চৌগাছায় যুবদল নেতা ঝন্টু মিয়া হত্যা মামলার আসামি গোপালগঞ্জে গ্রেফতার

0
ছবি: সংগৃহীত।

স্টাফ রিপোর্টার, চৌগাছা (যশোর) ॥ চৌগাছা উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের মাড়ুয়া গ্রামের আলোচিত যুবদল নেতা ঝন্টু মিয়া হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি আবু ওবাইদাকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। এ সময় তার স্বীকারোক্তিতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়।

হত্যাকান্ডের প্রায় দুই সপ্তাহ পর পুলিশ মামলার একজন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হলো। শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত হত্যা মামলার সব আসামি হত্যাকান্ড ঘটিয়ে গা ঢাকা দেয়। মামলার পরপরই পুলিশ আসামি গ্রেফতারে ছিলো ব্যাপক তৎপর। কিন্তু তারা ঘনঘন স্থান পরিবর্তন করায় তাদেও গ্রেফতারে বেশ বেগ পেতে হয়। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে প্রযুক্তির সহযোগিতায় চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঢাকা রেঞ্জের গোপালগঞ্জ জেলা হতে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

গ্রেফতারকৃত আবু ওবাইদা দক্ষিণসাগর গ্রামের মৃত দাউদ মুন্সির ছেলে। ওই রাতেই আসামির স্বীকারোক্তিতে দক্ষিণসাগর গ্রাম থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করে পুলিশ।

এদিকে হত্যাকান্ডের পর কোনো আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ দেখা দেয় নিহতের স্বজনসহ এলাকাবাসীর মধ্যে।

নিহতের চাচা বিল্লাল হোসেন বলেন, খুনিরা পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইপো ঝন্টুকে হত্যা করেছে। চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ আসামি গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তার স্বীকারোক্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে আসামিকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

গত ১৯ মে সন্ধ্যারাতে বাড়ির অদূরে দক্ষিণসাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বন্ধুদের সাথে গল্প করছিলেন যুবদল নেতা ঝন্টু মিয়া। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সেখানে আবু ওবাইদাসহ অন্যরা উপস্থিত হয়ে ঝন্টু ও তার ভাই আশানুর রহমানকে ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে।

স্থানীয়রা আহদের উদ্ধার করে চৌগাছা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক ঝন্টুকে মৃত ঘোষণা করেন। আশানুরকে মুমূর্ষু অবস্থায় যশোরে রেফার করেন। এই ঘটনার একদিন পর নিহত ঝন্টুর পিতা শফিয়ার রহমান চৌগাছা থানায় হত্যা মামলা করেন।