বেনাপোল বন্দরে দীর্ঘ দিন রাখা রাসায়নিক পণ্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে

0

কামাল হোসেন, বেনাপোল ॥ বেনাপোল স্থলবন্দরের শেডে বছরের পর বছর ধরে পড়ে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ রাসায়নিক পণ্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করেছে। সঠিক তত্ত্বাবধান ও সংরক্ষিত ব্যবস্থা না থাকায় এ ঝুঁকি বাড়ছে।

ব্যবসায়ীরা বলেন, পুরনো কেমিক্যালের কারণে অগ্নি ও বিস্ফোরণের ঝুঁকি, বায়ু দূষণ ও শ্বাসতন্ত্রের রোগ, মাটি ও পানি দূষণ এবং ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া কোন দুর্ঘটনা ঘটলে শেড ও পণ্যের মারাত্মক ক্ষতি হবে।

এই পরিস্থিতিতে বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) ও উপসচিব শামীম হোসেন ১৭ ডিসেম্বর সাতটি নির্দেশনা জারি করেন। নির্দেশনায় মেয়াদোত্তীর্ণ ও পরিত্যক্ত কেমিক্যাল দ্রুত অপসারণ, স্টোরেজ নীতিমালা ও সেফটি ডাটাশিট অনুসরণ, অপ্রয়োজনীয় প্রবেশ বন্ধ, রান্নার জন্যে নির্দিষ্ট এলাকা নির্ধারণ, টহল টিম গঠন ও ফায়ার শাখার নিয়মিত তদারকি নিশ্চিতের কথা বলা হয়।

বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, শেডগুলোতে জমে থাকা পুরনো কেমিক্যাল অগ্নিঝুঁকি ও নিরাপত্তার জন্যে বড় হুমকি। ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও সচেতনতা ও নিয়মিত তদারকি অপরিহার্য।

ব্যবসায়ী ভুট্টো আহমেদ বলেন, পুরানো কেমিক্যাল দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এজন্যে অপ্রয়োজনীয় কেমিক্যাল দ্রুত অপসারণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনা জরুরি। আমরা বন্দরের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। অপর ব্যবসায়ী রোহান হোসেনের মন্তব্য, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার হলেও শেডের অগ্নিঝুঁকি এখনও বিদ্যমান। ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিরাপদ রাখতে নিয়মিত তদারকি ও সতর্কতা অপরিহার্য।

বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, নতুন নির্দেশনা কার্যকর হলে কেমিক্যাল শেডের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে। বন্দরের নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক পরিবেশও উন্নত হবে।