মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে নীলগঞ্জ মহাশ্মশানে ২৪ প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ শুরু

0
ছবি: লোকসমাজ।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নীলগঞ্জ মহাশ্মশান মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ২৪ প্রহরব্যাপী শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন আনুষ্ঠানিকতার সাথে শুরু হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় মহাশ্মশান মন্দির প্রাঙ্গণে এক ভাবগম্ভীর পরিবেশে মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলন করে এই উৎসবের শুভ উদ্বোধন করা হয়। নীলগঞ্জ মহাশ্মশান কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরো মন্দির প্রাঙ্গণে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলন করে মহানামযজ্ঞের শুভ উদ্বোধন করেন যশোর রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমের সহকারী সম্পাদক স্বামী আত্মবিভানন্দজী মহারাজ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এবং সভাপতিত্ব করেন নীলগঞ্জ মহাশ্মশান কমিটির সভাপতি অধ্যাপক অলক কুমার ঘোষ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, যশোর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি ও নীলগঞ্জ মহাশ্মশান কমিটির উপদেষ্টা অসীম কুণ্ডু, যশোর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মৃণাল কান্তি দে এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও জেলা কমিটির সদস্য সচিব নির্মল কুমার বিট। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গীতাপাঠ করেন সনাতন সংঘ যশোর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অখিল চক্রবর্তী।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীশ্রী রূপ সনাতন ধাম সম্পাদক অচিন্ত্য লীলাদাস ব্রহ্মচারী, নীলগঞ্জ মহাশ্মশান কমিটির উপদেষ্টা বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব শ্যামল দাস, সাধারণ সম্পাদক সনৎ কুমার সাহা, যুগ্ম সম্পাদক উজ্জ্বল বিশ্বাস, বিশ্বজিৎ হালদার, কোষাধ্যক্ষ রাধাকান্ত বিশ্বাস, প্রচার সম্পাদক শ্যামল পাল, দপ্তর সম্পাদক অশোক সাহা, নির্বাহী সদস্য লালু হালদার, দেবব্রত অধিকারী, সুমন ঘোষ, প্রদীপ মোহন্ত এবং সুকুমার বিশ্বাস প্রমুখ। ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সহ-সভাপতি দীপক কুমার রায়।

নীলগঞ্জ মহাশ্মশান কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত সকল ভক্তবৃন্দকে স্বাগত জানানো হয় এবং অনুষ্ঠানটি সুন্দর ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। আগামী দিনগুলোতেও উৎসব প্রাঙ্গণে ধর্মীয় আলোচনা, লীলা কীর্তন ও মহাপ্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে আগামী ৬ জুলাই এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।