কালীগঞ্জে গরু-ছাগলের মাংস বিক্রিতে মানা হয়না স্বাস্থ্যবিধি

0

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা॥ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গরু-ছাগলের মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ।
শহরের অলিতে-গলিতে যত্রতত্রভাবে মাংস বিক্রি হয় প্রতিনিয়ত ।মাংস বিক্রির পর ওই স্থানে শহরের কুকুরগুলো রাত্রীযাপন করে ।মাংস কাটার কাঠের গুঁড়িতে লেগে থাকা মাংস খেয়ে শুয়ে থাকে কুকুরগুলো।পশু জবাইয়ের আগে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার নিয়ম থাকলেও কালীগঞ্জের অনেক মাংস বিক্রেতা তা জানেনই না ।বাজারে পশু জবাই দেখভাল করা কর্মকর্তার উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি আছেন কাগজে-কলমে ।তাছাড়া শহরে নির্দিষ্ট কোন পশু জবাইয়ের কসাইখানা নেই ।ক্রেতারা কী খাচ্ছেন তারা নিজেরাই জানেন না ।
অভিযোগের ব্যাপারে নতুন বাজারের ছাগলের মাংস বিক্রেতা হাসান জানান ,তিনি বাড়ি থেকে ছাগল জবাই করে বাজারে এনে বিক্রি করেন।বাজারের নির্দিষ্ট স্থানে ছাগল জবাই বা স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না ।অরক্ষিত অবস্থায় দোকান রেখে রেখে যাওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন,এমন করা ঠিক হয়নি ।এটি দুঃখজনক। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না ।
শহরে মাংস কিনতে আসা শিবনগর গ্রামের শমসের আলী জানান ,অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রি হচ্ছে জেনেও কিনতে আসলাম ।এছাড়া উপায় কি ? কর্তৃপক্ষ এ ব্যপারে ব্যবস্থা না নিলে সারাদিন চিৎকার করেও কী লাভ হবে?
কালীগঞ্জ পৌরসভার সেনেটারি ইনেসপেক্টর আলমগীর কবির জানান ,অনেক সময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রি হয়ে থাকে ।আমরা সেটা নিয়মিতভাবে দেখার চেষ্টা করি ।শহরে কোন কসাইখানা নেই ।আমি তো কসাইখানা নির্মান করতে পারি না ।আপনি পৌর মেয়রের সাথে কথা বলেন ।
কালীগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম বলেন ,এটি দেখভাল করবে পৌরসভা ।এখানে আমাদের কোন এক্টিভিটিস নেই ।তবে পৌরসভার নিজস্ব জায়গা থাকলে আমারা প্রজেক্টের মাধ্যমে একটি ভাল কসাইখানা নির্মান করে দিতে পারি।এ ব্যাপারে আমি পৌর মেয়রের সাথে কথাও বলেছি ।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন,এটি তো পৌরসভার দায়িত্ব।আমি সেনেটারি ইনেসপেক্টরকে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে বলবো ।এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি না মেনে পশু জবাই ও বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব ।