বোরো আবাদে আগ্রহ বাড়লেও মৌসুমে খরচ বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত কয়রার কৃষকেরা

0

কয়রা (খুলনা) সংবাদদাতা ॥ কয়রায় এ সময় কেউ বীজতলা প্রস্তত করছেন,আবার কেউবা জমিতে চারা রোপণের কাজ সম্পন্ন করেছেন। এবার বোরো চাষিরা আমনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে আশা করছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চাষিরা আমনের ভালো ফলন পাননি।
কৃষকদের বোরো আবাদে আগ্রহ বাড়লেও ডিজেল-বীজ-সার-শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধিতে উৎপাদন খরচ জোগাড়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। পুরো মৌসুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত তারা। কয়রা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ৫৮৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের টার্গেট রয়েছে ।
হুদুবুনিয়া পশ্চিম বিলের কৃষক মোস্তফা গাজী বলেন, তিনি প্রতিবছর বোর আবাদ করেন। এ বছরও দুই বিঘা জমিতে ধান রোপণ করেছেন। কুশোডাংগা বিলের কৃষক আছাদুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর তিনি বোরা আবাদ করেন। এবার ধান লাগিয়েছেন ৩ বিঘা জমিতে । তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এখানে ইউনিয়ন কৃষি অফিসার কোনসময় আসে না। মাঝে মধ্যে তিনি আসলে আমরা তার কাছ থেকে পরমর্শ নিতে পারতাম।’
মাদারবাড়িয়া বিলের কৃষক শওকত সরদার,বাবুল গাজী ও সাতহালিয়া বিলের কৃষক মোখলেছুর রহমান বলেন, ডিজেল, সার, বীজ ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধিতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন।
সরজমিনে দেখা গেছে ,মাঠের পর মাঠ পানিতে থৈ থৈ করছে। কৃষক ভূগর্ভের পানি স্যালোমেশিন দিয়ে উঠিয়ে জমিতে দিচ্ছেন। এই পানি দেওয়ার পর কেউ কেউ চাষ শুরু করেছেন।
কয়রা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বোরো মৌসুমের শুরু থেকেই কৃষকরা প্রচ- পরিশ্রম করছে । বোরো চাষে এবার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৫৮৫০ হেক্টর । ইতোমধ্যে ২৫০০ জন বোরো চাষিকে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। কৃষকের পাশে থেকে বীজতলাসহ ধান রোপণে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে