কয়রায় মেয়ের আত্মহত্যার প্ররোচনাকারীর শাস্তি দাবি পিতার

0

কয়রা(খুলনা)সংবাদদাতা॥ কয়রায় প্ররোচিত করে আত্মহত্যার ঘটনা চাপা দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার দেয়াড়া গ্রামের সুরাত মোড়লের ছেলে মেহেদী হাসান।
সোমবার সকালে কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি জানান,আমার স্কুল পড়ুযা কন্যা হালিমা খাতুনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে কয়রা গ্রামের রাসেল হোসেন নামের এক যুবক। বিষযটি জানতে পেরে আমি ওই যুবকের পিতা দিদারুলের সাথে উভয়পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেই। এরপর তারা আমার কাছে টাকা দাবি করেন। আমি অপারগতা প্রকাশ করে আমার মেয়েকে নাকনা গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে বিয়ে দেই। বিয়ের পর থেকে রাসেলসহ আরও ২/৩ আমার মেয়েকে ঘর সংসার করতে দেবেনা বলে নানাভাবে মোবাইলের মাধ্যমে হুমকি অব্যাহত রাখে। আমার মেয়েকে তার স্বামীর কাছ থেকে ফিরে এসে রাসেলের সংসার করতে একাধিকবার প্রস্তাব দেয়। তাতে সে রাজি না হলে এক পর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার মেয়ের সাথে রাসেলের আগের তোলা ছবি ও গোপন ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। আমার মেয়ে তাকে হয়রানি না করতে রাসেলসহ তাদের পরিবারের লোকজনদের কাছে অনুরোধ জানায়। তাতেও তারা ক্ষ্যান্ত হয়নি। অবশেষে আমার মেয়ে মানসম্মান রক্ষায় রাসেলের সাথে মোবাইলে কথা বলা অবস্থায় গত ৭ নভেম্বর আমার বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। বিষয়টি তারা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি প্ররোচনাকারীদের গ্রেফতারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।