সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সাড়ে ৭ হাজার বন্দি: কূটনৈতিক সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন

0

শৈবাল রহমান: সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তাঁদের দণ্ডাদেশ সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশনকে অবহিত না করার ঘটনা প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং কূটনৈতিক তৎপরতা নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এর মধ্যেই দেশটির বিভিন্ন কারাগারে প্রায় সাড়ে সাত হাজার বাংলাদেশি বন্দি থাকার তথ্য প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। বিপুলসংখ্যক বন্দির আইনি সহায়তা, বিচারপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ এবং সম্ভাব্য দণ্ড লাঘবে বাংলাদেশের কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা কার্যকর, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে মৃত্যুদণ্ডের মতো চূড়ান্ত শাস্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নাগরিকের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে আগাম তথ্য সংগ্রহ, আইনজীবীর সহায়তা নিশ্চিত করা এবং কূটনৈতিক যোগাযোগের সুযোগ কতটা কাজে লাগানো হচ্ছে, তা নিয়ে জবাবদিহির প্রশ্ন সামনে এসেছে।

গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে নজরুল ইসলাম আব্দুল বশির ও সুইটি আক্তার নামে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। সৌদি কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে তাঁদের বিরুদ্ধে মক্কার একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কাজে’ জড়িত থাকার অভিযোগের কথা বলা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের নথিতে তাঁদের পৃথক অভিযোগে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া গেছে।

এই অসংগতি এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশকে অবহিত না করার বিষয়টি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও তথ্য প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের আগস্টে পৃথক অভিযোগে ওই দুই বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া বন্দিদের একটি তালিকায় তাঁদের নাম থাকলেও মৃত্যুদণ্ডের কোনো তথ্য উল্লেখ ছিল না।

ফলে প্রশ্ন উঠেছে, দীর্ঘ তিন বছরের বেশি সময় ধরে আটক থাকা এই দুই নাগরিকের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশন কতটা অবগত ছিল?
বন্দিদের তালিকায় নাম থাকার পর তাঁদের মামলার অগ্রগতি জানতে কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল? তাঁদের জন্য আইনজীবীর সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছিল কি না? মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি সম্পর্কে আগাম তথ্য সংগ্রহের কোনো সুযোগ ছিল কি না?

এসব প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ উত্তর এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
অবশ্য বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সৌদি কর্তৃপক্ষের দেওয়া তালিকায় দুই বাংলাদেশির দণ্ডাদেশের তথ্য ছিল না। তাঁদের পক্ষ থেকে কনস্যুলার সহায়তার আবেদনও পাওয়া যায়নি বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড ঠেকাতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ব্যর্থতা ছিল কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলার সুযোগ নেই। তবে বন্দিদের মামলার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের বিদ্যমান ব্যবস্থার কার্যকারিতা পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানার পর সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মামলার রায়ের অনুলিপি এবং বিচারপ্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্যও চাওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশ সরকার কিংবা সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশনকে বিষয়টি জানানো হয়নি।

তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রতিটি দেশের নিজস্ব বিচারব্যবস্থা রয়েছে। অন্য দেশের বিচারিক প্রক্রিয়ায় সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ না থাকলেও নিজ দেশের নাগরিকদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের রয়েছে।

তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানোর পাশাপাশি আগাম কূটনৈতিক যোগাযোগ ও বন্দিদের বিচারপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, সে প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সৌদির কারাগারে সাড়ে সাত হাজার বাংলাদেশি

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে বর্তমানে প্রায় সাত হাজার ৫০০ বাংলাদেশি বন্দি রয়েছেন।

বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশির কারাবন্দি থাকার এই তথ্য প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
তবে বন্দিদের মধ্যে কতজন বিচারাধীন, কতজন সাজাপ্রাপ্ত, কতজন গুরুতর অপরাধের অভিযোগে আটক এবং কতজনকে আইনি প্রক্রিয়ায় দেশে ফিরিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এ ছাড়া বন্দিদের মধ্যে কতজন নিয়মিত কনস্যুলার সহায়তা পাচ্ছেন, কতজনের আইনজীবী রয়েছে এবং কতজনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে, সে সম্পর্কেও হালনাগাদ তথ্য প্রয়োজন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, কোনো বাংলাদেশির সাজা হওয়ার তথ্য পাওয়া গেলে তাঁকে সহায়তার সম্ভাব্য পথ খুঁজে দেখার চেষ্টা করা হয়।

কিন্তু সাড়ে সাত হাজার বন্দির জন্য দূতাবাস ও কনস্যুলেটের জনবল, আইনি সহায়তা এবং মামলা পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা পর্যাপ্ত কি না, তা মূল্যায়ন করা জরুরি।

বিদেশে আটক কোনো বাংলাদেশির বিচারপ্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট দেশের আইনই প্রাধান্য পায়। ফলে বাংলাদেশ দূতাবাস চাইলেই কাউকে মুক্ত করতে কিংবা আদালতের দেওয়া সাজা বাতিল করতে পারে না।

তবে কনস্যুলার সহায়তার আওতায় আটক নাগরিকের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা, আইনজীবী নিয়োগে সহায়তা এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করার মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
প্রযোজ্য আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সংশ্লিষ্ট দেশের আইনি বিধান অনুযায়ী কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং তাঁদের আইনি পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার উদ্যোগও নিতে পারেন।

বিশেষ করে মৃত্যুদণ্ডের আশঙ্কা রয়েছে এমন মামলায় সময়মতো তথ্য সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির ক্ষেত্রে এসব সুযোগ কতটা ছিল এবং বাস্তবে কতটুকু কাজে লাগানো সম্ভব হয়েছিল, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

অন্য দেশের কূটনৈতিক উদ্যোগের সঙ্গে তুলনা
বিদেশে আটক নাগরিকদের মুক্তি কিংবা দেশে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক উদ্যোগের সঙ্গে বাংলাদেশের তৎপরতার তুলনাও আলোচনায় এসেছে।

বিশেষ করে শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের দেশে ফেরানোর উদ্যোগের প্রসঙ্গ তুলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর আইনি প্রেক্ষাপট, অপরাধের ধরন, বিচারিক অবস্থা এবং প্রত্যাবাসনের সুযোগ এক কি না, তা যাচাই ছাড়া সরাসরি তুলনা করা যথাযথ হবে না।

একই সঙ্গে বিদেশে আটক নাগরিকদের সুরক্ষায় বাংলাদেশ কী ধরনের নিয়মিত কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং সেসব উদ্যোগের ফলাফল কী, তা প্রকাশ করা হলে কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা সহজ হবে।

এদিকে সৌদি আরবে হামলায় নিহত বাংলাদেশি শ্রমিক মোহাম্মদ শাহেদ আহমেদের মরদেহ শুক্রবার সকালে দেশে পৌঁছেছে।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বিত উদ্যোগে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের পর এ পর্যন্ত আরও ১০ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। শাহেদ এ তালিকার ১১তম ব্যক্তি।
শাহেদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পরিবারটিকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দিতে বিনা মূল্যে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

শাহেদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সরকারের আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের একটি উদাহরণ। তবে প্রবাসীদের জীবিত অবস্থায় আইনি ও কূটনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়টিও সমান গুরুত্ব দাবি করে।
প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও অভিবাসন ব্যয়ের চ্যালেঞ্জ

সৌদি আরবে ৪০ লাখের বেশি বাংলাদেশি বসবাস করেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত থাকায় দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও মানবিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের গন্তব্য দেশের আইন ও বিধিবিধান সম্পর্কে আগে থেকেই জানার আহ্বান জানিয়েছেন শামা ওবায়েদ।

অভিবাসন ব্যয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দালালদের কারণে বিদেশগামী কর্মীদের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রবাসীদের নিরাপত্তা, আইনি সুরক্ষা এবং অভিবাসন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ—এই তিনটি বিষয় এখন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড এবং হাজারো নাগরিকের কারাবন্দি থাকার ঘটনায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর জানা প্রয়োজন।
প্রথমত, বিদেশে আটক বাংলাদেশিদের বিচারপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে দূতাবাসের নিয়মিত ও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা রয়েছে কি না।

দ্বিতীয়ত, মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে থাকা বন্দিদের শনাক্ত এবং তাঁদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থা চালু রয়েছে কি না।

তৃতীয়ত, সৌদি আরবের কারাগারে থাকা সাড়ে সাত হাজার বাংলাদেশির মধ্যে কতজন কনস্যুলার সহায়তা পাচ্ছেন এবং কতজনের মামলা সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারের কাছে হালনাগাদ তথ্য রয়েছে।

চতুর্থত, সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বন্দিবিনিময়, সাজা লাঘব কিংবা প্রত্যাবাসনের সুযোগ নিয়ে কী ধরনের আলোচনা চলছে।

পঞ্চমত, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তাঁদের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য না পাওয়ার কারণ অনুসন্ধানে বাংলাদেশ সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে।

এসব প্রশ্নের উত্তর প্রকাশ করা হলে দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সম্পর্কে জনসাধারণের স্পষ্ট ধারণা তৈরি হবে।

বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাঁদের নিরাপত্তা ও ন্যায়সংগত আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।

অন্য দেশের বিচারব্যবস্থায় সরাসরি হস্তক্ষেপের সীমাবদ্ধতা থাকলেও কূটনৈতিক যোগাযোগ, কনস্যুলার সহায়তা এবং বন্দিদের মামলার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের সুযোগ কার্যকরভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন।

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা সেই প্রয়োজনীয়তাই নতুন করে সামনে এনেছে।
শাহেদ আহমেদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ যেমন সরকারের সমন্বিত তৎপরতার উদাহরণ, তেমনি সাড়ে সাত হাজার কারাবন্দি বাংলাদেশির আইনি ভবিষ্যৎও সমান গুরুত্বের দাবি রাখে।

প্রবাসীদের সুরক্ষায় কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রকৃত কার্যকারিতা নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন স্বচ্ছ তথ্য, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং ফলাফলভিত্তিক জবাবদিহি। দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের ঘটনায় সেই জবাবদিহির প্রশ্ন এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।