চৌগাছায় লেপতোষক কারিগরদের কাটছে ব্যস্ত সময়

0

এম এ রহিম চৌগাছা (যশোর)॥ যশোরের চৌগাছায় লেপতোষক কারিগরদের কাটছে ব্যস্ত সময়। শীতের আগমনে লেপতোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। শীত জেঁকে বসার আগেই আগাম প্রস্তুতি হিসেবে লেপতোষক বানাতে ক্রেতারাও ভিড় করছেন লেপতোষকের দোকানগুলোতে। আবার অনেকেই আসছেন পুরনো লেপতোষক মেরামত করাতে। ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা তিন দিন অতিবৃষ্টি শেষে উত্তরের হিমেল হাওয়া বইতে শুরু করেছে। সেই সেই সাথে শীত শুরু হয়েছে। উপজেলার পাশাপোল, ধুলিয়ানী, সলুয়া, নিমতলা, চৌগাছা পৌর শহর, পাতিবিলা, হাকিমপুর ও পুড়াপাড়াসহ বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে প্রায় অর্ধশত লেপতোষকের দোকান দেখা গেছে এ সব দোকানে অর্ডারের লেপতোষকের পাশাপাশি তৈরি করে রাখা লেপতোষকও বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে। আর দোকান মালিক-কারিগররা সবাই ব্যস্ত সময় পার করছেন। তুলার মান ও আকার ভেদে এসব দোকানে বিভিন্ন দামের লেপতোষক বিক্রি হচ্ছে।
এ সময় চৌগাছা বাজারে পুরাতন লেপ ও তোষক মেরামত করতে আসা ঝিনাইকুন্ড গ্রামের তহমিনা বেগত অভিযোগ করে বলেন, অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও শীত জেঁকে বসার আগেই দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে দাম যাই হোক, প্রয়োজন তাই কিনতে তো হবেই। চৌগাছা শহরের লেপতোষক ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান বলেন, বছরের বেশির ভাগ সময়ই তাদের অলস সময় কাটাতে হয়। শুধুমাত্র শীতের চার মাস লেপতোষক কারিগর ও দোকানিদের ব্যস্ততা থাকে। করোনা পরিস্থিতির কারণে গত বছর শীতের সময় আমারা খুব অসহায় অবস্থায় দিন পার করেছেন। এক প্রকার দোকানই খুলতে পারেননি। আর গত বছরের করোনার প্রভাবে এবারে শীতের লেপতোষকের চাহিদা কম। তাই ক্রেতাদের উপস্থিতি এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক নয়। তা ছাড়া উপজেলার সব এলাকায় এখনো ছোট-বড়লেপতোষকে দোকান রয়েছে। আর শীত জেঁকে না বসায় লেপতোষকের চাহিদা এখনো খুব বেশি নয়। লেপতোষকের কারিগর সোহাগ হোসেন বলেন, সারা বছর আমাদের অলস সময় কাটলেও শীতের আগমনে কাজ বেড়েছে তাই ব্যস্ত সময় কাটছে।