ঝিকরগাছায় জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি যুবদল নেতার

0
ছবি: সংগৃহীত।

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর ॥ যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় নির্বাচনি প্রচারণায় গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরে ঝিকরগাছা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কীর্তিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই আসনের ১০ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ডা. মো. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ ও তার সমর্থকরা এ দাবি করেছেন।

রোববার সন্ধ্যায় প্রেস ক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ জানান, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রাফিজা, নাসিমা, কামরুন্নাহার, তুলি, বিলকিস ও জোসনাসহ ১০ জনের একটি নারী দল ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে বের হন। অভিযোগ করা হয়, কীর্তিপুর গ্রামে পৌঁছালে উপজেলা যুবদলের সভাপতি আরাফাত রহমান কল্লোলের নেতৃত্বে সবুজ, আহনাত, সোহাগসহ ২০-২৫ জনের একটি দল তাদের ওপর হামলা চালায় এবং লাঞ্ছিত করে।

আহত জামায়াত নেত্রী শিখা খাতুন অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা জোসনার মোবাইল ফোন এবং কামরুন্নাহারের ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে আহতরা চিকিৎসকের পরামর্শে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

তবে হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন উপজেলা যুবদলের সভাপতি আরাফাত রহমান কল্লোল। তিনি পাল্টা দাবি করে বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীরা আমাদের বাড়িতে ভোট চাইতে এসেছিলেন। আমরা তাদের জানাই যে আমাদের নিজস্ব প্রার্থী আছে। এরপর আমার মা তাদের চলে যেতে বলেন। মারধর বা ছিনতাইয়ের কোনো ঘটনা ঘটেনি; তারা এখন রাজনৈতিকভাবে আমাদের হেয় করতে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

এ বিষয়ে ঝিকরগাছা সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রনি খাতুন জানান, জামায়াতের পক্ষ থেকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।