অস্ত্রধারী দেহরক্ষী পেলেন চরমোনাই পীর ও সাকি

0
নির্বাচনী ডামাডোলের মাঝে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়ছেন হেভিওয়েট প্রার্থীরা ।। এআই জেনারেটেড প্রতীকী ছবি।

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং মেহেরপুর-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদ অরুণকে অস্ত্রধারী দেহরক্ষী বা গানম্যান দেওয়া হয়েছে। গত বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অনুমোদন প্রদান করে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেয়।

তবে জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদের দেহরক্ষীর আবেদন নাকচ করে দিয়েছে মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় এবং পুলিশের বিশেষ ব্রাঞ্চ (এসবি) থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির তথ্য না থাকায় তাদের এই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইনের আবেদনও গৃহীত হয়নি।

সম্প্রতি জারি করা ‘জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা-২০২৫’ অনুযায়ী প্রায় ২০ জন রাজনীতিবিদ আবেদন করেছেন। এর মধ্যে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির সাবেক নেতা মুনতাসির মাহমুদের আবেদনসহ আরও বেশ কিছু আবেদন পর্যালোচনায় রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর এবং গোয়েন্দা সংস্থার মতামত সাপেক্ষে কেবল প্রকৃত ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদেরই দেহরক্ষী ও ব্যক্তিগত অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হবে।