কেশবপুরে ইউপি নির্বাচনে সহিংস ঘটনায় আদালতে দুটি মামলা

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের কেশবপুরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে পৃথক সহিংস ঘটনায় মঙ্গলবার আদালতে ২টি মামলা হয়েছে। উপজেলার কন্দর্পপুর গ্রামের হাশেম আলী গোলদারের ছেলে শফিকুল ইসলাম ও শেখ আব্বাস আলীর ছেলে আমজানুর রহমান পৃথক এই মামলা দুটি করেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মাহাদী হাসান অভিযোগ দুটি আমলে নিয়ে এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার জন্য কেশবপুর থানা পুলিশের ওসিকে আদেশ দিয়েছেন।
শফিকুল ইসলামের দায়ের করা মামলার আসামিরা হলেন, উপজেলার মঙ্গলকোট গ্রামের আকরাম মোড়লের ছেলে আজিজুর রহমান, মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে শহিদুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর কাদের বিশ্বাসের ছেলে ইনজামুল বিশ্বাস, মৃত নওশের বিশ্বাসের ছেলে নুরোল ইসলাম, বড়েঙ্গা গ্রামের মৃত জাফর দাইয়ের ছেলে ছাত্তার দাই, কন্দর্পপুর গ্রামের শরিফুল মোড়লের ছেলে আব্দুল কুদ্দুস, আজিজ মোড়লের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক মোড়ল ও মজিবর সানার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান। মামলায় শফিকুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন, গত ২৭ ডিসেম্বর রাতে কেশবপুরের কন্দর্পপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আনারস মার্কার প্রার্থীর নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় অংশ নেন শফিকুল ইসলাম। সভা শেষে রাত ১১টার দিকে ফেরার পথে স্কুলের পূর্বপাশে পৌঁছালে আসামিরা আচমকা তার ওপর চড়াও হন। এ সময় তারা তাকে কুপিয়ে জখম করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এছাড়া পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় এবং তার ওপর হামলায় ব্যবত দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করে।
অপরদিকে আমজানুর রহমানের দায়ের করা মামলার আসামিরা হলেন, মঙ্গলকোট গ্রামের আহকাম মোড়লের ছেলে আজিজুর রহমান, আমজেদ হোসেনের ছেলে কামরুজ্জামান মিন্টু, ইলিয়াস হোসেন, কালো নুরোর ছেলে আতিয়ার রহমান, নজরুল ইসলামের ছেলে নাজমুল, বসুন্তিয়া গ্রামের আব্দুল জলিল গাজীর ছেলে মিন্টু গাজী, কন্দর্পপুর গ্রামের হাশেম মোড়লের ছেলে রুহোল আমিন ও মৃত আব্দুল তালেবের ছেলে আবু সাইদ। মামলায় আজমানুর রহমান উল্লেখ করেছেন, ৩০ ডিসেম্বর বিকেলে আসামিরা মঙ্গলকোট বাজারে আনারস মার্কার সমর্থকদের খুঁজে খুঁজে মারধর করছিলেন। এ সময় তিনি মসজিদে নামাজ আদায় করতে যাচ্ছিলেন। আসামিরা তাকে মসজিদের সামনে পেয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালান। বিষয়টি দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে তিনি চিকিৎসা গ্রহণ করেন।