কেশবপুরে ২৭ বিলের পানি নিষ্কাশনে স্বেচ্ছাশ্রমে কচুরিপানা অপসারণ

0
ছবি: সংগৃহীত।

স্টাফ রিপোর্টার, কেশবপুর (যশোর)॥ কেশবপুরের ২৭ বিলের পানি নিষ্কাশনে বিঘ্ন হওয়ায় এলাকাবাসী বিলখুকশিয়ার ৮ ব্যাণ্ড স্লুইস গেটের সামনে হরি নদীতে স্বেচ্ছাশ্রমে কচুরিপানা অপসারণ করেছে। সহজে যেনো পানি অপসারিত হতে পারে এ জন্যেই কয়েক গ্রামের মানুষ এ কাজে অংশ নেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার দূর্বাডাঙ্গা, হরিনা, শ্যামনগর, আসাননগর, কুশখালি, গড়ভাঙ্গা, বেলকাটি, সাগরদত্তকাটি, মাদারডাঙ্গা,পাঁজিয়া, বেতিখোলা, নারায়নপুর, কলাগাছি ও কালিচরণপুর বুধবার এলাকার শত শত মানুষ স্বেচ্ছায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিলখুকশিয়ার ৮ ব্যাণ্ডের সামনে প্রায় আধা কিলোমিটার পর্যন্ত শেওলা/কচুরিপানা থাকায় পানি বাধাগ্রস্ত হয়।

ফলে এ সব এলাকার মানুষের বাড়ি-ঘরে, উঠানে বাড়ির আশে পাশে এখনো পানি জমে রয়েছে। যে কারণে ৮ ব্যান্ডের আওতায় ২৭ বিল এলাকার শত শত মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে কচুরিপানা অপসারণ করেন। এ

সময় উপস্থিত ছিলেন কেশবপুরের পাঁজিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার মকবুল হোসেন মুকুল, মনিরামপুর উপজেলার দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলতাফ হোসেন, পাঁজিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম, সুফলাকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, কেশবপুর প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, শিক্ষক আদিত্য কুমার সরকার, শহিদুল ইসলাম শহিদ, আব্দুল গফুর, ও অজিয়ার বিশ্বাস প্রমুখ।