চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অব্যাহত

0
তীব্র তাপদাহে চুয়াডাঙ্গা শহরে কমে গেছে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল।। ছবি: সংগৃহীত

রিফাত রহমান, চুয়াডাঙ্গা ॥ চুয়াডাঙ্গায় গ্রীষ্মের শুরতেই তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। গতকাল শনিবার ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন শুক্রবার চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান,চুয়াডাঙ্গায় শনিবার বেলা ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত শুক্রবার বেলা ৩টায় জেলায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই দিন বেলা ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত বুধবার দুপুর ১২টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আবহাওয়া কর্মকর্তা জানান।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তীব্র প্রখরতায় প্রচণ্ড গরম অনুভূত হচ্ছে। গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি। অসহনীয় তাপপ্রবাহের মধ্যে খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ। সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। দফায় দফায় বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে ঘরে টেকায় দায় হয়েছে সাধারণ মানুষের। এ রকম আবহাওয়ার কারণে গোটা জেলায় অস্বস্তি বিরাজ করছে।

দুপুরে শহরের কোর্ট এলাকার স্টেশনারি ব্যবসায়ী মো. মোমিন জানান, সকালের পর পরই রোদের প্রখরতার কারণে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। সে কারণে সকালে খোলা যাচ্ছে না। তাছাড়া দোকান খোলা হলেও ক্রেতার সংখ্যা কম হচ্ছে। ইজিবাইক চালক হাটকালুগঞ্জের খোকন মিয়া বলেন,কদিন আগেও সকাল থেকে ইজিবাইকে ভাড়া হতো। কিন্তু এখন ভাড়া অনেক কমে গেছে। গরমের কারণে রাস্তায় মানুষের জনসাধারণের চলাচল কমে গেছে।