান সোহেল দেশে আন্দোলনের দাবানল শুরু হয়ে গেছে আওয়ামী লীগ পালাবার পথ খুঁজে পাবে না

0

 

মাসুদ রানা বাবু ॥ যশোর জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন-নবী খান সোহেল বলেছেন, নিশি রাতের ভোট চোর সরকারের বিরুদ্ধে জনগণ ফুঁসে উঠেছে। দেশে আন্দোলনের দাবানল শুরু হয়ে গেছে। জনগণের সেই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ পালাবার পথ খুঁজে পাবে না। শ্রীলংকার সরকারের মত বাংলাদেশের জনগণও আওয়ামী লীগ সরকারকে এই রকম দৃশ্য পটে নিয়ে যাবে। সে দিন খুব বেশি দূরে নয়। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াসহ দেশের সিনিয়র নাগরিকদের নামে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসম্মানজনক বক্তব্য ও হত্যার হুমকির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। সমাবেশে হাবিব উন-নবী সোহেল আরও বলেন, নিশি রাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন না। চোর, ডাকাত,হেলমেট বাহিনী, গোন্ডা মাস্তানদের প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি জনগণের অভিভাবক নন , সাবরিনা,পাপিয়া, হাজী সেলিম, জিকে শামীম,নিজাম হাজারি,শামীম ওসমান ,পিকে হালদারদের অভিভাবক। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, পদ্মা সেতুর ওপর থেকে উনি কাকে ফেলে দেবেন। বেগম খালেদা জিয়া কোনো সাধারণ নারী নন, তিনি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং আপোষহীন নেত্রী। যার স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঋণ উনি কখনো শোধ করতে পারবেন না। কারণ শহীদ জিয়া সেদিন শেখ হাসিনাকে রাজনীতি করার অধিকার দিয়েছিলন। শেখ হাসিনা জাতির সামনে বারংবার নিজেকে বেঈমান হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। হাবিব উন-নবী খান সোহেল বলেন, আওয়ামী লীগ উন্নয়নের নামে এক মুরগি দশবার জবাই করে। তারা মেগা প্রকল্পের নামে, মেগা লুটপাট করে বেগমপাড়া উন্নয়ন করছে। তাদের উন্নয়নের নামের লুটপাটের টাকা চলে যাচ্ছে সুইস ব্যাংকে। জনগণের টাকার পদ্মা সেতু,কেন অধিক পরিমাণে টোল দিতে হবে। শ্রীলংকার মন্ত্রী, এমপিদের গায়ে কাপড় ছিল,দেশের জনগণ আওয়ামী লীগের অবৈধ মন্ত্রী এমপিদের গায়ে সেটিও রাখবে না । জনগণ তাদের সেই অবস্থা অচিরেই করে ছাড়বে।
বিক্ষোভ সমাবেশে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম বলেন,দেশে আন্দোলনের মশাল জ্বলছে। সেই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ জলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে। জনগণের আন্দোলনের কাফেলা থামানোর সাহস কারও নেই । এই আন্দোলনে কতৃত্ববাদী সরকারের পতন অনিবার্য। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যুগ্ম-আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুস সালাম আজাদ, আলহাজ্ব মিজানুর রহমান খাঁন, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নূর-উন-নবী, যুগ্ম-আহ্বায়ক কাজী আজম, মণিরামপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম, অভয়নগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক কাজী গোলাম হায়দার ডাবলু, জেলা যুবদলের সভাপতি এম তমাল আহমেদ, জেলা মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদিকা বীরমুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী বেগম, জেলা শ্রমিকদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু জাফর, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আমির ফয়সাল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিদুর রহমান সাগর প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশ পরিচালনা করেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাড. হাজী আনিছুর রহমান মুকুল ও নগর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু।