যবিপ্রবি অস্থিতিশীল করতে অপতথ্য ও উড়ো চিঠির নেপথ্যে বরখাস্ত দুই কর্মকর্তা

0
ছবি: সংগৃহীত।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (যবিপ্রবি) অস্থিতিশীল করতে এবং চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে একটি কুচক্রী মহল অপতথ্য ও গুজব ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া একজন শিক্ষক ও একজন কর্মকর্তা জড়িত বলে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

অভিযুক্তরা হলেন-ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ত্রিপলি) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আমজাদ হোসেন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. মিজানুর রহমান।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, স্পর্শকাতর নথি পাচার এবং তথ্য জালিয়াতির অভিযোগে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘রিজেন্ট বোর্ড’ তাদের সাময়িক বরখাস্ত করে।

অভিযোগ রয়েছে, এই দুই ব্যক্তি নিজেদের বাঁচাতে এবং প্রশাসনকে বিব্রত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) বেনামে ‘উড়ো চিঠি’ ও মিথ্যা অভিযোগ পাঠাচ্ছেন। এমনকি যশোর কেন্দ্রীয় পোস্ট অফিস থেকে প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে ভুল তথ্য পাঠানোর সময় ড. আমজাদ হাতেনাতে ধরা পড়েন বলেও শিক্ষকদের দাবি।

তবে অভিযুক্তরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টিকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছেন।

যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ জানান, নিয়োগসহ সকল প্রশাসনিক কাজ স্বচ্ছতার সাথে চলছে। গুজব ছড়িয়ে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।