এনসিপি দলের নিজস্ব কোনো অস্তিত্ব নেই, তারা মূলত জামায়াতের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে : রাশেদ খান

0
ছবি: সংগৃহীত।

আসিফ কাজল, ঝিনাইদহ ॥ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এক দফা আন্দোলনের মূল প্রেক্ষাপট ও ভিত্তি তৈরি করেছিল এ দেশের সাধারণ জনগণ। এনসিপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন,তাদের নিজস্ব কোনো অস্তিত্ব নেই,তারা মূলত জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে।

শনিবার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মুরারীদহে ঐতিহাসিক ‘মিয়ার দালান’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ডাক বা এক দফার ঘোষণা প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, এক দফার ঘোষণা নাহিদ ইসলাম দিয়েছিলেন, এ কথা আমরা স্বীকার করি। তবে এই এক দফা আন্দোলনের মূল প্রেক্ষাপট ও ভিত্তি তৈরি করেছিল এ দেশের সাধারণ জনগণ।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, এনসিপির নেতারা এখন গণঅভ্যুত্থানের একক কৃতিত্ব দাবি করার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন।

তিনি বলেন, নাহিদ ইসলাম ও মাহফুজ আলম বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে নিজেদের এই গণঅভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। মূলত মাহফুজ আলমই নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন।

এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান ও সম্প্রতি দলটিতে ঘটা ভাঙন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ডা. তাসনিম জারাসহ গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল চিন্তার অনেক তরুণ নেতা এনসিপি ছেড়ে চলে গেছেন। কারণ দলটি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে গেছে। এনসিপির এখন নিজস্ব কোনো অস্তিত্ব নেই, তারা মূলত জামায়াতের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, একসময় এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম জামায়াতকে স্বাধীনতা বিরোধী এবং দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি বলে মন্তব্য করেছিলেন। অথচ সেই বক্তব্যের পর তারাই আবার জামায়াতের পকেটে বন্দি হয়েছেন। এনসিপির যেসব প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের যাবতীয় নির্বাচনী ব্যয় জামায়াতই বহন করেছে।

ঝিনাইদহের ঐতিহাসিক মিয়ার দালান পরিদর্শনকালে রাশেদ খানের সঙ্গে ঝিনাইদহ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাজিব হাসান, গণঅধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি প্রভাষক সাখাওয়াত হোসেন ও নেতা সুলাইমান হোসেনসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।