ট্রাক্টরে প্রাণ গেল শিশুর

0

 

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা॥ অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের মাটিবাহী চলন্ত ট্রাক্টরের চাকায় প্রাণ গেল শিশু সামিউল ইসলামের (৬)। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে পুকুর সংস্কারের সময় মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে মাটিবাহী দ্রুতগতির ট্রাক্টরের চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে শিশুটি নিহত হয়। ঘটনাটি সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটে।কিন্তু একই উপজেলার যাদবপুর গ্রামের ট্রাক্টরের মালিক ও চালককে পুলিশ আটক করতে পারেনি। তবে স্থানীয় ইউপি সদস্য দাবি করেছেন পুলিশ ও স্থানীয় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এটার একটা সমাধান হয়ে গেছে।
নিহত সামিউল ইসলাম আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের মাঠপাড়ার আইনাল হকের ছেলে।
হারদী ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মুনছুর আলী বলেন, কেশবপুর গ্রামের বাহাজ মালিতার ছেলে হিন চাঁদের পুকুর কাটা চলছে। ওই পুকুর কেটে দেওয়ার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ওই গ্রামের মঞ্জিল, শহিদুল ও সেলিম। পুকুর কাটার পর উদ্বৃত্ত মাটি অবৈধভাবে বিক্রি করেন তারা তিনজন। মাটি বহনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল অবৈধ ট্রাক্টর। ঘটনার সময় চলন্ত ট্রাক্টরটির চালক মাটি ভর্তি করে দ্রুতগতির ট্রাক্টরটি পুকুরের ভেতর থেকে রাস্তায় ওঠানোর সময় সামিউল চাকার নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এদিন বাদ আছর ছেলেটির মরদেহ দাফন করা হয় বলে তিনি জানান।
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ গনি মিয়া জানান, এ দুর্ঘটনার পর ট্রাক্টর ও চালককে আটকের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এখনো আটক করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ পুলিশ ট্রাক্টর এবং তার চালককে আটক করার চেষ্টা করেনি।
আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাস বলেন, নতুন পুকুর খনন ও পুরনো পুকুর সংস্কারের ক্ষেত্রে উপজেলা প্রশাসনের কাছে অনুমোদন নিতে হয়। কিন্তু এ পুকুরটি পুরনো। সংস্কারের জন্যে এ পুকুরের মালিক উপজেলা প্রশাসন থেকে কোন অনুমোদন নেননি। ছেলেটি মারা যাওয়ার পর আমি যতদূর জেনেছি পুকুরের মালিক তাদের নিকট আত্মীয়।