ওয়ানডের অধিনায়কত্ব হারাচ্ছেন মিরাজ, দায়িত্ব পাচ্ছেন টি-টোয়েন্টির দলপতি লিটন

0
মিরাজকে (ডানে) সরিয়ে লিটনকে ওয়ানডের অধিনায়কত্ব দিতে যাচ্ছে বিসিবি।। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ জাতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব থেকে মেহেদী হাসান মিরাজকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সানের এক প্রতিবেদনে বোর্ডের একাধিক সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে, ওয়ানডেতে নতুন অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন টি-টোয়েন্টি দলের বর্তমান অধিনায়ক লিটন দাস।

সূত্রটি আরও জানায়, সাদা বলের দুই সংস্করণেই অর্থাৎ ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে তরুণ ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়কে সহ-অধিনায়ক করা হতে পারে। একই সঙ্গে টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে আগের মতোই দায়িত্বে বহাল থাকবেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এর মাধ্যমে বিসিবি তিন সংস্করণে তিনজন আলাদা অধিনায়ক রাখার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসছে।

আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও অনুমোদন দেওয়া হতে পারে।

শুরুতে ওয়ানডের দায়িত্ব আবারও শান্তকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবা হলেও, সীমিত ওভারের দুই সংস্করণে একজন অধিনায়ক রাখতেই শেষ পর্যন্ত একমত হয়েছে বোর্ড। সে অনুযায়ী টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটনের হাতেই ওয়ানডের ভার তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে শান্ত কেবল টেস্টে মনোযোগ দিতে পারেন।

অন্যদিকে, জিম্বাবুয়ে ও সম্প্রতি চট্টগ্রামের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নেতৃত্বের সাফল্য দেখানো তাওহিদ হৃদয়কে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য অধিনায়ক হিসেবে বিবেচনা করে সহ-অধিনায়কের পদ দেওয়া হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ জুন নাজমুল হোসেন শান্তর জায়গায় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক করা হয় মেহেদী হাসান মিরাজকে। এমনকি চলতি বছরের এপ্রিলেই তাঁর মেয়াদের সময়সীমা ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাড়িয়েছিল বিসিবি। তবে তাঁর অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে ব্যর্থ হয়। মিরাজের নেতৃত্বে দেশের বাইরে খেলে যাওয়া ১৩টি ওয়ানডের মধ্যে মাত্র দুটিতে জয় পায় বাংলাদেশ।

মিরাজ দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে এর আগে দেশে তিন সংস্করণে তিনজন আলাদা অধিনায়কের যে মডেল তৈরি হয়েছিল, তা থেকে দেড় বছরেরও কম সময়ের মধ্যে আবারও সরে আসল বিসিবি। এর আগে ২০২২ সালেও টেস্টে সাকিব আল হাসান, ওয়ানডেতে তামিম ইকবাল এবং টি-টোয়েন্টিতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আলাদা আলাদাভাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।