পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের নির্দেশে মোংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেলে ভূমিদস্যুদের অবৈধ বাঁধ ভণ্ডুল

0
ভূমিদস্যুদের কবলে পড়া মোংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেলের ভরাট হওয়া অংশ, যা পুনরুদ্ধারে এখন সক্রিয় প্রশাসন।। ছবি: সংগৃহীত

এম, এ সবুর রানা, রামপাল (বাগেরহাট)॥ বাগেরহাটের রামপালে আন্তর্জাতিক নৌ রুট মোংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেলের জমি দখল ও অবৈধ বাঁধ নির্মাণের অপচেষ্টা ভণ্ডুল করে দিয়েছে প্রশাসন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামের তাৎক্ষণিক নির্দেশে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেলের মুজিবনগর এলাকার প্রায় ৫ কিলোমিটার অংশ পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়ায় এক শ্রেণির ভূমিদস্যু ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে কয়েক হাজার একর সরকারি জমি দখলের উৎসবে মেতে ওঠে। বিগত সরকারের সময় নজরদারির অভাবে নদীর তীরভূমি ও প্লাবনভূমি দখল করে ঘরবাড়ি নির্মাণ ও মৎস্য চাষ শুরু করে প্রভাবশালীরা। গত বৃহস্পতিবার সকালে ভূমিদস্যুরা পুনরায় চ্যানেলে বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামকে অবহিত করেন। প্রতিমন্ত্রী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলে এসিল্যান্ড অভিজিৎ চক্রবর্তী মুজিবনগর এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালান।

অভিযানকালে ফকির রুহুল আমিন নামের এক ব্যক্তি বাঁধ দেওয়ার পক্ষে মালিকানা দাবি করলেও কোনো বৈধ প্রমাণ দেখাতে পারেননি। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত কড়া ভাষায় বাঁধ নির্মাণ বন্ধের নির্দেশ দেন। একই সময়ে স্যাদলার পাশ খালের বাঁধ দ্রুততম সময়ের মধ্যে কেটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া বাইনতলা ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে জনৈক সৈয়দ জাহিদ হোসেনের দখলে থাকা কাটাখালির খাল ও গোহাটের জায়গা ছেড়ে দেওয়ার চূড়ান্ত নির্দেশ দেন এসিল্যান্ড। নির্দেশ অমান্য করলে জেল-জরিমানাসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।