বারবাজার চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ গ্রেফতার না হওয়ায় আতঙ্কে ইউনিয়নবাসী

0

শিপলু জামান,কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) ॥ কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এক আতঙ্কের নাম। চিহ্নিত মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী এই চেয়ারম্যান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেপরোয়া ছিলেন।
জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট উপজেলা বিএনপি অফিস পোড়ানো, ৫ আগস্টের আগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর আক্রমণ, ২০১৬ সালে শিবির কর্মী শামিম ও আবুজর গিফারি হত্যা মামলাসহ আবুল কালাম আজাদের নামে ৫টি মামলা রয়েছে কালীগঞ্জ থানা ও ঝিনাইদহ আদালতে । তিনি ও তার ক্যাডার বাহিনীর উজ্জল হোসেন, সুমন হোসেন ও ফরহাদ হোসেন ৫ আগস্টের পর গা ঢাকা দিয়েছেন। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, আবুল কালাম চেয়ারম্যান আটক না হওয়ায় তারা আতঙ্কে রয়েছেন। ওই চেয়ারম্যানকে দ্রুত আটকেরও দাবি জানান তারা।
২০১৬ সালের ২৭ অক্টোবর কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারের নিজ অফিস থেকে দুটি তাজা বোমা, ১২০ বোতল ফেনসিডিল ও ২৫০ পিস ইয়াবাসহ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ও তার বড় ভাই আব্দুস সালাম এবং তার সহযোগী উজ্জল হোসেন, সুমন হোসেন, ও ফরহাদ হোসেনকে আটক করে ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা।
পরের দিন ২৮ অক্টোবর ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর তৎকালীন ডিএডি মো. জহুরুল ইসলাম বাদী হয়ে বারোবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে প্রধান আসামি করে মোট ৫ জনের নাম উল্লেখসহ মাদক ও বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করেন। এর ৪ দিন পর ২ নভেম্বর কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারে চেয়ারম্যানের বাড়িতে আরেকটি অভিযান চালায় র‌্যাব। সেখান থেকে ১ টি দেশীয় রিভলবার, ৪ টি শাটার গান, ৩ হাজার বোতল ফেনসিডিল ও ৫ শ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। অভিযানকালে ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই সোহেল রানা, সোহান ও জামাল নামের অপর এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।
কালীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আবু আজিফ জানান, মামলার নথিভুক্ত আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে ।