কলারোয়া পিঠা উৎসব

0

কেএম আনিছুর রহমান,কলারোয়া(সাতক্ষীরা)॥গ্রাম বাংলার শীতের আলাদা ঐতিহ্য রয়েছে। আর দেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির অন্যতম উপাদান গ্রামীণ সংস্কৃতির পিঠাপুলি। শীত এলেই পিঠাপুলি খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। সেই পিঠাপুলির মধুর ঘ্রাণেই মুখরিত হলো সাতক্ষীরার কলারোয়া সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণ। বৃহস্পতিবার কলারোয়া সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রথমবারের মতো এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করে। কলেজে অধ্যয়নরত বিভিন্ন শ্রেণি ও বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে ৯টি স্টলে নানান ধরনের শীতকালীন ৩৮ প্রকারের পিঠা শোভা পায়।
এরমধ্যে ভাজা কুলি পিঠা, ফুল পিঠা, পাকান পিঠা, সুজির পিঠা, নকশী পিঠা, জামাই পিঠা, ভিজাফুল পিঠা, আতা পিঠা, কুমড়ো পিঠা, ডিম পিঠা, রসের পিঠা, ডালিয়া পিঠা, সবজি পিঠা, হৃদয় হরণ পিঠা, মোমো পিঠা, সন্দেশ পিঠা, সরু পিঠা, ছিটা রুটি , সাদা বিস্কুট পিঠা, দুধে ভেজানো তেলের পিঠা, দুধকলি পিঠা, মসুর ডালের পিঠা, মাছ পিঠা, ভাপাপিঠা, ছাঁচের পিঠা, দুধ পাকন পিঠা, গোলাপ পিঠা, সেমাই পিঠা, ঝাল পুলি পিঠা, ডালিয়া পাকন পিঠা, শুকনো বিস্কুট পিঠা, ডিম সুন্দরী পিঠা, ঝিনুক পিঠা, চিরুনি পিঠা, পুলি পিঠা, দুধপুলি, পাটিসাপটা, ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, জামাই পিঠা, গোকুল পিঠা, নারকেল পিঠা, রসের পিঠাসহ হরেক রকমের পিঠা শোভা পায়।
স্টলগুলোর নামও নজরকাড়া। যেমন- পৌষালি পার্বণ, হাও মাও খাও, পিঠাপ্রেমী, পিঠা বিলাস, লবঙ্গলতিকা, কাজললতা, রসব্যঞ্জন, পিঠা সরোবর প্রভৃতি। বাহারি পিঠা স্টলে উপচে পড়া ভিড় ও দর্শনার্থীদের আগ্রহ এক ভিন্ন মাত্রা পায়। সবমিলিয়ে পিঠা উৎসব এক প্রাণের মেলায় রূপ নেয়। লোকসংগীতের মুর্ছনার সঙ্গে বর্ণিল বেলুন আর শান্তির পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণা রায়।