যশোরের ৬টি আসনে ১৮ জনের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ৬টি আসনে ১৮ জনের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করেছে জেলা রিটানিং অফিসার। রোববার ৪৬ প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই বাছাই শেষে তাদের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
তালিকায় যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ, চৌগাছা আওয়ামী লীগ নেতা এসএম হাবিবসহ দলটির বেশ কয়েকজন মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
এর মধ্যে যশোর-১ (শার্শা) আসনে ৩জন, যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ২জন, যশোর-৩ (সদর) আসনে ৬জন, যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর- বসুন্দিয়া) আসনে ১জন, যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে ৪জন ও যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে ২জন রয়েছেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যশোরের ৬টি আসন থেকে ৪৬জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত ৬জন, জাতীয় পার্টি মনোনীত ৬জন, জাকের পার্টির ৬জন, তৃণমূল বিএনপির ৩জন, ইসলামী ঐক্যজোটের ২জন, বিএনএম পার্টির ২জন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের একজন, বিএনএফের একজন, বিকল্পধারার একজন, খেলাফত আন্দোলনের একজন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির একজন এবং স্বতন্ত্র ১৬জন। গত ১ ডিসেম্বর থেকে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হয়। গতকাল যাচাইবাছাই শেষে ১৮জনের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তারা হলেন, যশোর-১ (শার্শা) আসনে জাতীয় পার্টির আক্তারুজ্জামান, স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহরাব হোসেন ও নাজমুল হাসান। যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা এস এম হাবিবুর রহমান, বিএনএফের শামসুল হক। যশোর-৩ (সদর) আসনে খেলাফত মজলিসের মোহাম্মাদ তৌহিদুজ্জামান, তৃণমূল বিএনপির মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান, জাকের পার্টির মোহাম্মাদ মহিবুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ, বিএনএম পার্টির শেখ নূরুজ্জামান। যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর-বসুন্দিয়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা সন্তোষ অধিকারী। যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে জাকের পার্টির হাবিবুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আমজাদ হোসেন লাবলু, হুমায়ন সুলতান সাদাব, কামরুল হাসান বারী এবং যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন মোহাম্মাদ ইসলাম ও মো. আজিজুল ইসলাম।
জেলা রিটানিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আবরাউল হাছান মজুমদার জানান, এক শতাংশ ভোটারের সই না থাকা, বকেয়া বিদ্যুৎ বিল বাকি ও আয়করের কাগজপত্রের ত্রুটির কারণে ১৮প্রার্থীর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে তারা এ বিষয়ে আপিল করতে পারবেন।