রুবেল হোসেনকে বিদায়ী সম্মাননা দিল বিসিবি

মিরপুরে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচের আগে আবেগঘন মুহূর্ত

0

স্পোর্টস ডেস্ক॥ সদ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষনা দিয়েছেন বাংলাদেশের ডান-হাতি পেসার রুবেল হোসেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানো রুবেলকে গতকাল বিদায়ী সম্মাননা দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় ওয়ানডে শুরুর আগে রুবেলকে এই সম্মাননা দেয় বিসিবি। এসময় বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল, সদস্য রফিকুল ইসলাম বাবু, ফাহিম সিনহা ও প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী উপস্থিতি ছিলেন।
বড় এক ফ্রেমে বাঁধানো টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির জার্সি দেওয়া হয় রুবেলকে। তিনটি জার্সিতে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ম্যাচ-উইকেট-সেরা বোলিং ফিগার ও ইকোনমি রেট উল্লেখ করা ছিল। পাশাপাশি রুবেলের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
বিসিবির সম্মাননা গ্রহণের পর রুবেল বলেন, ‘আমি যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার অবসরের সিদ্ধান্ত জানাই, তখন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল আমাকে ফোন করে বলেন, ‘রুবেল তোকে আমরা সম্মানিত করতে চাই।’ যে বিষয়টা আমার কাছে খুবই গর্বের ও আনন্দের ছিল। আজ এত সুন্দর পরিবেশ তৈরি করেছে, এজন্য আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবালকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাই।’
পেসার হান্টের মাধ্যমে ক্রিকেট অঙ্গনে উঠে আসেন রুবেল। ক্যারিয়াওে এ পর্যন্ত আসার পেছনে স্থানীয় কোচ সরোয়ার ইমরানের বড় ভূমিকা রয়েছে বলে জানান তিনি, ‘একজর মানুষের নাম না বললেই নয়, আমার আজকে রুবেল হোসেন হওয়ার পেছনে যে মানুষটার অবদান সবচেয়ে বেশী, আমাকে পেসার হান্ট থেকে নিয়ে এসে যে আমাকে ওপরে ওঠার সিঁড়ি ধরিয়ে দিয়েছেন, তিনি আমার প্রিয় কোচ শ্রদ্ধেয় সারোয়ার ইমরান স্যার। স্যারের প্রতি আমি সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকব। স্যারের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
নিজের বক্তব্য শেষে ছেলেকে নিয়ে শেষবারের মতো ২২ গজের দিকে এগিয়ে যান রুবেল। উইকেট ছুঁঁয়ে চুমু খেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।
২০০৯ সালের জানুয়ারিতে মিরপুরে শ্রীলংকার বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় রুবেলের। একই বছরের জুন ও জুলাইয়ে টি-টোয়েন্টি ও টেস্টে পথচলা শুরু হয় তার।